ফের চট্টগ্রাম-কক্সবাজারে বন্যার শঙ্কা
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৭ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৫১ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি বর্তমানে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও চট্টগ্রাম, বান্দরবান ও কক্সবাজারের কয়েকটি নদীর পানি আগামী ২৪ ঘণ্টায় সতর্কসীমায় পৌঁছাতে পারে। এতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কিছু এলাকা সাময়িকভাবে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বাপাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের প্রকাশিত ‘বৃষ্টিপাত ও নদ-নদীর পরিস্থিতি এবং পূর্বাভাস’ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় থাকা লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে মৌসুমি নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল, পশ্চিমবঙ্গের উপকূল এবং তৎসংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে। নিম্নচাপটি আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।
আবহাওয়া সংস্থাগুলোর পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী দুই দিন খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগ এবং তৎসংলগ্ন উজানে ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। এরপর আরও একদিন দেশের অভ্যন্তর ও উজান এলাকায় মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
বাপাউবোর তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বিভাগের হালদা, সাঙ্গু, মাতামুহুরী, মুহুরী, সেলোনিয়া ও ফেনী নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে। তবে গোমতী নদীর পানি কমেছে।
আরও পড়ুন: পে-স্কেল নিয়ে সরকারের ই-বুকে যা বলা হয়েছে
আগামী একদিন এসব নদীর পানি দ্রুত বাড়তে পারে। পরবর্তী দুই দিন পানি স্থিতিশীল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে আগামী ২৪ ঘণ্টায় হালদা, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি চট্টগ্রাম, বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলার কিছু এলাকায় সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে।
ফলে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে পানি ঢুকে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
অন্যদিকে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও গঙ্গা-পদ্মা নদ-নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে। আগামী দুই দিন পানি স্থিতিশীল থাকার পর পরবর্তী তিন দিন বাড়তে পারে। তবে এ সময় এসব নদীর পানি বিপৎসীমার নিচেই থাকতে পারে।
উত্তরাঞ্চলের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানিও গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে। আগামী একদিন পানি স্থিতিশীল থাকার পর পরবর্তী দুই দিন বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি কমেছে। আগামী তিন দিন এ নদ-নদীর পানি স্থিতিশীল থাকতে পারে।
