তিতাসের দুঃখ প্রকাশ
বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের তীব্র সংকট
কাগজ প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
গ্যাস সরবরাহের ঘাটতির কারণে তিতাস গ্যাসের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় শিল্প, বাণিজ্যিক, সিএনজি ও আবাসিক গ্রাহকদের মধ্যে তীব্র গ্যাস সংকট ও মারাত্মক স্বল্পচাপ দেখা দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে গ্রাহকদের সাময়িক ভোগান্তির জন্য আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ। গতকাল রবিবার তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটির কারণে জাতীয় সঞ্চালন লাইনে গ্যাস সরবরাহ আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পেয়েছে। এর প্রভাবে তিতাস গ্যাসের আওতাধীন এলাকার আবাসিক, শিল্প, বাণিজ্যিক ও অন্যান্য সব শ্রেণির গ্রাহক তীব্র গ্যাস-স্বল্পচাপের মুখোমুখি হতে পারেন।
তিতাস দুঃখ প্রকাশ করে জানায়, পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত গ্যাসের এ স্বল্পচাপ অব্যাহত থাকতে পারে। সাময়িক এ অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
এর আগে গত ২০ জুলাই তিতাসের অপর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দুঃখ প্রকাশ করে বলা হয়, কয়েকদিন ধরে গ্যাস সংকটের কারণে ভোগান্তিতে পড়েছেন তিতাস গ্যাসের গ্রাহকরা। জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় তিতাসের অধিভুক্ত বেশ কিছু এলাকায় শিল্প-কারখানা, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, সিএনজি স্টেশন এবং আবাসিক গ্রাহক পর্যায়ে প্রয়োজনীয় চাপ বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে অনেক এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপ ও সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার ঘটনা ঘটছে।
এ অবস্থার কারণে গ্রাহকদের যে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে, সে জন্য তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে যাচ্ছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত এলএনজি টার্মিনালগুলোতে কারিগরি ত্রুটির কারণে গ্যাস (আরএলএনজি) সরবরাহ কমেছে। সরবরাহ প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) কমে গেছে। ফলে তিতাস গ্যাসের আওতাভুক্ত এলাকায় শিল্প, বাণিজ্যিক, সিএনজি ও আবাসিকসহ সব শ্রেণির গ্রাহক তীব্র গ্যাস সংকটের মুখে পড়েছেন।
