×

করপোরেট সংবাদ

বাজেট নিয়ে রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সাত দাবি

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০২:০৪ পিএম

বাজেট নিয়ে রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সাত দাবি

ছবি: সংগৃহীত

প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে ভ্যাট ও ট্যাক্সের হার সব ধরনের রেস্তোরাঁর জন্য একই করাসহ ৭ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি।

শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে রাজধানীর বিজয়নগরে সমিতির প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত ‘প্রস্তাবিত বাজেট পরবর্তী ভ্যাট ও ট্যাক্স সংক্রান্ত সমস্যা নিরসনের প্রস্তাবনা’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানান সমিতির মহাসচিব ইমরান হাসান।

লিখিত বক্তব্যে সংগঠনটি জানায়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট এমন এক সময়ে উপস্থাপিত হয়েছে, যখন দেশের অর্থনীতি নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বিনিয়োগে স্থবিরতা, রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি এবং ব্যাংক খাতে দুরবস্থায় নানা প্রতিকূলতা মাথায় নিয়েও, একটি ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহায়ক বাজেট প্রণয়নের জন্য বিএনপি সরকার এবং অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে ধন্যবাদ জানাই।

তবে দীর্ঘ সময় ধরে দেশের রেস্তোরাঁ ও হসপিটালিটি খাত উচ্চ মূল্যস্ফীতি, অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং ক্রমবর্ধমান পরিচালন ব্যয়ের চাপে রয়েছে। এলপিজি ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধিতে পরিচালন ব্যয় এরই মধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বাজেটে খাতটির ব্যয় হ্রাস, বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও পেশাদারিত্ব উন্নয়নে কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ রয়েছে। তবে কিছু প্রস্তাব ও নীতি ব্যবসা পরিচালনাকে আরও ব্যয়বহুল ও জটিল করতে পারে। তাই রেস্তোরাঁ শিল্পের টেকসই বিকাশ, কর্মসংস্থান সংরক্ষণ এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এসব বিষয় পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন রয়েছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির দাবিগুলো হলো—

ভ্যাট ও ট্যাক্সের হার সব ধরনের রেস্তোরাঁ ও ক্যাটারিং সার্ভিসের ক্ষেত্রে একই রাখার প্রস্তাব

রেস্তোরাঁ ও ক্যাটারিং খাতের জন্য ভ্যাট ও করের হার সব ধরনের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সমানভাবে ৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করছি। বর্তমানে রেস্তোরাঁ খাতে ভ্যাট ৫ শতাংশ এবং ক্যাটারিং সার্ভিসে ১৫ শতাংশ দিতে হয়। এই হার সব ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করলে, এক্ষেত্রে বিদ্যমান বৈষম্য দূর হবে।

বিভিন্ন শ্রেণির রেস্তোরাঁ ও ক্যাটারিং সেবার ওপর ভিন্ন ভিন্ন হারে ভ্যাট ও কর আরোপের ফলে ব্যবসায়িক প্রতিযোগিতায় বৈষম্য সৃষ্টি হয় এবং কর প্রশাসনও জটিল হয়ে পড়ে। অভিন্ন হার নির্ধারণ করা হলে কর কাঠামো হবে আরও সহজ, স্বচ্ছ ও ব্যবসাবান্ধব; একই সঙ্গে কর পরিপালন বৃদ্ধি পাবে এবং রাজস্ব আহরণও আরও কার্যকর হবে। পাশাপাশি স্ট্রিট ফুডসহ সব ধরনের রেস্তোরাঁকে ভ্যাট নিবন্ধনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। এতে চলমান অসম প্রতিযোগিতা বন্ধ হবে এবং সরকারের রাজস্ব আয় অনেকটা বাড়বে।

জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত দশমিক ৫ শতাংশ উৎসে কর এবং ১০ শতাংশ এসডি বা সম্পূরক শুল্ক সম্পূর্ণ হ্রাস করার প্রস্তাব

প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের আলোকে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের ওপর প্রস্তাবিত ০.৫ শতাংশ উৎসে কর এবং ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক সম্পূর্ণভাবে হ্রাস (প্রত্যাহার) করার জোর দাবি জানাচ্ছি। বর্তমান সময়ে মূল্যস্ফীতির চাপ, ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয় এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাসের প্রেক্ষাপটে এ ধরনের কর আরোপ বা বহাল রাখা জনসাধারণের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা সৃষ্টি করবে।

সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই, জনস্বার্থ, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং ভোক্তা সুরক্ষার স্বার্থে প্রস্তাবিত বাজেট চূড়ান্ত করার পূর্বে এ বিষয়ে পুনর্বিবেচনা করা হোক এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের ওপর প্রস্তাবিত উৎসে কর ও রেস্তোরাঁ খাতে বিদ্যমান সম্পূরক শুল্ক সম্পূর্ণভাবে বাতিল করা হোক।

ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতের প্রস্তাব

সরকার ঢাকার বাইরে রেস্তোরাঁ ও পর্যটন খাতে বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে নতুন রেস্তোরাঁর স্থাপনা ও যন্ত্রপাতির ওপর প্রথম বছরে ৬০ শতাংশ এবং দ্বিতীয় বছরে ৪০ শতাংশ অবচয় সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব করায় আমরা সরকারকে ধন্যবাদ জানাই। এতে নতুন উদ্যোক্তারা কর রেয়াত পাবেন। তবে আমরা চাই, রেস্তোরাঁ শিল্পের জন্য স্বল্পসুদে ঋণ নিশ্চিতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশেষ নির্দেশনা দেবে অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য কর কাঠামোকে আরও সহজ ও স্বচ্ছ করা, ব্যবসার পরিচালন ব্যয় কমানো, কর প্রশাসনে হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করা এবং নীতিগত স্থিতিশীলতা বজায় রাখা জরুরি। আশা করি, চূড়ান্ত বাজেটে এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে দেশের বিনিয়োগ পরিবেশ নিশ্চিতের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা থাকবে।

আগের মতো প্রতি মাসে ভ্যাট আদায়ের প্রস্তাব

প্রস্তাবিত বাজেটে ভ্যাট পরিশোধের সময় বাড়িয়ে ৩ মাস করা প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে পূর্বের ন্যায় মাসিক ভিত্তিতে ভ্যাট পরিশোধ ও রিটার্ন দাখিলের ব্যবস্থা বহাল রাখার প্রস্তাব করছি।

রেস্তোরাঁ ব্যবসা পরিচালনায় ওয়ান স্টপ সার্ভিসেসের দ্রুত বাস্তবায়নের প্রস্তাব

সরকারের একার পক্ষে রেস্তোরাঁ খাতের কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা সম্ভব নয়; এজন্য সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। প্রস্তাবিত বাজেটে ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু ও নবায়নসহ সব কার্যক্রম অনলাইনে পরিচালনা এবং সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার লাইসেন্স সেবাকে কেন্দ্রীয় বিনিয়োগ সেবা ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করার প্রস্তাবকে স্বাগত জানাই।

বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি সরকারের নীতি ও নির্দেশনার প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বর্তমানে একটি রেস্তোরাঁ পরিচালনার জন্য একাধিক দপ্তর থেকে ১০-১২টি অনুমোদন নিতে হয়, যা সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল। ফলে ব্যবসা পরিচালনা এবং কার্যকর তদারকি উভয়ই বাধাগ্রস্ত হয়। তাই রেস্তোরাঁ খাতকে একটি সমন্বিত কমপ্লায়েন্স ব্যবস্থার আওতায় এনে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি একটি ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’ চালুর প্রস্তাব করছি। এর মাধ্যমে লাইসেন্স প্রাপ্তি সহজ হবে, সময় ও ব্যয় কমবে এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে কার্যকর মনিটরিং সম্ভব হবে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও খাদ্য নিরাপত্তার স্বার্থে প্রস্তাবিত বাজেটে রেস্তোরাঁ খাতের জন্য ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’ চালুর বিষয়টি বিবেচনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

প্রস্তাবিত বাজেটে রেস্তোরাঁ সেক্টরের জন্য সুনির্দিষ্ট শিল্পনীতি ঘোষণা এবং সমিতির সনদ গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা প্রস্তাব

বাংলাদেশের রেস্তোরাঁ শিল্প বর্তমানে দেশের অন্যতম বৃহৎ সেবা খাত হিসেবে অর্থনীতি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পর্যটন শিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দেশের লাখো উদ্যোক্তা ও বিপুলসংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারীর জীবিকা এই খাতের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত। তবুও রেস্তোরাঁ সেক্টর এখনও একটি স্বতন্ত্র শিল্প খাত হিসেবে প্রয়োজনীয় নীতিগত স্বীকৃতি ও সুবিধা থেকে বঞ্চিত। প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের আলোকে রেস্তোরাঁ সেক্টরের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট শিল্পনীতি ঘোষণার জোর দাবি জানাচ্ছি।

একটি পৃথক শিল্পনীতি প্রণয়ন করা হলে লাইসেন্সিং, কর ও ভ্যাট ব্যবস্থাপনা, বিনিয়োগ, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা, প্রযুক্তি ব্যবহার এবং উদ্যোক্তা সহায়তা সংক্রান্ত বিষয়গুলো একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনা সম্ভব হবে। বর্তমানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার পৃথক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার কারণে উদ্যোক্তারা জটিলতা ও অতিরিক্ত ব্যয়ের সম্মুখীন হচ্ছেন। যে কোনো রেস্তোরাঁ ব্যবসা শুরুর ক্ষেত্রে বাণিজ্য সংগঠন আইন অনুযায়ী রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সদস্য পদ গ্রহণ বাধ্যতামূলক আছে, তবে এর বাস্তবায়ন চাই।

রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি বিশ্বাস করে, রেস্তোরাঁ শিল্পকে একটি সম্ভাবনাময় অর্থনৈতিক খাত হিসেবে বিবেচনা করে বাজেটে এর জন্য পৃথক ও যুগোপযোগী নীতি ঘোষণার উদ্যোগ নিলে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আরও গতিশীল হবে এবং উদ্যোক্তাদের জন্য একটি স্থিতিশীল ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি হবে। বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি এ বিষয়ে সরকারের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে কাজ করতে আগ্রহী এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানে সর্বদা প্রস্তুত।

রেস্তোরাঁ সেক্টরে শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ, প্রণোদনা এবং রেস্তোরাঁ শিল্পকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে উন্নীত করার প্রস্তাব

রন্ধনশিল্পকে বিশ্বমানের পর্যায়ে উন্নীত করতে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট স্থাপন এবং পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতের জন্য আন্তর্জাতিক মানদণ্ড নির্ধারণের উদ্যোগ গ্রহণ করায় সরকারকে ধন্যবাদ জানাই। প্রস্তাব করছি, গ্রামীণ ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করতে সরকারি-বেসরকারি কারিগরি প্রতিষ্ঠানে ভর্তুকিসহ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনে পৃথক তহবিল গঠন করা হোক।

একই সঙ্গে রেস্তোরাঁ খাতের শ্রমিক ও কর্মীদের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালুর দাবি জানাচ্ছি। খাদ্য নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যবিধি, গ্রাহকসেবা, আধুনিক ব্যবস্থাপনা ও প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষতা বৃদ্ধি করলে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত হবে, কর্মসংস্থান ও বৈদেশিক রেমিট্যান্স বাড়বে এবং রেস্তোরাঁ ও পর্যটন খাত আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত হবে।

রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি আশা করে, বাজেটে রেস্তোরাঁ খাতের মানবসম্পদ উন্নয়নের জন্য বিশেষ বরাদ্দ, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এ ধরনের উদ্যোগ দেশের রেস্তোরাঁ শিল্পকে একটি আধুনিক, দক্ষ ও বিশ্বমানের সেবা খাতে পরিণত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

এসব প্রস্তাবনা দ্রুত বাস্তবায়ন করা হলে রেস্তোরাঁ শিল্পের চলমান সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে এবং এই খাত আবারও অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে। রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি আশা করে, বর্তমান সরকার বিষয়গুলো গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে প্রস্তাবিত বাজেট কার্যকর করার পূর্বে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

প্রাথমিক বিদ্যালয়েও উৎসব-আমেজে ভোট

প্রাথমিক বিদ্যালয়েও উৎসব-আমেজে ভোট

দেশজুড়ে টানা পাঁচ দিন বৃষ্টির আভাস

দেশজুড়ে টানা পাঁচ দিন বৃষ্টির আভাস

ঝাড়খণ্ডে বজ্রপাতে প্রাণ গেল ৮ জনের

ঝাড়খণ্ডে বজ্রপাতে প্রাণ গেল ৮ জনের

ফুটবল উন্মাদনায় এবার ‘ব্রাজিল-চুড়ি’

ফুটবল উন্মাদনায় এবার ‘ব্রাজিল-চুড়ি’

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App