×

রাজশাহী

দুর্গম এলাকার শিক্ষকদের ভাতা দেওয়ার উদ্যোগ: ববি হাজ্জাজ

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৩৭ পিএম

দুর্গম এলাকার শিক্ষকদের ভাতা দেওয়ার উদ্যোগ: ববি হাজ্জাজ

ছবি : সংগৃহীত

দুর্গম অঞ্চলে কর্মরত শিক্ষকদের সুবিধা নিশ্চিত করতে দুর্গম ভাতা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। নতুন নীতিমালায় নির্দিষ্ট বিদ্যালয়ভিত্তিক দুর্গম ভাতা রাখার পরিকল্পনা করছে সরকার বলেও জানান তিনি।

বুধবার (২৬ আগস্ট) চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহীদ সাটু হলে আয়োজিত প্রধান শিক্ষকদের ওরিয়েন্টেশন ও মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচি’ প্রকল্পের ওপর এ ওরিয়েন্টেশন এবং প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুর্গম এলাকায় কর্মরত শিক্ষকদের বিভিন্ন প্রতিকূলতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ভাতা চালুর পরিকল্পনা করা হয়েছে। পাশাপাশি নদীভাঙনসহ নানা কারণে যেসব বিদ্যালয় বারবার স্থান পরিবর্তনের ঝুঁকিতে রয়েছে, সেসব এলাকায় সহজে স্থানান্তর করা যায় এমন অবকাঠামো বা মডুলার বিল্ডিংয়ের মডেল নিয়ে কাজ চলছে। দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত বিভিন্ন মডেল পর্যালোচনা করে সরকারি ব্যবস্থায় তা প্রয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: সারের সংকট নেই, পর্যাপ্ত মজুত আছে

বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট দূর করা এবং প্রশাসনিক সংস্কারের বিষয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এর ফলে শিক্ষকদের দীর্ঘ সময় বিদ্যালয়ের বাইরে থেকে প্রশিক্ষণ নিতে হবে না এবং শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক সংকটও কমবে।

তিনি জানান, মূল্যায়নভিত্তিক পদোন্নতি, নতুন বদলি নীতি এবং শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। শূন্য পদ পূরণ, প্রধান শিক্ষক নিয়োগ এবং প্রয়োজনীয়সংখ্যক শিক্ষক নিশ্চিত করার কার্যক্রমও এগিয়ে চলছে। একই সঙ্গে বিদ্যালয়গুলোতে নাইটগার্ড, এমএলএসএসসহ প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

স্কুল ফিডিং কর্মসূচি নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শ্রীলঙ্কা ও ভারতের তামিলনাড়ুর অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশেও মায়েদের সম্পৃক্ত করে শিশুদের রান্না করা খাবার দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় বাজার থেকে শাকসবজি, ডিম, মাছসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ করে মায়েদের মাধ্যমে রান্না ও সরবরাহের বিভিন্ন মডেল পাইলট প্রকল্পের আওতায় পরীক্ষা করা হবে।

সরকারের লক্ষ্য প্রতিটি শিশুর কাছে নির্ধারিত সময়ে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাবার পৌঁছে দেওয়া বলে জানান তিনি। মাদারস কমিটির কার্যকর নজরদারির কারণে অনিয়ম কমেছে উল্লেখ করে মায়েদের আরও সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।

ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দুটি প্রধান লক্ষ্য হলো- কোনো শিশু যেন বিদ্যালয়ের বাইরে না থাকে এবং প্রত্যেক শিশুকে মানসম্মত শিক্ষা দেওয়া। এ লক্ষ্য অর্জনে কারিকুলাম, শিক্ষক, মনিটরিং, অবকাঠামো ও প্রযুক্তি- প্রাথমিক শিক্ষার এই পাঁচটি ক্ষেত্রে সমন্বিতভাবে কাজ করাই পরিবর্তনের মূল চাবিকাঠি।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মো. মুসা জঙ্গীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল, জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. হারুনুর রশীদ এবং ফিডিং কর্মসূচির প্রকল্প পরিচালক মো. আবুল আমিন।

অনুষ্ঠানে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে জামায়াত

ড. হামিদুর রহমান আযাদ জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে জামায়াত

সাফারি পার্কে ফিরেছে হাতি ‘সম্রাট’ ও ‘নিহারকলি’

শর্তভঙ্গ সাফারি পার্কে ফিরেছে হাতি ‘সম্রাট’ ও ‘নিহারকলি’

শেখ হাসিনার সমাধি এই বাংলার মাটিতে হবে না

সারজিস আলম শেখ হাসিনার সমাধি এই বাংলার মাটিতে হবে না

গলায় ফাঁস দিয়ে মানসিক প্রতিবন্ধীর আত্মহত্যা

গলায় ফাঁস দিয়ে মানসিক প্রতিবন্ধীর আত্মহত্যা

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App