বিএনপি নেতার সহায়তায় এস আলমের ১৪ বিলাসবহুল গাড়ি সরানোর অভিযোগ
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ৩১ আগস্ট ২০২৪, ১১:৩৯ এএম
চট্টগ্রামে বিএনপি নেতাদের সহায়তায় এস আলমের ১৪টি বিলাশবহুল গাড়ি সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল হক এনামসহ আরও কয়েকজন বিএনপি নেতা নেতৃত্বদেন বলে জানা গেছে।
গত ২৯ আগস্ট রাতে চট্টগ্রাম নগরীর মইজ্জার টেক এলাকায় অবস্থিত এস আলমের ফ্যাক্টরি থেকে বিলাস বহুল গাড়ীগুলো নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে দেখা গেছে। এ সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি ভিডিও চিত্র পাওয়া গেছে।
কর্ণফুলী থানা এলাকার বাসিন্দা এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, রাত ১টার পর মইজ্জারটেক এলাকায় অবস্থিত এস আলম কোল্ড রোল স্টিল কারখানার ভেতর থেকে গাড়িগুলো বের করা হয়। এর মধ্যে মার্সিডিজ, বিএম ডব্লিউ গাড়িও রয়েছে। গাড়িগুলো বের হওয়ার পর দ্রুত নতুন ব্রিজ পার হয়ে বহদ্দারহাট ফ্লাইওভার হয়ে চলে যায়।
এস আলম গ্রুপ ও তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সব ব্যাংকের লেনদেন ঋণ স্থগিত করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গত ২৮ আগস্ট বাংলাদেশ ব্যাংকে এক সংবাদ সম্মেলনে গভর্নর এ পরামর্শের কথা জানান।
এসময় ঘটনা স্থলে চট্টগ্রাম জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সুফিয়ানের ড্রাইভার মনসুর, চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব পিবলু, চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম নয়ন উপস্থিত থাকার অভিযোগ উঠেছেন। বিএনপি নেতা আবু সুফিয়ানের গাড়ি চালক মো মনসুর বলেন, আমি সন্ধ্যায় গিয়েছিলাম, গাড়ি সরানোর ঘটনাটা শেষ রাতের, তখন আমি ছিলাম না।
জানতে চাইলে দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল হক এনাম বলেন, কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমে আমাকে জড়িয়ে সংবাদ দেখে আমি বিস্মিত, কালুরঘাট এলাকায় মীর গ্রুপের একটি কারখানায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা ও বিএনপি পরিচয়ে চাঁদা দাবী করতে গেলে তারা আমাকে ফোন করে। আমি ওই এলাকার বাসিন্দা ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান ভাইয়ের সহায়তায় কিছু লোক পাঠাই। তবে এস আলমের কারখানায় সমস্যার বিষয়ে আমি কিছু জানিনা।
তিনদিন আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের
গভর্নর আহসান এইচ মনসুর এক ব্রিফিংয়ে বলেন, এস আলমের সম্পদ যাতে কেউ না কেনেন, দেশের
স্বার্থে অন্য কেউ যাতে এই সম্পদে হাত না দেয়। মূলত এরপরই এস আলম গ্রুপ বিএনপি নেতাদের
সহায়তায় তাদের সম্পদ অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
