মধ্যরাত থেকে শুরু হচ্ছে জাটকা নিধন বন্ধে ৮ মাসের নিষেধাজ্ঞা
কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৮ পিএম
ফাইল ছবি
আজ ৩১ অক্টোবর মধ্যরাত থেকে সাগর ও নদীতে শুরু হচ্ছে জাটকা ইলিশ নিধনে ৮ মাসের নিষেধাজ্ঞা। ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষে এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে মৎস্য অধিদপ্তর। এ সময় ১০ ইঞ্চির ছোট সব জাটকা ইলিশ ধরা, ক্রয়-বিক্রয়, পরিবহন, বিনিময়, ও মজুত দণ্ডনীয় অপরাধ। আগামী ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত চলবে এই ৮ মাস মেয়াদি নিষেধাজ্ঞা। আইন অমান্য করলে ১ বছর থেকে ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড অথবা পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।
জাটকা ইলিশ রক্ষায় মৎস্য প্রশাসনের তেমন উদ্যোগ দেখা যায়নি। দেখা যায়নি তেমন কোন প্রচারাভিযান।
অভিযোগ রয়েছে, প্রতিবছর ঝাটকা মৌসুমে নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও ঝাটকা নিধন অব্যাহত ছিল। ইলিশ সম্পদ বৃদ্ধির স্বার্থে চলতি মৌসুমে জাটকা ইলিশ নিধন বন্ধে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সাধারণ মানুষ।
প্রতি মৌসুমে শত শত টন জাটকা ইলিশ নিধন করা হয় নিষিদ্ধ ঘোষিত জাল দিয়ে।
অভিযোগ রয়েছে, আর্টিসনাল ট্রলিং বোট, ছান্দি জাল, টোনা জাল, বাধা জাল, মশারি জালসহ বিভিন্ন ধরনের নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করার কারণে ইলিশসহ অন্যান্য মাছ কমে গেছে। লোভে পড়ে বড় হওয়ার আগেই জাটকা নিধন করা হয়।
মৎস্য সংশ্লিষ্টরা জানান, জেলেদের ভাগ্য জেলেরাই নষ্ট করছে। পাশাপাশি দেশ ধীরে ধীরে মৎস্য রপ্তানিতে পিছিয়ে পড়ছে। তাদের দাবি এর থেকে উত্তরণের একটিই পথ, সেটি হলো নিষিদ্ধ জাল বন্ধে কঠোর আইুন প্রয়োগ এবং জেলেদের মধ্যে সচেতনতা ফিরিয়ে আনা।
তবে জেলা প্রশাসন, জেলা মৎস্য অফিস, কোস্টগার্ড ও নৌপুলিশের সমন্বয়ে সাগর ও নদীতে অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছে পটুয়াখালী জেলা মৎস্য বিভাগ। অবরোধকালীন সময়ে জেলার নিবন্ধিত ৭৯ হাজার জেলেকে ৪ মাস ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় মাসে ৪০ কেজি করে চাল প্রদান করবে সরকার।
