গোল্ডেন বুটের মহাযুদ্ধ
মেসির ঘাড়ে এমবাপ্পের নিঃশ্বাস!
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ ২০২৬ এর ট্রফি কার ঘরে যাবে, স্পেন নাকি আর্জেন্টিনা? তা দেখার জন্য বিশ্ব উন্মুখ। কিন্তু মাঠের ভেতরের আসল লড়াইটা জমে উঠেছে অন্য জায়গায়। বিশ্বমঞ্চের সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার, অর্থাৎ সম্মানজনক 'গোল্ডেন বুট' এবার কার মাথায় উঠবে? লড়াইটা এখন সরাসরি লিওনেল মেসি বনাম কিলিয়ান এমবাপের! দুজনেই দাঁড়িয়ে আছেন সমান ৮টি করে গোল নিয়ে।
অনেকের মনেই প্রশ্ন, ফ্রান্স তো ফাইনালে উঠতে পারেনি, তাহলে এমবাপে কি আর গোল্ডেন বুট পাবেন? উত্তর হলো হ্যাঁ। অবশ্যই পাবেন! গোল্ডেন বুট টুর্নামেন্টের পজিশনের ওপর নির্ভর করে না, নির্ভর করে গোলসংখ্যার ওপর। আজ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৩য় স্থান নির্ধারণী ম্যাচেই এমবাপের সামনে সুযোগ থাকছে গোল করে মেসিকে ছাড়িয়ে যাওয়ার। অতীতেও ১৯৯৮ সালে ডেভর সুকার কিংবা ২০১০ সালে টমাস মুলার এই ৩য় স্থানের ম্যাচ খেলেই গোল্ডেন বুট জিতেছিলেন।
আরো পড়ুন: ফিফার ওপর চটলেন আর্জেন্টাইন কোচ স্কালোনি
আপাতত গোল সংখ্যায় দুজন সমান হলেও, ফিফার টাইব্রেকার নিয়মে এই মুহূর্তে এমবাপের চেয়ে এগিয়ে আছেন লিওনেল মেসি। তিনি একটি ম্যাচ বাদে বিশ্বকাপ জুড়ে ৮টি গোল দিয়েছেন এবং অ্যাসিস্ট করেছে ৪টি। এদিকে, কিলিয়ান এমবাপে ৩য় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ বাদে বিশ্বকাপ জুড়ে গোল করেছেন ৮টি এবং অ্যাসিস্ট করেছে ৩টি।
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, গোল সমান হলে দেখা হয় কার অ্যাসিস্ট বেশি। মেসি ৪টি অ্যাসিস্ট করায় এখন টেবিলের শীর্ষে আছেন। অর্থাৎ, এমবাপেকে যদি গোল্ডেন বুট এককভাবে জিততে হয়, তবে আজ রাতের ম্যাচে তাকে অন্তত ১টি গোল করতেই হবে।আর যদি অ্যাসিস্টও সমান হয়ে যায় তাহলে দেখা হয় কে কতো অল্প সময় মাঠে খেলেছেন। আর এই সমীকরণেও লিওনেল মেসি এগিয়ে।
আরো পড়ুন: ফকল্যান্ড নিয়ে বিতর্কিত ব্যানার যেভাবে পৌঁছাল আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের হাতে
পরিসংখ্যান বলছে, ৩য় স্থান নির্ধারণী ম্যাচগুলোতে ফাইনালের মতো অত চাপ থাকে না, ফলে গোল হয় প্রচুর। তাই আজ রাতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এমবাপের গোল পাওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই বেশি। অন্যদিকে মেসিকে খেলতে হবে স্পেনের কঠিন ডিফেন্সের বিপক্ষে মহাগুরুত্বপূর্ণ ফাইনাল।আজ রাতেই কি এমবাপে গোলবন্যা ভাসিয়ে ট্রফি নিজের করে নেবেন, নাকি রবিবার রাতে ফাইনাল জিতে গোল্ডেন বুটও নিজের পকেটে পুরবেন লিওনেল মেসি? ফুটবল ভক্তদের চোখ এখন এই দুই মহামানবের দিকেই।
