শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার নিয়ে সরকারের বার্তা
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৪ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৩৭ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এবং বর্তমানে ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনার বক্তব্য বা বিবৃতি প্রচার না করতে গণমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) প্রকাশিত তথ্য মন্ত্রণালয়ের এক তথ্য বিবরণীতে এ আহ্বান জানানো হয়।
তথ্য বিবরণীতে বলা হয়, জুলাই-আগস্ট গণহত্যা মামলার পলাতক আসামি শেখ হাসিনার বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচারের বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) এর আগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, এই নিষেধাজ্ঞা জুলাই আন্দোলনের মূল চেতনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
আরও পড়ুন: ৫ আগস্ট হাসিনার বক্তব্য ইস্যুতে যা বললো ভারত
এতে বলা হয়, জুলাই আন্দোলনের চেতনা অক্ষুণ্ন রাখা এবং আইনি বাধ্যবাধকতা প্রতিপালনের স্বার্থে গণমাধ্যমে শেখ হাসিনার বক্তব্য বা বিবৃতি প্রচার না করার জন্য সরকার পুনরায় অনুরোধ জানিয়েছে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তার বক্তব্য বা বিবৃতি প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
তথ্য বিবরণীতে আরও উল্লেখ করা হয়, পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার বন্ধ রাখা, দণ্ডিত আসামির পূর্বে দেওয়া বিদ্বেষমূলক বক্তব্য বিভিন্ন মাধ্যম থেকে অপসারণ এবং ভবিষ্যতে সেসব বক্তব্যের প্রচার ও প্রকাশ বন্ধে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, আইসিটি বিভাগ এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-কে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সিও দেশের সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট আইনের বিধান উল্লেখ করে দণ্ডিত আসামির বক্তব্য প্রচার না করার জন্য গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বলে তথ্য বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়।
সরকার আরও জানায়, কিছু গণমাধ্যম আদালতের নির্দেশনা অনুসরণ করে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার থেকে বিরত থাকলেও এখনও কয়েকটি গণমাধ্যম তা প্রচার করছে, যা নিয়ে সরকার উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
তথ্য বিবরণীতে বলা হয়, সরকার জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা ও শহীদদের আত্মত্যাগকে সর্বোচ্চ সম্মান করে। যেসব গণমাধ্যম শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার থেকে বিরত রয়েছে, তাদের প্রতিও সরকার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।
জাতীয় ঐক্য ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা সমুন্নত রাখতে দেশের সব গণমাধ্যম আগের মতো দায়িত্বশীল ও ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা প্রকাশ করেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।
