দুর্ভোগ নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে শিক্ষার্থীরা, সমন্বয়ের অভাব
সেবিকা দেবনাথ
প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
ভারী বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে ১৬ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে উচ্চমাধ্যমিক ও সমমানের সব পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। কিন্তু ওই একই কারণে অন্যান্য বিভাগে পরীক্ষা পেছানোর দাবির প্রেক্ষিতে প্রশ্ন করা হলে ‘শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে’-বলে গত রবিবারও জানিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ভারী বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে ঢাকা বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা পিছিয়ে দেয়ার দাবি জানিয়েছিল কিছু শিক্ষার্থী। গত রবিবার এই প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, রবিবার আমরা গভীর পর্যবেক্ষণে আছি। চেষ্টা করব কীভাবে এই সমস্যার সমাধান করা যায়। আমরা লেটেস্ট ওয়েদার রিপোর্ট এখনো পাইনি। এটার জন্যই অপেক্ষা করছি। কারণ, ঢাকাতেও ভারী বর্ষণ হয়েছে। ৬৪ জেলার ডিসি এবং সংশ্লিষ্ট বোর্ড চেয়ারম্যানদের সঙ্গে কথা বলে কোথায় কী হচ্ছে না হচ্ছে সেগুলো মনিটরিং করে আমরা পরীক্ষা নেয়া বা না নেয়ার সিদ্ধান্তগুলো নিচ্ছি। শিডিউলগুলো নিয়মিত আপডেট করছি এবং যে সব পরীক্ষাগুলো পিছিয়ে যাবে; সে পরীক্ষাগুলো নেয়ার পরিকল্পনা করছি। কোথাও পরীক্ষা নেয়া সম্ভব না হলে তা স্থগিত করা হবে। পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে এবং শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে।
কিন্তু গতকাল সোমবার চরম ভোগান্তি আর দুর্ভোগ পেরিয়ে ১২ লাখেরও বেশি পরীক্ষার্থীকে কেন্দ্রে গিয়ে পরীক্ষায় বসতে হয়েছে। রবিবারের বৃষ্টির পানি গতকাল সোমবারও নগরীর বিভিন্ন অলিগলি থেকে শুরু করে মূল সড়কের কিছু অংশে জমে ছিল। গতকাল সকাল থেকে টানা বৃষ্টিতে সেই পানি আবার বাড়তে থাকে। বৃষ্টির মধ্যে কেন্দ্রে যাওয়ার মতো পর্যাপ্ত যানবাহনও পাননি অনেক শিক্ষার্থী। গতকাল পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, হিসাববিজ্ঞান প্রথম পত্র ও যুক্তিবিদ্যা প্রথম পত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
পরীক্ষার্থী মেয়েকে কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার জন্য তুমুল বৃষ্টির মধ্যেই মালিবাগ মোড়ের কাছে সকাল সাড়ে ৮টায় অপেক্ষা করছিলেন হরলাল রায় সাগর। তিনি জানান, তার বাসা মালিবাগেই। মেয়ে এবার উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন ঢাকা সিটি কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে। মেয়ের পরীক্ষা কেন্দ্র পড়েছে চাঁনখারপুলের শেখ বোরহানুদ্দিন পোস্ট গ্রাজুয়েট কলেজে। হরলাল রায় বলেন, বাসা থেকে নামার পর রাস্তায় কোনো রিকশা পাচ্ছিলাম না। প্রায় ২০ মিনিট ছোটাছুটির পর অনেক অনুরোধ করে একটি অটোরিকশা ঠিক করলাম। যেখানে সর্বোচ্চ ভাড়া ৮০ টাকা। সেখানে রিকশা ভাড়া দিতে হয়েছে দেড়শ টাকা। শান্তিনগর এবং দোয়েল চত্বর থেকে পরীক্ষা কেন্দ্র পর্যন্ত রাস্তায় হাঁটু সমান পানির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। তিনি আরো বলেন, চলতি পথে অনেক শিক্ষার্থী ও অভিভাবককে বৃষ্টিতে কাকভেজা হয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রের দিকে যেতে দেখলাম। ভেজা পোশাকেই মেয়েকে কেন্দ্রে দিয়ে আসতে হয়েছে। সরকার চট্টগ্রাম বোর্ডের পরীক্ষা স্থগিত করেছে। অন্যান্য বোর্ডের পরীক্ষাও স্থগিত করতে পারত।
ডেমরা আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থী লিমাকেও রাস্তায় জমে থাকা পানি মাড়িয়ে, যানবাহনের জন্য দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করে বেশি ভাড়াতে ভেজা অবস্থায় কেন্দ্রে যেতে হয়েছে।
এদিকে কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, গতকাল পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্র অনেক কঠিন হয়েছে। ক্লাসে পড়ানো বিষয়ের বাইর থেকে প্রশ্ন তৈরি করা হয়েছে। পরীক্ষা শেষে কেন্দ্র থেকে অনেককেই মুখ ভার করে বের হতে দেখা গেছে। কয়েকজনকে দেখা গেছে কান্নাকাটি করতেও।
এবারের এইচএসসি পরীক্ষা সংক্রান্ত সরকারের দুটি সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন অভিভাবকরা। তারা বলেন, পরীক্ষার তারিখ ঘোষণার পর সরকার সব বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্র এবং পূর্ণ সিলেবাসে পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। হঠাৎ করে এভাবে পরীক্ষা পদ্ধতি পরিবর্তন করায় পরীক্ষার্থীদের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে। মানসিকভাবেও বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। এমনিতেই এবারের পরীক্ষার্থীরা একটা চরম অস্থিরতার মধ্যে পড়েছিল। চব্বিশের জুলাইয়ে কলেজে ভর্তি হওয়ার পর রাজনৈতিক অস্থিরতা ও কলেজ কেন্দ্রীক আন্দোলনের কারণে ক্লাস ঠিকমতো হয়নি। কলেজ বন্ধ ছিল অধিকাংশ দিন। এসব কারণে পড়াশোনায় বিঘœ ঘটেছে। তার ওপর পরীক্ষার আগমুহূর্তে পরীক্ষা ও শিখন পদ্ধতি পরিবর্তন করা কোনোক্রমেই যৌক্তিক ও সুবিবেচনা প্রসূত নয় বলে মন্তব্য তাদের। তবে তারা এও বলেন, সরকার অবশ্যই পরীক্ষা ও পাঠক্রম নতুন করে সাজাতে পারে; কিন্তু তা শিক্ষার্থী ভর্তির পর করা উচিত। যা প্রয়োগ হবে পরীক্ষায়।
দেশের অধিকাংশ স্থানে বৃষ্টিতে ভিজে কোথাও হাঁটু সমান পানি মাড়িয়ে কিংবা নৌকায় কেন্দ্রে যেতে হয়েছে শিক্ষার্থীদের। এমন দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে উঠে আসলে শিক্ষামন্ত্রীকে নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সমালোচনার পাশাপাশি ট্রল করে এবং মিমস বানিয়ে মন্ত্রীর সিদ্ধান্তের সমালোচনা করছেন অনেকে।দেশব্যাপী চলমান বৈরী আবহাওয়া, টানা বর্ষণ, জলাবদ্ধতা ও দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা অবিলম্বে স্থগিত করার দাবিও উঠেছে। শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষাবিদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সাধারণ মানুষও এই দাবি জানিয়েছেন।
কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা
শিক্ষাবিদদের অনেকেই বলছেন, কোমর বা হাঁটু সমান পানি পেরিয়ে কিংবা পানি মাড়িয়ে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়া-আসার বিষয়টি কোনোভাবেই ন্যায্য নয়। এমন পরিস্থিতিতে পরীক্ষা নেয়া হলে সব পরীক্ষার্থীর জন্য সমান পরিবেশ নিশ্চিত করা যায় না। বৈরী আবহাওয়ার পূর্বাভাস বিবেচনায় নিয়ে আগেই পরীক্ষার সূচি পুনর্নির্ধারণ করা উচিত ছিল। একই প্রশ্নপত্রে দেশের কোথাও পরীক্ষা হচ্ছে, আবার কোথাও স্থগিত থাকছে। এতে মূল্যায়নের ক্ষেত্রে নানান প্রশ্ন তৈরি হতে পারে। যারা দুর্যোগের মধ্যে পরীক্ষা দিচ্ছে, তারা স্বাভাবিক পরিবেশে পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ পাচ্ছে না। এতে পরীক্ষার মূল উদ্দেশ্যই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ইমিরেটাস অধ্যাপক ড. মনজুর আহমেদ জানান, আবহাওয়ার পূর্বাভাস কয়েকদিন আগ থেকেই ছিল। তাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা বোর্ড এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে আরো ভালো সমন্বয় থাকলে আগেভাগেই প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব ছিল।
গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, প্রতিবছরই বর্ষা মৌসুমে একই ধরনের সমস্যার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। ধীরে ধীরে পাবলিক পরীক্ষাগুলোকে অনুকূল আবহাওয়ার সময়ে নিয়ে আসা প্রয়োজন। পাশাপাশি দুর্যোগকালে শিক্ষা কার্যক্রম কীভাবে চলবে, সে বিষয়ে একটি দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় শিক্ষা পরিকল্পনাও থাকা উচিত।
দায় নিচ্ছে না শিক্ষা বোর্ডগুলো; সমন্বয়হীনতা স্পষ্ট
তবে দুর্যোগে এমন ভোগান্তিতেও পরীক্ষা নেয়ায় সমালোচনা হলেও এর দায় নিচ্ছে না শিক্ষা বোর্ডগুলো। তারা বলছে, পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত স্থানীয় জেলা প্রশাসনের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে নেয়া হয়। ডিসি ও ইউএনওরা যে প্রতিবেদন দিয়েছেন, তাতে পরীক্ষা স্থগিতের পরামর্শ বা সুপারিশ করা হয়নি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে আন্তঃশিক্ষা শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির শীর্ষ এক কর্মকর্তা এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড রাত পর্যন্ত চিন্তাভাবনা করে পরীক্ষা স্থগিত করার পক্ষে মত দেয়। মন্ত্রী নিজেও পরীক্ষা স্থগিতের পক্ষে ছিলেন। কিন্তু জেলা ও উপজেলা প্রশাসন এবং কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কাছ থেকে সাড়া পাওয়া যায়নি। সেজন্য রাতে বাধ্য হয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বোর্ড পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। শেষ পর্যন্ত পরীক্ষা নেয়ায় এখন সমালোচনা হচ্ছে।
দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের মোর্চা বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা শুরু থেকেই আবহাওয়া পরিস্থিতি খেয়াল রাখছিলাম। পাশাপাশি জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) কাছে তাদের এলাকার পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলাম। তারা যদি জানাতেন যে, অমুক জেলায় পরীক্ষা নেয়ার পরিস্থিতি নেই, তাহলে সেখানে স্থগিতের সিদ্ধান্ত আসত। কিন্তু সে ধরনের তথ্য আমরা পাইনি।
পরীক্ষা পেছানোর দাবি বিভিন্ন সংগঠনের
বৈরী আবহাওয়া পরিস্থিতি বিবেচনায় চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষাসহ অন্যান্য বোর্ড ও বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষাসমূহ সাময়িক স্থগিতের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মানবিক বিবেচনা কামনা করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। গতকাল ছাত্রদলের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান বন্যা, টানা অতিবর্ষণ ও জলাবদ্ধতার কারণে চলমান এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আয়োজনের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আবিদুল ইসলাম খান। গতকাল বিকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের নিজের আইডিতে এ দাবি জানান তিনি। তিনি লিখেন, ইতোমধ্যে বন্যা পরিস্থিতি বিবেচনায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন সব জেলার পরীক্ষা কয়েক দফা স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ, সিলেট বোর্ডের পরীক্ষাও স্থগিতের সুপারিশ এসেছে। অথচ দেশের বাকি বোর্ডগুলোতে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া উপেক্ষা করেই পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি মেনে পরীক্ষা চলছে। রাজধানীতে জলাবদ্ধতার কারণে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছানোই যেখানে দুরূহ হয়ে উঠেছে, সেখানে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকরা বারবার পরীক্ষা পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন। গুরুত্বের একটি পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থীকে যদি জলাবদ্ধ রাস্তা পেরিয়ে, বৃষ্টিতে ভিজে, ঝুঁকি নিয়ে কেন্দ্রে পৌঁছাতে হয়, তাহলে সেই কষ্ট ও উদ্বেগ তার পরীক্ষার প্রস্তুতি ও মানসিক স্থিরতাকেও প্রভাবিত করে। আমরা চাই না একজন শিক্ষার্থীরও এই পরীক্ষায় অংশ নিতে গিয়ে অহেতুক কষ্ট পোহাতে হোক কিংবা জীবনের ঝুঁকি নিতে হোক। তাই দেশের প্রতিকূল আবহাওয়া পরিস্থিতির মধ্যে যেসব পরীক্ষা আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়েছে, তা পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানাই। একই সঙ্গে অনুরোধ জানাই, সামনের প্রতিটি পরীক্ষার আগে আবহাওয়া অধিদপ্তর ও বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্রের সর্বশেষ পূর্বাভাস পর্যালোচনা করে, মাঠপর্যায়ের প্রকৃত পরিস্থিতি যাচাই করে তবেই পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়া বা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হোক।
জাতীয় ছাত্রশিবির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদার লেখেন, আজকের এইচএসসি পরীক্ষাটি চাইলেই অন্য কোনো ছুটির দিনে স্থানান্তর করা যেত; কিন্তু তারেক রহমান সরকার জনবিচ্ছিন্ন সিদ্ধান্ত নিলো। জনবিচ্ছিন্ন লোকজন বিদেশ থেকে এসে দেশের মানুষের সুবিধা-অসুবিধা বুঝবেন না এটাই স্বাভাবিক। তাদের এই অদক্ষতার জন্য এ বছরের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বড় ধরনের ট্রমার মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে।
পাশাপাশি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম, ছাত্রদল নেতা শেখ তানভীর বারী হামিম, জাহিন এশাসহ অসংখ্য ছাত্রনেতা এবং নেটিজেন এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত না করার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে পোস্ট দিয়েছেন। অনেকে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগও দাবি করছেন।
