শীর্ষ সন্ত্রাসী শ্যুটার বাপ্পি গ্রেপ্তার নিয়ে যা বলছে ডিএমপি
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) এক বিশেষ অভিযানে রাজধানীর মতিঝিল এলাকার ত্রাস ও শীর্ষ সন্ত্রাসী তানিম রেজা বাপ্পি (৪৬) ওরফে শ্যুটার বাপ্পি ও তার চার সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর তল্লাশি চালিয়ে তাদের হেফাজত থেকে বেশ কয়েকটি বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ।
শনিবার (১৮ জুলাই) এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ওসমান গণি এসব তথ্য জানান।
ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ওসমান গণি বলেন, গ্রেপ্তারদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাপ্পির কথিত অফিস থেকে লুকানো অবস্থায় তিনটি বিদেশি রিভালভার উদ্ধার করে পুলিশ।
-6a5b427b2e1ae.jpg)
সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, সন্ত্রাসী বাপ্পির বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টাসহ ৭টি মামলা রয়েছে। এর আগেও বিভিন্ন মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হলেও জামিনে বেরিয়ে আবারো অপরাধ কর্মকাণ্ড চালাতো।
গত কয়েক মাস ধরে মতিঝিল এলাকায় যে সকল অপরাধ কর্মকাণ্ড হয়েছে তার বেশিরভাগ কাজের সঙ্গে বাপ্পি ও তার সহযোগীদের সংযোগ পাওয়া গেছে। পরে শুক্রবার (১৭ জুলাই) মতিঝিল এলাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
আরো পড়ুন: ঢাকাজুড়ে পুলিশের চিরুনি অভিযান, গ্রেপ্তার ৪৬৩
প্রসঙ্গত, চলিত বছরের ১৫ মে রাজধানীর দক্ষিণ কমলাপুরে পশুর হাটের এক ইজারাদার ব্যবসায়ীর কাছে বিদেশি ফোন নম্বর ব্যবহার করে হোয়াটসঅ্যাপে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এর ঠিক চারদিন পর, ১৯ মে ওই ব্যবসায়ীর অফিস লক্ষ্য করে শ্যুটার বাপ্পি ও তার সহযোগীরা গুলিবর্ষণ করে। এই চাঁদাবাজি ও গুলিবর্ষণের মামলার সূত্র ধরে তদন্ত চালিয়ে ১৭ জুলাই (শুক্রবার) সকালে মতিঝিলের হোটেল পূর্বাণী সংলগ্ন এলাকা থেকে বাপ্পিসহ তার ৪ সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল বিভাগ।
ডিএমপি সূত্রে জানা গেছে, বাপ্পি মূলত শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের সহযোগী এবং এলাকায় চাঁদাবাজি ও গুলিবর্ষণের জন্য পরিচিত। তার বিরুদ্ধে ডিএমপির বিভিন্ন থানায় চাঁদাবাজি, দস্যুতা, অপহরণ, হত্যা চেষ্টা, নারী ও শিশু নির্যাতন এবং মাদকসহ অন্তত ৭টি মামলা রয়েছে।
