হাসপাতালের ‘সিন্ডিকেট’ নির্মূল করা হবে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
পঞ্চগড় প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৫ আগস্ট ২০২৬, ০৬:২১ পিএম
ছবি : ভোরের কাগজ
পঞ্চগড় জেলা সদর হাসপাতালের চিকিৎসাসেবায় কোনো ধরনের সিন্ডিকেট বা অনিয়ম বরদাশত করা হবে না বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। তিনি বলেছেন, দল-মত ও ধর্মের বিভেদ ভুলে সম্মিলিতভাবে জেলার স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে কাজ করতে হবে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) পঞ্চগড় জেলা সদর হাসপাতাল প্রাঙ্গণে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটি ও বিভিন্ন পর্যায়ের অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: শিক্ষকদের অশ্রু মুছতে যাচ্ছি: শিক্ষামন্ত্রী
ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, ‘আন্ডারগ্রাউন্ডে থেকে সিন্ডিকেট করে যারা চিকিৎসা কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত, তারা বোকার স্বর্গে আছেন। হাসপাতালের সিন্ডিকেট নির্মূল করা হবে। সবার জন্য সমান চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে চিকিৎসক ও নার্সদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’
তিনি আরও বলেন, অতি দ্রুত নতুন হাসপাতাল ভবন চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পঞ্চগড়ে বাইপাস সড়ক নির্মাণের চেষ্টাও অব্যাহত রয়েছে।
হাসপাতালের চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়ন, রোগীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, বিদ্যমান সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আয়োজিত এ মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান। সভায় হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জেলা প্রশাসক শুকরিয়া পারভিন, পুলিশ সুপার আবু সাইম, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহিরুল ইসলাম কাচ্চু, জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক ইকবাল হোসাইন, পিপি মির্জা নাজমুল ইসলাম কাজল, পঞ্চগড় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সরকার হায়দারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।
এর আগে সভায় বিভিন্ন অংশীজনের কাছ থেকে জেলা সদর হাসপাতালের চিকিৎসাসেবার বর্তমান পরিস্থিতি, সমস্যা ও প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে মতামত নেওয়া হয়। এ সময় অংশীজনরা প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগসহ দ্রুত ২৫০ শয্যার হাসপাতালটি চালু করে চিকিৎসাসেবার মান বাড়ানোর দাবি জানান।
আরও পড়ুন: ‘সম্পর্কে থাকাকালে ওজন কমে, বমিও হতো’
সভায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমও উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, পঞ্চগড় জেলা সদর হাসপাতালে এমআরআই ও সিটি স্ক্যানের মতো গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা সরঞ্জাম নেই। অথচ প্রতি মাসে বিভিন্নভাবে প্রায় ৪০ হাজার মানুষ এ হাসপাতাল থেকে চিকিৎসাসেবা নিচ্ছেন।
স্বাস্থ্যসেবার বিদ্যমান সংকট সমাধানে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতিও দেন সারজিস আলম।
