×

শেষের পাতা

আসুন সবুজ বসতি গড়ে তুলি, সন্তান জন্ম নিলে গাছ লাগান

Icon

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

আসুন সবুজ বসতি গড়ে তুলি,  সন্তান জন্ম নিলে গাছ লাগান

কাগজ প্রতিবেদক

বাংলাদেশকে একটি সবুজ বসতি হিসেবে গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সংরক্ষণকে আমাদের নিত্যদিনের অভ্যাসে পরিণত করতে হবে। সবাই মিলে কাজ করলেই আমরা সবুজ, স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ বসতি গড়ে তুলতে পারব। সবুজ বসতি গড়ে তুলতে সন্তান জন্মের সঙ্গে সঙ্গে একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান তিনি।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা এবং জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য রাখেন।

সরকারপ্রধান বলেন, বৃক্ষরোপণ কিংবা সবুজের গুরুত্ব সম্পর্কে আমরা কমবেশি সবাই অবগত আছি। আমরা যখন ছোট ছিলাম, তখন ঢাকা শহরকে যত গ্রিন দেখতাম, এখন বোধহয় দেখি না। এটার সঙ্গে নিশ্চয়ই আপনারা এই ঘরে উপস্থিত কেউ আমার সঙ্গে ডিফার করবেন না, সবাই নিশ্চয়ই আপনারা একমত হবেন। একটা সন্তান পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করলে আমি কিছুদিন আগেও বলেছিলাম যে, এখানে একজন বলেছেন, একটা সন্তান আমাদের পরিবারে- আমাদের নিজেদের হোক, আত্মীয়স্বজনের হোক- একটা পরিবারের নতুন সন্তান জন্মগ্রহণ করলে আমরা যদি সবাই মিলে তার জন্য তাকে স্মরণ করে একটি গাছ রোপণ করি তাহলে প্রতিটা প্রাণের জন্মকে উদযাপন করি, স্মরণ রাখি; তাহলে একটা নবজাতকের পাশাপাশি একটা গাছ যেমন বেড়ে উঠবে, সেই ছোট্ট শিশুটি আস্তে আস্তে বেড়ে উঠবে এবং এভাবেই সবুজায়নের জন্য সামাজিক আন্দোলন সফলতা লাভ করবে।

যুক্তরাজ্যে অবস্থানকালের একটি ঘটনা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, আমি লন্ডনে যেই পাড়াটায় থাকতাম, আমার তিন-চারটি বাসা পরে একটা বাসা ছিল। তিনতলা বাসা। সেই বাসার সামনে দুটি গোলাপ গাছ ছিল দরজাটার দুপাশে। গোলাপ গাছগুলো ক্লাইম্বিং রোজ। গোলাপ গাছগুলো বেড়ে বেড়ে তিনতলা পর্যন্ত উঠে গিয়েছিল। একদিন বাসার মালিকের সঙ্গে আমার দেখা হলো। আমি বললাম যে, তোমার এই গাছগুলো খুব সুন্দর। বেশি দূর থেকে খুবই সুন্দর লাগে দেখতে। ভদ্রলোকের তিনটা সন্তান। তিনি বললেন, যখন আমার যেই সন্তান জন্ম হয়েছে, আমি তখন তার নামে একটা করে গাছ লাগিয়েছি- দুটো সামনে আছে, একটা বাসার পেছনে আছে। তিনটা গাছ এখন বড় হয়ে গেছে প্রায় তিনতলার সমান হয়ে গেছে- দেখতে খুবই সুন্দর লাগে। সেদিন থেকে আমার কাছে মনে হয়েছে যে, দেশে ইনশাআল্লাহ ফিরলে আমার পক্ষে কখনো সুযোগ হলে এই কথাটি আমি বলার চেষ্টা করব। আমি সেজন্যই আজকে আপনাদের সামনে এই কথাগুলো তুলে ধরলাম।

সবুজায়নে সরকারের নেয়া উদ্যোগ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন,

সবুজের সামাজিক আন্দোলনের পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণে সরকারিভাবে আমরা অনেকগুলো উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। আমরা সরকার গঠন করার পরে প্রতি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গ্রিন ভলেন্টিয়ারিজম চালু করার একটা পদক্ষেপ আমরা নিয়েছি। কিছুদিন আগে আপনারা দেখেছেন, পত্রপত্রিকায় নিউজ এসছে স্কুলগুলোতে। একসঙ্গে স্কুলের একটা প্রোগ্রাম ছিল, একসঙ্গে প্রায় ৯০ হাজারের মতো গাছ বিভিন্ন স্কুলে সেদিন রোপণ করা হয়েছে।

সরকারপ্রধান বলেন, একই সঙ্গে ক্লাইমেট ইউথ ফেলোশিপ চালু এবং এনভায়রনমেন্ট স্টার্টআপ ফান্ডসহ বেশ কিছু উদ্যোগ আমরা গ্রহণ করেছি। সরকারের এই উদ্যোগগুলো যদি আমরা সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে পারি, তাহলে অবশ্যই বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আমরা একটি নিরাপদ স্বাস্থ্যকর এবং সবুজ বাংলাদেশ গঠন করতে ইনশাআল্লাহ সক্ষম হব।

বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে পরিবশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এ বছর জাতীয় বৃক্ষ রোপণ অভিযান ও বৃক্ষ মেলার প্রতিপাদ্য বিষয়-বৃক্ষ রোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী সাইমুম পারভেজ এবং ভারপ্রাপ্ত সচিব ফাহমিদা খানম প্রমুখ।

কল কারখানার কারণে যেভাবে পরিবেশের দূষণ হচ্ছে, এর জন্য আমাদের সবারই দায় আছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশ সভ্য দেশ হয়েও যত্রতত্র কলকারখানা তৈরি করা হচ্ছে, তা কাম্য নয়। সবকিছু আইন দিয়ে করা সম্ভব নয়, সচেতনতার মধ্য দিয়ে করতে হবে।

ইকোনমিস্ট ইনটেলিজেন্স ইউনিটের (ইআইইউ) লাইবিলিটি ইনডেক্সে র?্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে বিশ্বের তৃতীয় বসবাস উপযোগী শহরের তালিকায় ঢাকার নাম থাকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, বিষয়টিকে হালকা করে দেখার সুযোগ নেই। এ নিয়ে আমাদের অবশ্যই সিরিয়াস হয়ে চিন্তা করা জরুরি।

দেশ হোক সকল প্রাণের নিরাপদ আবাসস্থল : প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই পরিবেশ মেলা কিংবা বৃক্ষ মেলার যে আয়োজন, এটা যেমন বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুন্দর এবং সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার জন্য একটা নিরাপদ বিনিয়োগ বলে আমি মনে করি। এই আয়োজনটা কেবলমাত্র একটা বাৎসরিক আনুষ্ঠানিকতার মধ্যেই যদি সীমাবদ্ধ থাকে, সেটা বোধহয় থাকা উচিত হবে না।

তিনি বলেন, বৃক্ষরোপণ এবং পরিবেশ সংরক্ষণের মতো এই যে বিষয়টা, এটা আমাদের একটা নৈমিত্তিক অভ্যাসে যদি আমরা পরিণত করতে পারি; তাহলে আমরা সকলের বক্তব্যে যে কথাগুলো বলি যে, একটা স্বাস্থ্যকর বসতি গড়ে তোলা দরকার, আমাদের গড়ে তোলা উচিত- এ সবগুলো তাহলে ধীরে ধীরে আসলেই বাস্তবে রূপ নিতে পারবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যারা এখানে পরিবেশকর্মীসহ বৃক্ষরোপণ বা বাগান তৈরি বা এই কাজগুলোতে জড়িত আছেন, যারা উপস্থিত হয়েছেন বাংলাদেশের বিভিন্ন কর্নার থেকে আপনাদের মতো মানুষগুলো বা প্রতিশ্রæতিশীল তারুণ্য যদি থাকেন, দেশে এটার সংখ্যা যদি বৃদ্ধি পায়, নিশ্চয়ই ইনশাআল্লাহ আমরা একটা সবুজ বসতি গড়ে তুলতে সক্ষম হব এই বাংলাদেশে।

তারেক রহমান বলেন, আমি যেই কথাটি মনে করি, সেই কথাটি আপনাদের সামনে বলতে চাইছি সেটা হলো, দেশ হোক সকল প্রাণী এবং প্রাণের নিরাপদ আবাসস্থল।

তিনি বলেন, বৃক্ষরোপণ কিংবা বনায়ন-এটাই বোধহয় শেষ কথা বলা উচিত হবে না। বনায়ন পশুপাখি, বিভিন্ন প্রাণী কীটপতঙ্গের জন্য নিরাপদ বাসস্থান কিংবা প্রয়োজনীয় আহারের জোগান দিতে পারে কি না, এটিও কিন্তু আমাদের চিন্তার মধ্যে থাকা প্রয়োজন। কারণ আমরা অনেক গাছ অনেক কিছু কেটে ফেলার কারণে যেটি হচ্ছে সমস্যা; অনেক পোকামাকড় অনেক কিছু কিন্তু বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে, যেটাও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, আমাদের বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ম্যানিফেস্টোতে ছিল যে, আমরা পাঁচ বছরে নতুন করে ২৫ কোটি গাছ রোপণের কর্মসূচি নিয়েছি। ইচ্ছামতো যদি আমরা গাছ রোপণ করি, তাহলে কিন্তু এই লক্ষ্যটা সফল হবে না। আমি ব্যক্তিগতভাবে যেটা বিশ্বাস করি যে, কোন কোন পরিবেশে কোন মাটিতে কী ধরনের আবহাওয়ায় কোন প্রজাতির গাছ রোপণ করা প্রয়োজন, এটি সম্পর্কেও কমবেশি আমাদের একটি ধারণা থাকতে হবে এবং সেই বিষয়টিকে প্রাধান্য দিয়েই গাছগুলোকে আমাদের রোপণ করতে হবে। আমাদের পরিবেশের জন্য যে গাছগুলো ক্ষতিকারক, সেই গাছগুলোকে অবশ্যই পরিহার করা উচিত। সেই গাছগুলোকে আমাদের এনকারেজ করা উচিত না রোপণের জন্য এবং একই সঙ্গে নতুন বৃক্ষরোপণের ক্ষেত্রে দেশীয় প্রজাতির গাছ যেমন ঔষধি, অর্কিড, বাঁশ জাতীয় বনজ, ফলদ, অর্থকরী বা বিপন্ন প্রজাতির গাছ এগুলোকে রোপণ করা খুবই দরকার।

পরিচর্যাও করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, গাছপালা প্রাণী অর্থাৎ জীব এবং মাটি, পানি, বায়ু, পরিবেশ সবকিছু যাতে স্বাভাবিকভাবে মিলেমিশে থাকতে পারে বনায়নের মাধ্যমে, ফরেস্ট্রেশনের মাধ্যমে- এরকম একটা ইকোসিস্টেম বজায় এবং বহাল রাখার আমরা চেষ্টা করছি। বর্তমান সরকার যে কাজগুলো করছে, তার ভেতর দিয়ে এই পুরা জিনিসটাকে একসঙ্গে রাখার পরিবেশ যেন ঠিকঠাক থাকে, সেটাই আমাদের লক্ষ্য। শুধু যে গাছ লাগাব, শুধু যে প্লাস্টিক সরাব- তা নয়। অনেকগুলো ইন্টিগ্রেটেড জিনিস আছে, সেগুলোকে আমরা খেয়াল রাখার চেষ্টা করছি। নতুন বৃক্ষরোপণ অবশ্যই জরুরি। তবে এই যে গাছটাকে আমরা রোপণ করলাম, এটা নিরাপদে বেড়ে উঠছে কি না, বেড়ে উঠতে পারছে কি না, সেটি নিশ্চিত করাও খুব বেশি জরুরি।

দেশের নদী বাঁচাতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন,‘আমরা যদি নদীগুলো বাঁচাতে না পারি, তাহলে আগামীতে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেবে। নদী বাঁচাতে না পারলে কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা ও পানি নিরাপত্তা- কোনোটিই নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না। তাই ইকোসিস্টেম রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। উন্নয়ন ও পরিবেশকে একে অপরের প্রতিদ্ব›দ্বী না ভেবে, প্রকৃতির সঙ্গে স¤প্রীতি রেখে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি গড়ে উঠুক- এটাই বর্তমান সরকারের প্রত্যাশা।

তিনি বলেন, ছাদবাগান, নগর বনায়ন, জিআইএস-ভিত্তিক বৃক্ষরোপণ, নদী তীর ও খালের দু’পাশে সবুজায়ন এবং ইকোট্যুরিজমকে অর্থনীতির নতুন ক্ষেত্র হিসেবে গড়ে তুলতে চায় বর্তমান সরকার।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, খরা, তাপপ্রবাহ, নদী ভাঙন ও লবণাক্ততা আমাদের কৃষি, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি এবং সর্বোপরি জনজীবনকে প্রতিদিন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে। এই বাস্তবতায় বর্তমান সরকার পরিবেশকে আলাদা কোনো খাত নয়, বরং জাতীয় উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করছে। সরকারের লক্ষ্য একটা সবুজ, পরিচ্ছন্ন, জলবায়ু-সহনশীল ও টেকসই বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনা জরুরি বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি বর্তমান সরকার সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল খনন-পুনর্খননের যে কর্মসূচি শুরু করেছে, তা কৃষকদের বছরজুড়ে সেচ সুবিধা নিশ্চিত করবে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায়ও কার্যকর ভূমিকা রাখবে। তবে পরিবেশ উন্নয়ন কেবল বৃক্ষরোপণ বা খাল খননের ওপরই নির্ভর করে না- এসব সহায়ক পদক্ষেপ (সাপ্লিমেন্ট) মাত্র।

তিনি বলেন, ‘রাজধানীসহ দেশের সব নগর, বন্দর ও শহরতলির বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আমূল পরিবর্তন আনার কোনো বিকল্প নেই। এ ব্যাপারে পরিবেশ নিয়ে যারা কাজ করছেন তাদের অসম্ভব সহযোগিতা আমার প্রয়োজন, সরকারের প্রয়োজন।

যেখানে-সেখানে ময়লা না ফেলার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্লাস্টিক বর্জ্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে সরকার কাজ শুরু করেছে বা করার চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে জৈব সার উৎপাদন, পুনর্ব্যবহার, বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদন এবং ‘রিডিউস, রি-ইউজ, রিসাইকেল’ বা ‘থ্রি আর’ নীতি জাতীয় পর্যায়ে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।’

তিনি বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে হলে তা কেবল নগর প্রশাসন বা পুলিশের মাধ্যমে সম্ভব নয়। সচেতনতার মাধ্যমেই এটি করতে হবে। এ জন্য প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্বশীল আচরণ প্রয়োজন। আমি সবার কাছে উদাত্ত আহ্বান জানাই, অনুগ্রহ করে যেখানে-সেখানে বর্জ্য বা উচ্ছিষ্ট ফেলবেন না। আসুন আমরা চেষ্টা করি পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব ও পরিচিতজনদের মধ্যে সুযোগ পেলেই যেন বিষয়টি তুলে ধরি।

রাজধানীতে পরিবেশ মেলা ও মাসব্যাপী জাতীয় বৃক্ষমেলার পাশাপাশি সাতটি বিভাগীয় শহরে ১৫ দিনব্যাপী, ৫৬টি জেলা সদরে সাত দিনব্যাপী এবং ২৯টি উপজেলায় তিন দিনব্যাপী বৃক্ষমেলার আয়োজন করা হচ্ছে। ঢাকার জাতীয় বৃক্ষমেলায় অংশ নিয়েছে ১২০টি স্টল। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে একটি বিশেষ সেল গঠন করা হয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় জিআইএস, রিমোট সেন্সিং, ন্যাশনাল ট্রি ডাটাবেজ এবং ড্রোন প্রযুক্তির মাধ্যমে ডিজিটাল পদ্ধতিতে বনায়ন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হবে। এর মাধ্যমে প্রায় সাড়ে তিন লাখ নতুন সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ১০ হাজার নতুন নার্সারি উদ্যোক্তা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

বিপৎসীমার ওপরে দেশের ৫ নদী, তীব্র হচ্ছে বন্যা আতঙ্ক

বিপৎসীমার ওপরে দেশের ৫ নদী, তীব্র হচ্ছে বন্যা আতঙ্ক

দেশের বাজারে বেড়েছে স্বর্ণের দাম

দেশের বাজারে বেড়েছে স্বর্ণের দাম

সব সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি

সব সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি

আজ মুখোমুখি স্পেন ও বেলজিয়াম, কে যাচ্ছে সেমিফাইনালে?

আজ মুখোমুখি স্পেন ও বেলজিয়াম, কে যাচ্ছে সেমিফাইনালে?

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App