হাম উপসর্গে পাঁচ মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ১৩৭
কাগজ প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৫ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
দেশে গেল ২৪ ঘণ্টায় (বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে ডেঙ্গুতে কারোর মৃত্যু হয়নি। গতকাল শুক্রবার হামের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়।
হামের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গেল ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৩ জন এবং চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে ১ জন করে মারা গেছে। ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ১৩৭ জন শিশু হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে। ৯৫০ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। নিশ্চিত হামের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে ১৮৭ জনের।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮১০ জনে। হামের উপসর্গ নিয়ে ৭১৫ জন এবং নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে ৯৫ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। দেশে মোট সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ২২ হাজার ১৫০ জন। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ১৫ হাজার ১৯৪ জনের। এ সময়ে মোট ১ লাখ ৪ হাজার ৭১৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১ লাখ এক হাজার ৫৬ জন হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
এদিকে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৮১ জন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে বর্তমানে হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা নিচ্ছেন ১ হাজার ৮১ জন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রোগীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৪০০ জন ভর্তি আছেন ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে। এছাড়া বরিশালে ২১৩, খুলনায় ১৮০, চট্টগ্রামে ১২১, ময়মনসিংহে ৭৬, রাজশাহীতে ৫৫, রংপুরে ৩১ ও সিলেট বিভাগে ৫ জন চিকিৎসা নিচ্ছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে ১ জানুয়ারি থেকে গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১২ হাজার ২০১ জন। তাদের মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১১ হাজার ৮১ জন। মোট ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে নারী ২৩ জন বা ৫৯ শতাংশ এবং পুরুষ ১৬ জন বা ৪১ শতাংশ।
ঢাকা বিভাগের ক্ষেত্রে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) আওতাধীন হাসপাতালে ১৩, উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতাধীন হাসপাতালে ছয় ও সিটি করপোরেশনের বাইরে ১ জন প্রাণ হারিয়েছেন। সেই সঙ্গে ময়মনসিংহ ও খুলনায় ৫ জন করে, চট্টগ্রামে ৪, বরিশালে ৩ এবং রাজশাহী ও রংপুরে ১ জন করে মারা গেছেন।
