তিস্তা পাড়ে দুর্ভোগ, ত্রাণ পাচ্ছে না ৩ ইউনিয়নের মানুষ
কাগজ প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৩, ০৭:০৮ পিএম
তিস্তায় পানি স্বাভাবিক থাকলেও চরম দুর্ভোগে পড়েছেন নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ৩ ইউনিয়নের মানুষ, যেন দেখার কেউ নেই।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, জেলার ডিমলা উপজেলার তিস্তাবেষ্ঠিত টেপা খরিবাড়ী, গয়াবাড়ী ও খগাখরিবাড়ী ইউনিয়নের নির্বাচিত চেয়ারম্যানদের মেয়াদ শেষ হওয়ায় পর থেকে জনপ্রতিনিধি বিহীন অবস্থায় রয়েছে ওই ইউনিয়নগুলো। জনপ্রতিনিধি বিহীন হয়ে তিস্তার কড়াল গ্রাসে ভিটেমাটি হারিয়ে খেয়ে না খেয়ে দিনাতিপাত করছেন তারা। ত্রাণ পাচ্ছে না।
তিস্তাচরবর্তী এলাকার মৃত: সোবহান মিয়ার ছেলে আইজুল ইসলাম (৫০) জানান, "তিস্তার পানিতে নষ্ট হয়ে গেছে জ্বালানি সহ চাল, ডাল আর তরকারি। এবার ঈদে সরকার থেকে ১০ কেজি চাল পেয়েছিলাম, কিন্তু জ্বালানি অভাবে রান্না করে খেতেও পারছিনা। তাই শুকনো খাবার খেয়ে না খেয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে বেঁচে আছি। এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান না থাকায় ইউনিয়নের অনেক সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি আমরা"৷
পানি উন্নয়ন বোর্ড, ডালিয়া ডিভিশন অফিস সুত্রে যানা যায়, শনিবার (১ জুলাই) সকাল ৬ থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত তিস্তা নদীর ডালিয়া পয়েন্টে ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার (স্বাভাবিক) পানির স্তর রেকর্ড করা হয়েছে। দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা।
গত কয়েক দিনের টানা বর্ষণ আর উজানের ঢলে তিস্তা বেষ্টিত টেপাখরিবাড়ী, গয়াবাড়ী ও খগাখরিবাড়ী ইউনিয়নের বেশ কিছু অঞ্চলে প্লাবিত হয়ে নষ্ট হয়ে গেছে ওই ইউনিয়নের বাসিন্দাদের অনেকের চাল, ডাল, তরকারি ও জ্বালানি। বর্তমানে তিস্তায় পানি স্বাভাবিক থাকলেও জনপ্রতিনিধি বিহীন এই তিন ইউনিয়নের মানুষের দুর্ভোগ যেন চরমে।
