কৃষিমন্ত্রী
বাংলাদেশ ফল উৎপাদনে বিপ্লব ঘটিয়েছে
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৬:১৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, বাংলাদেশ ফল উৎপাদনে বিপ্লব ঘটিয়েছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ (কেআইবি) প্রাঙ্গণে তিন দিনব্যাপী ফল মেলার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী বলেন, ফল নিয়ে মেলা প্রতিবছর হয়। বাংলাদেশ ফল উৎপাদনে বিপ্লব ঘটিয়েছে। মেলা ঘুরে দেখলে বোঝা যাবে। বিলুপ্ত প্রজাতির দেশীয় ফল উঠিয়ে আনা হয়েছে। বিদেশি যেসব ফল দেশে উৎপাদন হয়, সেগুলোও মেলায় প্রদর্শন করা হয়েছে। বিদেশি ফল দেশে উৎপাদন হওয়ায় আমদানি কমেছে। ভবিষ্যতে আমদানি করতে হবে না।
মন্ত্রী বলেন, ‘আম, আনারস, কাঁঠাল রপ্তানি শুরু হয়েছে। এ বছর কাঁঠাল রপ্তানি আরও বেড়ে যাবে। ফলের রপ্তানি বাড়াতে আগামীদিনে আমরা বিদেশেও মেলার আয়োজন করব।’
দেশে ড্রাগন ফলের উৎপাদন নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘কয়েক বছর আগে ড্রাগন ফল আমদানি করতে হতো। এখন আমরা স্বপ্ন দেখছি ড্রাগন ফল রপ্তানির। আমাদের দেশের আবহাওয়ার কারণে আমরা এ সাহস পাচ্ছি। কারণ, বাইরের দেশের ড্রাগন এত সুস্বাদু হয় না।’
পরে মন্ত্রী ফল মেলা উপলক্ষে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে আয়োজিত সেমিনারে কৃষি সচিব রফিকুল ই. মোহাম্মদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, দেশে ফল উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। আম, কাঁঠাল, পেয়ারা, লিচু, আনারস, ড্রাগন ফলসহ বিভিন্ন ফলের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারেও বাংলাদেশের ফলের চাহিদা বাড়ছে। নিরাপদ ও মানসম্মত ফল উৎপাদন, আধুনিক সংরক্ষণব্যবস্থা গড়ে তোলা, প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের সম্প্রসারণ এবং রপ্তানি বৃদ্ধি সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।
তিনি আরও বলেন, ফল মানুষের পুষ্টি চাহিদা পূরণের পাশাপাশি কৃষকের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। ফলের অপচয় রোধ ও বছরব্যাপী সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে প্রতিটি পরিবারকে ফলের গাছ রোপণ এবং নিয়মিত দেশীয় ফল গ্রহণে উদ্বুদ্ধ হতে হবে।
