হামের উপসর্গে আরো ২ শিশুর প্রাণহানি
কাগজ প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
দৈনিক ওঠা-নামার মধ্য দিয়ে ডেঙ্গু ও হামে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) হামের উপসর্গে আরো ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা শূন্য।
গতকাল মঙ্গলবার হামের সার্বিক পরিস্থিতি এবং ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের পাঠানো আলাদা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
হামের সার্বিক বিষয় নিয়ে পাঠানো বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, দেশজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের কেউই নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়নি। মৃত ২ জনের মধ্যে ১ জন ঢাকা ও অপরজন সিলেট বিভাগের। এদিকে সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৯৮০ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে। ৫২ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৮৯৩। ৮৬০ জন শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯০৬ জন শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬২৫ শিশুর। নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছে ৯৩ শিশু। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৭১৮ শিশু মারা গেছে। গত ১৫ মার্চ থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত মোট ১ লাখ ১ হাজার ৭৭ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে এই সময়ে মোট ১১ হাজার ৯৬৫ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। সারাদেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মোট ৮৪ হাজার ৬২৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ৮০ হাজার ৯৭৪ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।
ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ডেঙ্গুতে গত ২৪ ঘণ্টায় কারোর মৃত্যু হয়নি। তবে একই সময়ে আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ১৮০ জন ভর্তি হয়েছেন। ভর্তি হওয়া ডেঙ্গুরোগীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৫৯ জন, বরিশাল বিভাগে ৪২ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৪ জন, খুলনা বিভাগে ৩৫ জন, ময়মনসিংহ বিভাগের ৯ জন, রংপুর বিভাগের ২ জন এবং রাজশাহী বিভাগের ৯ জন রোগী রয়েছেন।
চলতি বছর ১ জানুয়ারি থেকে গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত ডেঙ্গুতে ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে; এর মধ্যে ১০ জন পুরুষ এবং ৮ জন নারী। হাসপাতালে ভর্তি রোগী পৌঁছেছে ৫ হাজার ৫১৫ জনে।
