অর্থমন্ত্রী
‘ডিজিটাল সিস্টেমের আওতায় গ্রামীণ অর্থনীতিকে আনতে হবে’
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সার্বিক উন্নয়ন এবং তাদের অর্থনীতির মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে শক্তিশালী ইন্টারনেট অবকাঠামো, ‘এক সিটিজেন এক ওয়ালেট’ এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় আনা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, শক্তিশালী ডিজিটাল অবকাঠামো ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব।
শনিবার (১৯ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘ফিন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন ২.০’ শীর্ষক গ্রুপ ডায়ালগে তিনি এসব কথা বলেন। অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি একে অপরের পরিপূরক। ডিজিটাল অর্থনীতির গতি বাড়াতে নিরবচ্ছিন্ন ও উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ অপরিহার্য। শক্তিশালী ইন্টারনেট অবকাঠামো ছাড়া ডিজিটাল আর্থিক সেবার সুফল পুরোপুরি পাওয়া সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, ‘ওয়ান ভিলেজ, ওয়ান প্রোডাক্ট’ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রান্তিক উৎপাদক ও কারিগরদের চিহ্নিত করে তাদের ডিজিটাল পেমেন্ট ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন: ১০ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন মূল্যস্ফীতি আগস্টে
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, দেশে সাশ্রয়ী মূল্যে স্মার্টফোন উৎপাদন শুরু হয়েছে। চার থেকে পাঁচ হাজার টাকার মধ্যে স্মার্টফোন পাওয়া গেলে কৃষকসহ সাধারণ মানুষের প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ আরও বাড়বে। এর মাধ্যমে তারা আবহাওয়া, সারের প্রয়োজনীয়তা কিংবা বিভিন্ন কৃষিপণ্যের বাজারদর সহজেই জানতে পারবেন।
তিনি আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ড ও ফার্মার কার্ডের মাধ্যমে সুবিধা প্রদান কিংবা ইমাম-পুরোহিতদের ভাতা ব্যাংকিং ব্যবস্থার আওতায় আনার মতো উদ্যোগগুলোও স্বয়ংক্রিয়ভাবে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়াচ্ছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে উদ্ভাবনের গতি অব্যাহত রাখতে হবে। একই সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় নীতিগত সুরক্ষা নিশ্চিত করাও জরুরি।
অর্থনীতিবিদ হোসেন জিল্লুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।
