মন মাতালেন শাকিরা-বিবার ম্যাডোনা
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনাল মানেই উত্তেজনা, আবেগ আর ইতিহাস। ২০২৬ বিশ্বকাপে সেই ইতিহাসে যোগ হলো নতুন এক অধ্যায়। প্রথমবারের মতো ফাইনাল ম্যাচের বিরতিতে আয়োজন করা হলো সুপার বোলের আদলে হাফটাইম শো। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে পারফর্ম করেন শাকিরা, ম্যাডোনা, জাস্টিন বিবার, বিটিএস, বার্না বয়সহ একাধিক আন্তর্জাতিক তারকা।
১১ মিনিটের এই বিশেষ অনুষ্ঠানটির পরিকল্পনা করেন ব্রিটিশ ব্যান্ড কোল্ডপ্লের প্রধান গায়ক ক্রিস মার্টিন। স্পেন ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচ চলাকালেই সরাসরি স¤প্রচার করা হয় পরিবেশনাটি। রঙিন আয়োজনের সূচনা করেন ম্যাডোনা। ২০০০ সালের জনপ্রিয় গান ‘গঁংরপ’ পরিবেশন করেন তিনি। তার সঙ্গে মাঠে প্রবেশ করেন ব্রাজিলের কিংবদন্তি ফুটবলার রোনালদিনহো ও রোনালদো। এরপর মাপেটস ব্যান্ড ইলেকট্রিক মেহেম পরিবেশন করে ‘ঝবাবহ ঘধঃরড়হ অৎসু’। এরপর মঞ্চে ওঠে দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় ব্যান্ড বিটিএস। তাদের পরিবেশিত ‘উুহধসরঃব’ গানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো স্টেডিয়াম। পারফরম্যান্সের মাঝেই হাজির হন জনপ্রিয় টেলিভিশন সিরিজ টেড ল্যাসো-এর দুই চরিত্র টেড ল্যাসো ও কোচ বিয়ার্ড। তাদের পর মঞ্চে আসেন জাস্টিন বিবার। গিটার হাতে নিজের ২০২৫ সালের অ্যালবাম ঝধিম ওও-এর গান ‘ঊাবৎুঃযরহম ঐধষষবষঁলধয’ পরিবেশন করেন কানাডীয় এই গায়ক। এরপর শাকিরা ও নাইজেরিয়ার শিল্পী বার্না বয় গেয়ে শোনান ২০২৬ বিশ্বকাপের অফিশিয়াল গান ‘উধর উধর’। অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে কোল্ডপ্লে, ইমানুয়েল কেলি, মাপেটস এবং নিউইয়র্কের স্ট্যাটেন আইল্যান্ডের পিএস২২ স্কুলের ৫০ জনের বেশি শিক্ষার্থীর যৌথ পরিবেশনায়। তারা গেয়ে শোনায় ‘ডব উধহপব’, যা এই আয়োজনের জন্য বিশেষভাবে তৈরি করেছেন ক্রিস মার্টিন। হাফটাইম শোটি শুধু বিনোদনের জন্য নয়, ছিল একটি সামাজিক উদ্যোগের অংশও। ফিফা গেøাবাল সিটিজেন এডুকেশন ফান্ডের জন্য সচেতনতা বাড়াতেই এই আয়োজন করা হয়। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা ও খেলাধুলার সুযোগ বাড়াতে কাজ করছে এই তহবিল। ২০২৬ বিশ্বকাপের ১০৪টি ম্যাচের প্রতিটি টিকিট বিক্রি থেকে ১ ডলার করে এই তহবিলে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে ফিফা।
ইতোমধ্যে তহবিলে ৬ কোটি মার্কিন ডলারের বেশি অর্থ সংগ্রহ হয়েছে। এই অর্থ বিশ্বের ১৮টি দেশের ৩১টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা ও ক্রীড়াবিষয়ক প্রকল্পে ব্যয় করা হবে। ফাইনালের আগে এক সাক্ষাৎকারে শাকিরা বলেছিলেন, এত বড় আয়োজন নিয়ে তিনিও ভীষণ রোমাঞ্চিত। তার ভাষায়, ‘এটি হবে একটি যৌথ হাফটাইম শো। পাঁচজন অসাধারণ শিল্পী একসঙ্গে মঞ্চে থাকবেন। দর্শকদের জন্য এটি সত্যিই স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হবে।’
