×

চট্টগ্রাম

জলাবদ্ধতার জন্য ক্ষমা চাইলেন মেয়র শাহাদাত

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:১৪ পিএম

জলাবদ্ধতার জন্য ক্ষমা চাইলেন মেয়র শাহাদাত

মঙ্গলবার টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকা তলিয়ে গেলে প্রবর্তক এলাকা পরিদর্শনে যান মেয়র শাহাদাত হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

বন্দরনগরী চট্টগ্রামে টানা বৃষ্টির পর সৃষ্ট জলাবদ্ধতার জন্য জনগণের কাছে ক্ষমা চাইলেন মেয়র শাহাদাত হোসেন।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে নগরীর প্রবর্তক মোড়-সংলগ্ন এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি নগরবাসীর কাছে ক্ষমা চান।

মঙ্গলবার বেলা ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত টানা বৃষ্টির পর নগরীর বিভিন্ন এলাকা তলিয়ে যায়। শহরের জলাবদ্ধতাপ্রবণ এলাকার পাশাপাশি নতুন নতুন এলাকাও জলাবদ্ধতার শিকার হয়।

এরপর মঙ্গলবার বিকেলে ও রাতে এবং বুধবার দুপুরে প্রবর্তক এলাকা পরিদর্শনে যান মেয়র শাহাদাত হোসেন।

জলাবদ্ধতা নিয়ে জনগণের উদ্দেশে কী বলবেন–এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “গতকালের ঘটনার জন্য আমরা অত্যন্ত দুঃখিত। যদিও এই কাজগুলো চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এবং সেনাবাহিনীর কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড এরা করছে। তারপরও আমি চট্টগ্রামের মেয়র হিসেবে জনগণের কাছে আমি ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। জনগণ এই শহরের অংশ। অবশ্যই অবশ্যই এই শহরকে তারা ভালোবাসে। এই শহরকে জলাবদ্ধতা মুক্ত করার জন্যই কিন্তু এই কাজগুলো হচ্ছে।”

জলাবদ্ধতার কারণ ব্যাখ্যা করে মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেন, “সামনে বর্ষাকাল আসবে। বর্ষা ছয় মাস ধরেই থাকবে। বর্ষার প্রস্তুতি নিয়েই কাজগুলো হচ্ছে। কাজগুলো করতে গিয়ে অনেক সময় ব্যয় হয়েছে। কারণ ভবন ভাঙতে গেলে অনেকে রিট করেছে। সেগুলো নিষ্পত্তি করতেও সময় লেগেছে।

“বাঁধ তুলে নেওয়ার জন্য আমরা বলেছি। আগামীকাল আবার সব সেবাসংস্থার সাথে বসব। সেখানে সিদ্ধান্ত নিয়ে কাজ শুরু করব। কীভাবে বাঁধ খুলে সেখান থেকে মাটি সরিয়ে নেওয়া যায়, সে কাজ শুরু হবে। বাঁধ গতকাল থেকে খুলে দিচ্ছে। বেশিরভাগ বাঁধ ইতোমধ্যে খুলে দিয়েছে।”

মঙ্গলবার এক নাগাড়ে চার-পাঁচ ঘণ্টা বৃষ্টি হওয়ায় জলাবদ্ধতা বেশি হয়েছে দাবি করে মেয়র বলেন, “জনগণকে বলব, ভয়ের কিছু নেই। এখন প্রলম্বিত বর্ষা হয়। সেজন্য আমরা প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নেমেছি।

“গতবার যেভাবে ৫০-৬০ ভাগ জলাবদ্ধতা কমিয়ে দিয়েছি, এবার ৭০-৮০ ভাগ জলাবদ্ধতা কমাতে পারব ইনশাল্লাহ।”

মেডিকেল, চকবাজার, পাঁচলাইশ, কাতালগঞ্জ, মুরাদপুর এসব এলাকায় পানি বেশি উঠেছে জানিয়ে তিনি বলেন, “কারণ এখানে প্রায় ৩০টার মত বাঁধ দেওয়া হয়েছে হিজড়া খালের কাজের জন্য। সে কারণে পানি আর যেতে পারেনি। না পেরে পানি উঠে গেছে। বিকেলে বাঁধ খুলে দেওয়ার পর পানি আস্তে আস্তে সরে গেছে। রাতে এখানে এসেছি, সামান্য পানি ছিল তখন।”

মেয়র বলেন, মেগা প্রজেক্টের অধীনে সিডিএ এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড ২০১৬ সাল থেকে সেখানে কাজ করছে। বেশিরভাগ খালের কাজ শেষ।

বৈশাখে এত ভারি বৃষ্টি হবে সেটা ‘কল্পনা করেননি’ জানিয়ে মেয়র বলেন, “কারো দোষ দিয়ে লাভ নেই। এটা আমাদের ভাগ্যের দোষ। কাজগুলোতে করতে হবে। আর বর্ষার জন্য প্রস্তুতিও তো নিতে হবে। গতবার দেখেছি ছয় মাস বর্ষা ছিল।

“সেই জন্য প্রস্তুতি নিয়ে ১৬০০ কিলোমিটার ড্রেন পরিষ্কারের কাজ নিয়েছি। মে মাসের মধ্যে সমস্ত কাজ শেষ করা হবে।”

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

শিবির নেতার পক্ষে দাঁড়ানো সেই দুই এপিপির নিয়োগ বাতিল

শিবির নেতার পক্ষে দাঁড়ানো সেই দুই এপিপির নিয়োগ বাতিল

যমুনা নদীতে গোসলে নেমে দুই শিশু নিখোঁজ

সরিষাবাড়ী যমুনা নদীতে গোসলে নেমে দুই শিশু নিখোঁজ

আল মদিনা শপিংমলে আগুন, মালিকদের উচ্ছেদ করতে পরিকল্পনার অভিযোগ

সোনারগাঁও আল মদিনা শপিংমলে আগুন, মালিকদের উচ্ছেদ করতে পরিকল্পনার অভিযোগ

বাংলাদেশ ফল উৎপাদনে বিপ্লব ঘটিয়েছে

কৃষিমন্ত্রী বাংলাদেশ ফল উৎপাদনে বিপ্লব ঘটিয়েছে

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App