সোহেল তাজকে ধমক দেন শেখ হাসিনা
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০৬:৩৬ পিএম
সোহেল তাজ এবং শেখ হাসিনা। ছবি : সংগৃহীত
আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের সন্তান। বিভিন্ন সময় জনগুরুত্বপূর্ণ এবং নানা অসংগতির বিরুদ্ধে কথা বলে তরুণ প্রজন্মের মনোযোগ কাড়তে সক্ষম হন তিনি। আওয়ামী লীগে তার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও তার সাম্প্রতিক ভাবনা নিয়ে দেশের একটি শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি।
বিডিআর হত্যাকাণ্ডের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ধমক দেয়ার বিষয়ে সোহেল তাজ জানান, বিডিআর হত্যাকাণ্ডের সময় মেয়ের জন্মদিন উদযাপনে আমি আমেরিকা ছিলাম। ১৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা চলে যাই। ২৫ ফেব্রুয়ারি বিডিআর হত্যাকাণ্ডকালে এক আত্মীয়ের মারফত জানতে পারি, পিলখানায় গোলাগুলি হচ্ছে। সঙ্গে সঙ্গে ফোন করেছিলাম তৎকালীন আইজি নুর মোহাম্মদকে। পরিস্থিতি শুনে রেসকিউ ফোর্স পাঠাতে বললাম। পুলিশ, র্যাবসহ সব ফোর্সকে গেদার করার অনুরোধ করলাম।
তিনি বলেন, আইজি বললেন, এ রকম কোনো নির্দেশনা পাইনি। এখানে মন্ত্রী মহোদয় আছেন। তার মানে আমি প্রতিমন্ত্রী, ওখানে মন্ত্রী আছেন। আমি বুঝলাম, আইজি আমার ইনস্ট্রাকশন ফলো করতে পারছেন না। ফোন করলাম মন্ত্রী মহোদয়কে। উনি বললেন, বিষয়টা প্রধানমন্ত্রী দেখছেন! তাৎক্ষণিকভাবে আমি প্রধানমন্ত্রীকে ফোন করে একই কথা বললাম! তিনি আমাকে ধমক দিয়ে বললেন, ‘আমেরিকায় বসে এত বোঝার দরকার নেই, আমি দেখছি। ’
তিনি আরো বলেন, আমাকে ঘিরে বিডিআর ইস্যুতে একটা অপপ্রচার চলে, আমি নাকি হত্যাকারীদের পালানোর ব্যবস্থা করে দিয়েছি! প্রশ্ন করতে চাই, কীভাবে করলাম সেটা? হত্যাকারীরা কি আমার জন্য অপেক্ষা করছিল? আমি তো দেশে এসেছি ১০ মার্চ। ঘটনার অনুসন্ধানে দুটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। বিডিআর ছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন। কিন্তু আমাদের হাত থেকে সব কিছু সরিয়ে নিয়ে কোঅর্ডিনেটিং ফরম্যাট করে দেয়া হলো! কোঅর্ডিনেটরের দায়িত্ব দেয়া হলো তখনকার বাণিজ্যমন্ত্রী কর্নেল ফারুক খানকে। তারাই সমস্ত কিছু তদন্তের দায়িত্ব নিলেন। আমাদের কোনো কিছুতে ইনভলভ রাখা হয়নি। এটাও আমার কাছে খটকা লেগেছে।
আরো পড়ুন : সোহেল তাজ বললেন, দুই হাতে টাকা বানাতে বলতেন শেখ হাসিনা
