×

শেষের পাতা

ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ মৃত্যু জুলাইয়ে

Icon

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০১ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ মৃত্যু জুলাইয়ে

ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষজ্ঞদের শঙ্কাই যেন সত্য হচ্ছে। মৃতের সংখ্যা এককের ঘরে থাকলেও এডিস মশাবাহিত এই জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে। চলতি বছরের শুরু থেকে অর্থাৎ পহেলা জানুয়ারি থেকে গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত মাস হিসেবে জুলাইতে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মারা গেছে। একইভাবে সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীও শনাক্ত হয়েছে। গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের পাঠানো বিজ্ঞপ্তি বিশ্লেষণে এ তথ্য জানা যায়। বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি থেকে গতকাল পর্যন্ত দেশে মোট ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৫ হাজার ৩১০ জন, প্রাণ গেছে মোট ৫৪ জনের। এর মধ্যে শুধু জুলাই মাসে শনাক্ত হয়েছে ৯ হাজার ২০৬ জন রোগী ও মারা গেছে ৩৬ জন রোগী। চলতি সপ্তাহে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ২৬৭০ জন ও প্রাণ গেছে ১৪ জনের। গত জানুয়ারি মাসে দেশে ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয় ১ হাজার ৮১ জন, ফেব্রুয়ারি মাসে ৪০৯, মার্চে ৩৫৩, এপ্রিলে ৬৪০, মে মাসে ৭১৪, জুনে ২ হাজার ৯০৭ জন। এর মধ্যে জানুয়ারিতে মারা যায় ২ জন, ফেব্রুয়ারিতে ২ জন, মার্চে ১ জন, জুনে ১৩ জন। এ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৪ হাজার ৮৯ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় (বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) ডেঙ্গুতে ১ জনের মৃত্যু ও ১৫৩ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। ভর্তি রোগীদের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হন ১১ জন। ১৫ জন ভর্তি হন দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালগুলোতে। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের বাইরে ভর্তি হন আরো ৫০ জন। বিভাগের মধ্যে বরিশালে ৪ জন, চট্টগ্রামে ৬৯ জন, খুলনায় ৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এই সময়ে বরিশাল বিভাগে ১ জন মারা যান। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ১৫৪ জন ডেঙ্গু রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়ে গেছেন।

এদিকে হামের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের পাঠানো বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গেই ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিশ্চিত হামে কারোর মৃত্যু হয়নি। মারা যাওয়া একজন সিলেট বিভাগের, অপরজন বরিশাল বিভাগের। দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে গেছেন ১ হাজার ৮৫ জন। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ১৮৫ শিশু এবং সন্দেহজনক হামে ৯০০ শিশু শনাক্ত হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকেই দেশে হামের প্রকোপ দেখা দেয়। তবে ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে তা সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর ১৫ মার্চ থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর রোগটি নিয়ে পরিসংখ্যান ও তথ্যউপাত্ত সংরক্ষণ শুরু করে। গত ১৫ মার্চ থেকে গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত অর্থাৎ ১৩৭ দিনে হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৩৭ জনে। এরমধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৭৪১ শিশু। আর নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৯৬ শিশুর। হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৩২২ জন মারা গেছে ঢাকা বিভাগে। এর পরেই আছে সিলেট বিভাগ, সেখানে মারা গেছেন ১০৯ জন। এ ছাড়া রাজশাহীতে ৯১, চট্টগ্রামে ৬১, বরিশালে ৪৫, ময়মনসিংহে ৭০, খুলনায় ৩২ ও রংপুর বিভাগে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে যাওয়া রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৩৬৯ জনে। এর মধ্যে হামে আক্রান্ত হয়েছেন ১৬ হাজার ৫৯ জন। আর এ সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার ৯৮৭ রোগী। এর মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছে ১ লাখ ৬ হাজার ৮৫৯ রোগী।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

কলকাতায় ফিরে নির্বাসন নিয়ে মুখ খুললেন তসলিমা

কলকাতায় ফিরে নির্বাসন নিয়ে মুখ খুললেন তসলিমা

অঙ্কুশকে নিয়ে নতুন গেম শোর পরিকল্পনা রাজের

অঙ্কুশকে নিয়ে নতুন গেম শোর পরিকল্পনা রাজের

অস্ত্রত্যাগে রাজি হামাস, সেনা সরাবে ইসরায়েল: ট্রাম্প

অস্ত্রত্যাগে রাজি হামাস, সেনা সরাবে ইসরায়েল: ট্রাম্প

ওমান উপকূলে ট্যাংকার জাহাজে হামলা

ওমান উপকূলে ট্যাংকার জাহাজে হামলা

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App