×

শেষের পাতা

চট্টগ্রামকে লজিস্টিক্যাল হাব হিসেবে গড়তে চায় সরকার

Icon

চট্টগ্রাম অফিস

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রামকে লজিস্টিক্যাল হাব হিসেবে গড়তে চায় সরকার

চট্টগ্রামকে লজিস্টিক্যাল হাব হিসেবে গড়তে বড় পরিকল্পনা রয়েছে, এজন্য বিদেশি বিনিয়োগও আসছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগের গন্তব্য। গতকাল শনিবার সকালে চট্টগ্রাম সফরে এসে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

প্রসঙ্গত, জাতীয় বাজেট পেশ করার পর এই প্রথম তিনি নিজ শহরে ফিরলেন রাজধানী ঢাকা থেকে। চট্টগ্রামে এসেই তিনি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের মুখোমুখি হন।

এসময় আমির খসরু বলেন, বিদেশি বিনিয়োগ, সরাসরি বিনিয়োগ, ক্যাপিটাল মার্কেটে বিনিয়োগ এবং ফান্ড ম্যানেজারদের বিনিয়োগ- সবই বাংলাদেশে আসছে। বাজেট প্রথমত বাংলাদেশের জন্য। বাংলাদেশের প্রত্যেকটি অঞ্চলের যে সম্ভাবনা আছে, সেটিকে মাথায় রেখে বাজেট করা হয়েছে এবং সেই সম্ভাবনাগুলো কীভাবে কাজে লাগানো যায়, সেটিকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

আমির খসরু বলেন, চট্টগ্রামের সম্ভাবনা স্বভাবতই অনেক বেশি। কারণ এখানে বন্দর আছে। শুধু সমুদ্রবন্দর নয়, চট্টগ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক ও কৌশলগত অবস্থানও রয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে চট্টগ্রামের সম্ভাবনাকে মাথায় রেখে সরকারের পরিকল্পনায় অনেক কিছু আনা হয়েছে।

তিনি বলেন, নদীর ওপারে ৬০০ একর জমিতে একটি ফ্রি জোন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। চট্টগ্রামে একসঙ্গে অনেকগুলো বন্দর নির্মাণ করা হবে। চট্টগ্রামকে একটি লজিস্টিক্যাল হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার প্রতিফলন এবারের বাজেটে রয়েছে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরকে কার্গো হাব ও প্যাসেঞ্জার হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, চট্টগ্রামে একটি চাইনিজ ইকোনমিক জোন হবে। ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে লাকসাম অংশের উন্নয়নের মাধ্যমে ট্রেনে যাতায়াতের সময় দুই ঘণ্টা কমিয়ে আনার পরিকল্পনাও বাজেটে রয়েছে। এসব বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম থেকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক করিডর একটি লজিস্টিক্যাল হাবে পরিণত হবে। বন্দরগুলো আরো বেশি পরিমাণে কাজ করতে পারবে। অন্যদিকে মাতারবাড়িকেও ঘিরে বড় ধরনের কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও লজিস্টিক্যাল সম্ভাবনাকে বিবেচনায় রেখেই বাজেটে পরিকল্পনা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এগুলো দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। বাস্তবায়নে কয়েক বছর সময় লাগবে। তবে যত দ্রুত সম্ভব কাজ শুরু করার চেষ্টা করা হবে।

দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, এত বড় বাজেট বাস্তবায়ন একটি কঠিন কাজ। বর্তমান সরকার বিগত সরকারের কাছ থেকে একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি পেয়েছে। এর সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবও যুক্ত হয়েছে। আগে এই ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে বের হয়ে অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে হবে। এরপর সম্ভাবনার জায়গাগুলো কাজে লাগানো হবে। সরকারের তৃতীয় ও চতুর্থ বছর থেকে সমৃদ্ধির ধারা শুরু হবে এবং অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে। বাংলাদেশ তার সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাবে।

বিদেশি বিনিয়োগ নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ, ক্যাপিটাল মার্কেটে বিনিয়োগ এবং ফান্ড ম্যানেজারদের বিনিয়োগ আসছে। বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগের গন্তব্য। তাই এ নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (চউক) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন, বিএনপি নেতা আবুল হাশেম বক্কর ও আইনজীবী নেতা আবদুস সাত্তারসহ অন্যান্যরা।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিতে আধুনিক হচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী

রাষ্ট্রপতি ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিতে আধুনিক হচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী

সরকারি ব্যানার-বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার নিষিদ্ধ

সরকারি ব্যানার-বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার নিষিদ্ধ

স্মারক ডাকটিকিট উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

স্মারক ডাকটিকিট উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বৈরি আবহাওয়ায় বিঘ্নিত যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসের আয়োজন

বৈরি আবহাওয়ায় বিঘ্নিত যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসের আয়োজন

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App