এক্সপ্রেসওয়েতে ইসমাইল হত্যার রহস্য উদঘাটন
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০৬ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
বাসে ভাড়া দেওয়ার সময় যাত্রীর কাছে থাকা বিপুল পরিমাণ টাকা দেখতে পান সুপারভাইজার। সেই টাকা লুটের উদ্দেশ্যেই ৪৯ বছর বয়সী ইসমাইল হোসেনকে হত্যা করা হয়। পরে তার মুখে কস্টেপ পেঁচিয়ে মরদেহ ফেলে দেওয়া হয় রাজধানীর এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের বনানী অংশে।
এ ঘটনায় বাসের সুপারভাইজার, হেলপার ও চালককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সময়ে রাজধানীর ধানমন্ডিতে ব্যবসায়ীর ৩৮ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় অবসরপ্রাপ্ত তিন সেনা কর্মকর্তাসহ নয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ভোরে জামালপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে ‘রাজ ক্লাসিক’ পরিবহনের একটি বাসে ওঠেন ইসমাইল হোসেন। বাসের ভাড়া দেওয়ার সময় তার কাছে থাকা টাকা দেখতে পান সুপারভাইজার সাজু ওরফে লিমন। পরে বিষয়টি তিনি বাসের হেলপার ও চালককে জানান।
একপর্যায়ে বাসের অন্য যাত্রীদের নামিয়ে ইসমাইলকে আটকে রাখা হয়। পরে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহটি এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের বনানী অংশে ফেলে দেওয়া হয়।
সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে সন্দেহভাজন বাসটি শনাক্ত করে বনানী থানা পুলিশ। পরে মহাখালী থেকে বাসটি জব্দ করা হয়। এ সময় সুপারভাইজার সাজু ওরফে লিমন ও হেলপার মনিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে বাসটির চালক সোহেল রানাকেও গ্রেপ্তার করা হয়।
অন্যদিকে, গত ৩০ আগস্ট স্বর্ণ বিক্রির কথা বলে ব্যবসায়ী খোরশেদ আলমকে ধানমন্ডিতে ডেকে নেয় একটি ডাকাত চক্র। ব্যবসায়ী সেখানে পৌঁছানোর পর চক্রের সদস্যরা তাকে টার্গেট করে অবস্থান নেয়।
পরে ধানমন্ডির ৮ নম্বর এলাকার ডিঙ্গি রেস্তোরাঁর সামনে পৌঁছালে তাকে আটকে ৩৮ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয় দুর্বৃত্তরা।
এ ঘটনায় ধানমন্ডি থানা পুলিশ অবসরপ্রাপ্ত তিন সেনা কর্মকর্তাসহ নয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বেশির ভাগই বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত।
দুটি ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত এবং আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
