×

সারাদেশ

মদনে গুচ্ছ গ্রামে ঘর বিক্রির হিড়িক

Icon

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৮ নভেম্বর ২০২০, ০৯:০৭ পিএম

মদনে গুচ্ছ গ্রামে ঘর বিক্রির হিড়িক

মদন উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের গুচ্ছ গ্রামের ভূমিহীন পরিবারের বাসস্থান

নেত্রকোণার মদন উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের গুচ্ছ গ্রামে ঘর বিক্রির হিড়িক পড়েছে। সরকারি নিয়মনীতি না মেনে স্বচ্ছল ব্যাক্তিদের নামে গুচ্ছ গ্রামের ঘর বরাদ্দ দেওয়ায় তারা নিজস্ব লোকজনের কাছে ঘর বিক্রি করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। শেখ হাসিনার অবদান, গৃহহীনদের বাসস্থান গুচ্ছ গ্রাম এর দ্বিতীয় পর্যায়(সিভিআরপি) ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ভূমি মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়েনর ৫০ টি ভূমিহীন পরিবারের বাসস্থান নির্মাণ করা হয়। কিন্তু এক শ্রেনির সুবিধাবাদী মহল নিজেরা লাভবান হওয়ার জন্য প্রকৃত ভূমিহীনদের বাদ দিয়ে নিজেদের নামে ঘর বরাদ্দ নেয়। এখন টাকার বিনিময়ে সেই বরাদ্দকৃত ঘরগুলো ভূমিহীন পরিবারের কাছে বিক্রি করছে। সোমবার সরজমিনে গুচ্ছ গ্রামে গেলে গুচ্ছ গ্রাম কমিটির লোকজনসহ বসবাসকারী বাসিন্দারা জানান, হাসনপুর গ্রামের শামছু মিয়ার নামের বরাদ্দকৃত ঘর ৩০ হাজার টাকায় ক্রয় করেন দেওসহিলা গ্রামের বেদেনা আক্তার। আবার ওই ঘর একই গ্রামের অলির নিকট ৩১ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেয় বেদেনা আক্তার। ফতেপুর রামগোপালপুরের পলাশ তার নামে বরাদ্দকৃত ঘর আলমশ্রী গ্রামের মৃত খালেকের স্ত্রী পুতুলা আক্তারের নিকট ৩৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে, পশ্চিম ফতেপুর গ্রামের স্বজল মিয়ার নামে বরাদ্দকৃত ঘর মূসা মিয়ার নিকট ২০ হাজার টাকায়, হাসনপুর গ্রামের হাসেম মিয়ার নামে বরাদ্দকৃত ঘর আলমশ্রী গ্রামের রিপনের নিকট ৪৪ হাজার টাকায়, ফতেপুর কুড়িবাড়ির রবিকুলের নামে বরাদ্দকৃত ঘর পশ্চিম ফতেপুরের উজ্জলের নিকট ৩০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। যারা ক্রয় করেছে বর্তমানে তারাই ঘরে বসবাস করছে। আরো অনেক ঘর বিক্রির পায়তারা চলছে। সংশ্লিষ্টদের নজরদারীর অভাবে এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে গুচ্ছগ্রামবাসীদের অভিমত। এ ছাড়া পান্জু মিয়া ও গুচ্ছ গ্রাম কমিটির ক্যাশিয়ার খাইরুল ইসলাম নিজেদের ইচ্ছে মতো গুচ্ছ গ্রামের রাস্তার পাশে সরকারি জায়গা দখলে নিয়ে আধা পাকা দোকান ঘর নির্মাণ করেছে। যা দেখে অন্য লোকজনও দোকান ঘর নির্মাণ করার পায়তারা করছে। এ সময় আলমশ্রী গ্রামের মৃত খালেকের স্ত্রী পতুলা আক্তার জানান, আমার কোনো জায়গা জমি না থাকায় রামগোপালপুর গ্রামের পলাশের কাছ থেকে গুচ্ছ গ্রামের ঘরটি ৩৫ হাজার টাকায় কিনে পরিবার নিয়ে বসবাস করছি। দোকান ঘর নির্মাণকারী পান্জু মিয়া ও খাইরুল ইসলাম বলেন, চেয়ারম্যান সাহেবের সাথে কথা বলেই পাকা করে দোকান ঘর নির্মাণ করেছি। ফতেপুর ইউনিয়ন উপ-সহকারী ভূমি কর্মকমর্তা সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম জানান, আমি গুচ্ছ গ্রাম নিয়ে বসে থাকি না। যদি কেহ জায়গা দখল করে পাকা ঘর নির্মাণ করে থাকে তা ভেঙ্গে দেয়া হবে। ঘর বিক্রির বিষয়টি আমার জানা নেই। ফতেপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ রফিকুল ইসলাম চৌধুরী জানান, গুচ্ছ গ্রামের ঘর বিক্রির বিষয়টি আমার জানা নেই তবে যারা আধা পাকা দোকান ঘর নির্মাণ করেছে তারা গুচ্ছ গ্রামের বাসিন্দা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বুলবুল আহমেদ জানান, গুচ্ছ গ্রামের ঘর বিক্রি করার বিষয়টি আমার জানা নেই। যদি কেহ বিক্রি করে থাকে প্রমাণিত হলে তার বরাদ্দ বাতিল হবে। সরকারি জায়গা দোকান ঘর নির্মাণ করা যাবে না। আমি এখনই এর যথাযথ ব্যবস্থা নেব।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

অভিনেত্রী বাঁধনের পাশে জামায়াত

অভিনেত্রী বাঁধনের পাশে জামায়াত

১০৪ বছর বয়সে কারাগারে, মাথায় ১০ বছরের সাজা

১০৪ বছর বয়সে কারাগারে, মাথায় ১০ বছরের সাজা

মার্শাল আর্টের জনক ওস্তাদ জাহাঙ্গীর আলমের জন্মদিন পালন

মার্শাল আর্টের জনক ওস্তাদ জাহাঙ্গীর আলমের জন্মদিন পালন

জুলাই অভ্যুত্থান থেকে গুম-গণহত্যা, ২০২৭-এর পাঠ্যবইয়ে থাকছে নানা বিষয়

জুলাই অভ্যুত্থান থেকে গুম-গণহত্যা, ২০২৭-এর পাঠ্যবইয়ে থাকছে নানা বিষয়

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App