প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রথম সৌজন্য সাক্ষাৎ ভারতীয় হাইকমিশনার ত্রিবেদীর
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২৬, ০২:০০ পিএম
ঢাকায় ভারতীয় হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী সোমবার প্রথমবারের মত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। ছবি: সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।
সোমবার (১০ আগস্ট) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এ সাক্ষাৎ হয়। দুপুর সোয়া ১২টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে বিষয়টি জানানো হয়।
ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এটিই দীনেশ ত্রিবেদীর প্রথম সাক্ষাৎ। গত ২৫ জুন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে পরিচয়পত্র পেশের মাধ্যমে তিনি ঢাকায় ভারতের ১৬তম হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নেন।
সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে আলোচনায় জোর
শেখ হাসিনার দিল্লিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কে কেন্দ্র করে গত সপ্তাহে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়। এর মধ্যেই দুই দেশ আলোচনার মাধ্যমে সম্পর্ককে ইতিবাচক পথে এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। সেই প্রেক্ষাপটেই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের আজকের সাক্ষাৎকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: ‘নতুন শর্তে এমপিওভুক্তদের আইনগত অধিকার বঞ্চিত করা যাবে না’
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের একদিন আগে রোববার বিকেলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন দীনেশ ত্রিবেদী। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে শুরুতে দুই দেশের কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকলেও পরে তাঁরা একান্তে আধা ঘণ্টার বেশি সময় আলোচনা করেন। বৈঠকটি পূর্বনির্ধারিত ছিল।

এর আগে গত ২৯ জুলাই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে প্রথমবারের মতো সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ভারতের হাইকমিশনার। ওই সময় তিনি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার বিভিন্ন সমস্যা পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে সমাধানের ওপর গুরুত্ব দেন। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের বিষয়ে নয়াদিল্লির আগ্রহের কথাও জানান।
‘কথাবার্তা বললেই সমস্যার সমাধান হবে’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের একদিন আগে ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন দীনেশ ত্রিবেদী। যমুনা ফিউচার পার্কে ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রে শিশুদের জন্য খেলার জায়গা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে সম্মান জানানোর কথা বলেন।
দুই দেশের সম্পর্কের বিষয়ে তিনি বলেন, নেতাদের মধ্যে সরাসরি সাক্ষাৎ ও আলোচনার মাধ্যমে অনেক সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। তাঁর ভাষায়, কথাবার্তার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হবে এবং দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে নেতিবাচক নয়, বরং ইতিবাচক দিকেই নজর দেওয়া উচিত।
বাংলাদেশের এক দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তাও এর আগে বলেছিলেন, ঢাকা আলোচনার মাধ্যমে বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে আগ্রহী। পারস্পরিক সম্মান, মর্যাদা ও স্বার্থ সমুন্নত রেখে দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি একে অপরের সংবেদনশীলতার প্রতিও শ্রদ্ধাশীল হওয়া প্রয়োজন।
