×

রাজনীতি

লংমার্চের মধ্য দিয়ে ‘বড় আন্দোলনের’ পথে জামায়াত-এনসিপি?

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪০ পিএম

লংমার্চের মধ্য দিয়ে ‘বড় আন্দোলনের’ পথে জামায়াত-এনসিপি?

ফাইল ছবি

ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত লংমার্চ ও পথসভা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। আগামী দুই মাসে আরও তিনটি বিভাগে একই ধরনের কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে তারা। এসব কর্মসূচি শেষে নভেম্বরে ঢাকায় মহাসমাবেশ করার কথাও জানিয়েছে জোটটি।

গত ৫ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চের যাত্রাপথে বিভিন্ন স্থানে পথসভা করেন জোটের নেতারা। এসব কর্মসূচি থেকে ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়। তবে প্রথম দিনের কর্মসূচিতেই এমন বক্তব্য আসে যে, লংমার্চে বাধা দেওয়া হলে কিংবা দাবি পূরণ না হলে ছয় দফা এক দফায় পরিণত হবে।

কর্মসূচির শুরুতে ঢাকার সমাবেশে জোটের অন্যতম শরিক এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকার লংমার্চে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে ‘ছয় দফা এক দফায় পরিণত হবে’।

অন্যদিকে, কর্মসূচির সমাপ্তি হয় চট্টগ্রামের লালদিঘী মাঠের সমাবেশে। সেখানে ১১ দলীয় জোটের প্রধান দল জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান সরকারকে সতর্ক করে বলেন, বিরোধী দলের আন্দোলন ‘ঈদের পরের আন্দোলন হবে না’।

জোটের কর্মসূচি নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া আসে। এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্মসূচিটির প্রতি ইঙ্গিত করে বলেছিলেন, জনগণকে বিভ্রান্ত করে দেশে অরাজকতা তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদেও বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমরা দেখলাম, একটি বিশাল গাড়ির লংমার্চ আয়োজন করা হয়েছিল। বাইরে বিভিন্ন মানুষ একটি কথা বলে যে জনগণকে অযথা উত্তেজিত করে অন্য কিছু করার অপচেষ্টা করা হয়েছিল কি না? গাড়ির লংমার্চ করে যদি গ্যাস বা বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান করা যেত, তাহলে আমরাই সবচেয়ে আগে লংমার্চের আয়োজন করতাম।’

আরও পড়ুন: ‘স্থানীয় নির্বাচনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণের সুযোগ নেই’

এসব বক্তব্যের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রশ্ন উঠেছে—লংমার্চ ও ধারাবাহিক কর্মসূচির মাধ্যমে কি বিরোধী দল সরকারকে বড় ধরনের আন্দোলনের চ্যালেঞ্জ জানাতে চাইছে?

সরকার কেন সন্দেহ করছে?

জামায়াত-এনসিপির কর্মসূচির দিনই ঢাকায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে তিনি দেশে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টার অভিযোগ তোলেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা খেয়াল করছি কিছু রাজনৈতিক দল, কিছু ব্যক্তি বিভিন্নভাবে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে এবং বিভ্রান্তি তৈরির মাধ্যমে দেশে একটি অরাজকতা তৈরির চেষ্টা করছে। কেউ যদি অরাজকতা সৃষ্টি করতে চায়, অবশ্যই দেশের আইনে বলে দেওয়া আছে কীভাবে অরাজকতাকে কন্ট্রোল করতে হবে।’

পরদিন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী আহমেদও বিরোধী দলের কর্মসূচির সমালোচনা করেন।

সরকারের এমন সমালোচনা ও সন্দেহের পেছনে মূলত দুটি বিষয় সামনে আসছে। প্রথমত, বিএনপি মনে করছে, সরকার ক্ষমতায় আসার মাত্র ছয় মাসের মধ্যে বড় ধরনের আন্দোলনের যৌক্তিকতা নেই। দ্বিতীয়ত, কর্মসূচিকে ঘিরে অস্থিরতা সৃষ্টির সম্ভাবনা নিয়ে সরকারের কাছে তথ্য থাকার কথা বলা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খান বলেন, ‘জামায়াতের এই লংমার্চকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ এক ধরনের সুযোগ নিতে চেয়েছিল যে, এই লংমার্চের মধ্যে ঢুকে তারা এক ধরনের অঘটন ঘটাবে। এখানে সরকারের কাছে তথ্য ছিল। যে কারণে সরকারের পক্ষ থেকে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছিল, যাতে করে সরকার পতন কিংবা সরকারকে দায় চাপানোর রাজনীতি কেউ করতে না পারে।’

তার দাবি, গণভোটসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ‘প্রতারণা করে গেছে’। এর বাইরে আওয়ামী লীগ সরকারের ১৬ বছরের ‘অব্যবস্থাপনার’ দায়ও বিএনপির নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

৫ সেপ্টেম্বর লংমার্চে ফেনীর জনসভায় ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা

তবে জামায়াত এসব বিষয়ের দায় বিএনপির ওপর চাপিয়ে লংমার্চ কর্মসূচি করছে বলেও মনে করেন তিনি।

‘বড় আন্দোলনের’ পথ তৈরি করছে জামায়াত?

লংমার্চের মাধ্যমে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট মূলত ছয়টি দাবি সামনে এনেছে। এর মধ্যে রয়েছে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-তেল-গ্যাসের সংকট নিরসন, দুর্নীতি ও দলীয়করণ বন্ধ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন।

সরকারের ক্ষমতায় আসার ছয় মাস না পেরোতেই এসব দাবি সামনে রেখে ধারাবাহিক বড় কর্মসূচি দেওয়াকে সন্দেহের চোখে দেখছে বিএনপি। অন্যদিকে জোটের কর্মসূচি বিশ্লেষণ করলে এটাও স্পষ্ট যে, রাজপথে সরকারকে রাজনৈতিকভাবে চ্যালেঞ্জ জানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা।

জোটের ঘোষণা অনুযায়ী, পরবর্তী লংমার্চ হবে ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর অভিমুখে। এরপর ১০ অক্টোবর খুলনা এবং ২৪ অক্টোবর সিলেট অভিমুখে লংমার্চ করার কথা রয়েছে। চার বিভাগে লংমার্চ শেষে নভেম্বরে ঢাকায় মহাসমাবেশ করবে জোট। সেখান থেকে পরবর্তী কর্মসূচি বা ঘোষণা আসতে পারে।

কিন্তু বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার মাত্র ছয় মাসের মধ্যেই কেন ধারাবাহিক কর্মসূচিতে যাচ্ছে ১১ দলীয় জোট?

এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেনের দাবি, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার শুরুতেই গণভোটের রায় অস্বীকার করেছে। তিনি বিবিসি বাংলাকে বলেন, ‘যেকোনো একটা সরকারের কিছু সময় যাওয়ার পরে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের বিষয়গুলো আসে। কিন্তু এই সরকারের ক্ষেত্রে বিষয়টা এমন না। তারা একেবারে শুরুর দিনেই যে রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ছিল যে, গণভোটের গণরায়কে তারা বাস্তবায়ন করবে—এটাকে তারা অস্বীকার করেছে।’

তার মতে, পরিস্থিতিই তাদের আন্দোলনের দিকে ঠেলে দিয়েছে।

একই ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্টের আদেশে নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরুর ৩০ দিনের মধ্যে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করার কথা ছিল। পাশাপাশি ছয় মাসের মধ্যে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করে সংবিধানে তফসিল অন্তর্ভুক্ত করার কথা ছিল বলেও দাবি করেন তিনি।

পরওয়ারের ভাষ্য, সরকার গণভোটের রায় বা জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করছে না। বরং আইন পাসসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ‘ইচ্ছেমতো চলার’ প্রবণতা তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে আপনি যা ইচ্ছা, তা-ই করে যাবেন, এজন্য তো লোকেরা উনাদের ভোট দেয় নাই। আর আপনি যদি ৫০ শতাংশ ভোট পেয়ে মেজরিটি হন, তাহলে গণভোটে তো প্রায় ৭০ শতাংশ হ্যাঁ ভোটের পক্ষে পড়েছে। সেটা মানবেন না?’

আন্দোলনের যৌক্তিকতা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এতগুলো প্রাণের বিনিময়ে যে গণ-আকাঙ্ক্ষা, আপনি তাকে অস্বীকার করে যাচ্ছেন! এর চেয়ে বড় আর কী হতে পারে?’

লংমার্চ উপলক্ষে চট্টগ্রামে এগার দলের সমাবেশ

বিরোধীদের পক্ষে ‘বড় আন্দোলন’ সম্ভব?

জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোট বড় আন্দোলনের পথ তৈরি করতে চাইছে—এমন ধারণা রাজনৈতিক অঙ্গনে রয়েছে। তবে সেই আন্দোলন কতটা বিস্তৃত হবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে সংশয়ও রয়েছে।

এর অন্যতম কারণ হিসেবে সংসদে বিরোধী দল হিসেবে জামায়াতের তুলনামূলক দুর্বল ভূমিকার কথা বলা হচ্ছে। মূলত নবীন ও অনভিজ্ঞ সংসদ সদস্যদের নিয়ে গঠিত দলটি সংসদের ভেতরে সরকারের বিরুদ্ধে কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পেরেছে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

আরও পড়ুন: তারা মুখে বলে ‘বন্ধু’: ভারতকে নিয়ে চিফ হুইপ

আরেকটি প্রশ্ন হচ্ছে, ১১ দলীয় জোটের আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ কোনো সুবিধা নিতে পারে কি না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সাব্বির আহমেদ বিবিসি বাংলাকে বলেন, ‘জামায়াতের একটা ইমেজ তৈরি হয়ে গেছে যে, তারা দুর্বল বিরোধী দল। এখন তাদের পক্ষে সবল আন্দোলন কতটা সম্ভব, সেই প্রশ্ন তো আছেই।’

তার মতে, জামায়াতের জন্য দুটি ধরনের ঝুঁকি রয়েছে। একদিকে বিএনপির সঙ্গে এমন কোনো সংঘাতে তারা যেতে চাইবে না, যাতে নির্বাচনের পর তাদের অর্জন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের রাজনীতিকে সুবিধা দেয়—এমন কোনো কাজও তারা করতে চাইবে না।

অধ্যাপক সাব্বির আহমেদের ভাষ্য, সংসদে কিংবা সংসদের বাইরে জামায়াতের এখনো ‘শক্তিশালী বিরোধী দলের কোনো ইমেজ তৈরি হয়নি’। ফলে আন্দোলনের মাধ্যমে দলটি নিজেদের শক্তিশালী বিরোধী দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইতে পারে এবং সরকারকেও সেই বার্তা দিতে পারে।

তবে বড় ধরনের আন্দোলন কিংবা সরকার পতনের পরিস্থিতি তৈরি হবে বলে তিনি মনে করেন না।

অবশ্য জামায়াতের পক্ষ থেকে ‘দুর্বল বিরোধী দল’-এর ধারণার সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করা হয়েছে। মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, তারা নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন করছে এবং এটিকে দুর্বলতা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, ‘এটার তীব্র আপত্তি করি যে বিরোধী দল দুর্বল। তো এখন সবলতা দেখাতে গেলে প্রতিদিন পাঁচটা করে গাড়িতে আগুন দিলে সবাই বলবে যে, বিরোধী দল খুব মজবুত। আমরা তো এই ন্যারেটিভ দেশে তৈরি করতে চাই না। এটা একটা ব্যাড কালচার, ব্যাড প্র্যাকটিস।’

জামায়াত কি সরকার পতন চায়?

জামায়াত তাদের ভাষায় ‘নিয়মতান্ত্রিক’ ও ‘জোরালো’ আন্দোলনের কথা বলছে। একই সঙ্গে রাজপথের আন্দোলনকে ঘিরে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ কোনো সুযোগ নিতে পারে কি না, সে বিষয়েও দলটির মধ্যে সতর্কতা রয়েছে।

এ কারণে সরকারি দলের নেতারা আন্দোলনকে সরকার পতনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার অভিযোগ তুললেও জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের নেতারা বলছেন, সরকার পতন তাদের বর্তমান কর্মসূচির লক্ষ্য নয়।

এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেন, ‘আমরা সরকারের কাছে বারবার বলেছি যে, আমরা যে লংমার্চে গিয়েছি, আন্দোলনগুলো করছি। এগুলো কিন্তু এখনো সরকার পতনের আন্দোলন না। আমরা এখানে সরকার যেন জনগণের কথাগুলো বাস্তবায়ন করে, ভুল পথে না যায়, সেজন্য তাদের রিমাইন্ডার দিচ্ছি।’

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারও একই কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা সরকারকে ক্ষমতা থেকে নামায় ফেলবো—অনেকে ভুল ব্যাখ্যা থেকে এমনটা মনে করতে পারেন। একের পর এক কর্মসূচি দিচ্ছে মানে কি, শেষে গিয়ে কি সব নামায় দেবে? না, আমরা যে দাবি করছি সেটা মানতে হবে—আমরা এটাই বলছি।’

তবে সরকার দাবি না মানলে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে পরওয়ার বলেন, ‘আমরা জনগণের দাবি পূরণের পথ তৈরি করছি। এখন এই পথ, এই দাবি, এই আওয়াজ যদি কারও কানে না যায়, তাহলে এরপরে কী হবে সেটা পরেই বলা যাবে।’

ফলে আপাতত ১১ দলীয় জোটের কর্মসূচির ঘোষিত লক্ষ্য সরকার পতন না হলেও ধারাবাহিক লংমার্চ, বিভাগীয় কর্মসূচি এবং নভেম্বরে ঢাকার মহাসমাবেশ ঘিরে রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ তৈরি হচ্ছে। পরবর্তী কর্মসূচিগুলো কতটা বিস্তৃত হয় এবং সরকার ও বিরোধী পক্ষের অবস্থান কোন দিকে যায়, তার ওপরই নির্ভর করবে এই আন্দোলন শেষ পর্যন্ত কতটা বড় রূপ নেয়।

সূত্র: বিবিসি বাংলা।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

‘তদন্ত করলে ছাত্র উপদেষ্টাদের নামে শত কোটি টাকার দুর্নীতি পাওয়া যাবে’

‘তদন্ত করলে ছাত্র উপদেষ্টাদের নামে শত কোটি টাকার দুর্নীতি পাওয়া যাবে’

পদ্মায় পানি বৃদ্ধিতে ১৮ স্কুলে পাঠদান স্থগিত, দুজনের মৃত্যু

পদ্মায় পানি বৃদ্ধিতে ১৮ স্কুলে পাঠদান স্থগিত, দুজনের মৃত্যু

বেগম খালেদা জিয়ার কারামুক্তির দিন আজ

বেগম খালেদা জিয়ার কারামুক্তির দিন আজ

লংমার্চের মধ্য দিয়ে ‘বড় আন্দোলনের’ পথে জামায়াত-এনসিপি?

লংমার্চের মধ্য দিয়ে ‘বড় আন্দোলনের’ পথে জামায়াত-এনসিপি?

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App