×

আন্তর্জাতিক

গার্ডিয়ানের বিশ্লেষণ

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে পাকিস্তান

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৬ পিএম

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে পাকিস্তান

ইয়েমেনের সানায় হুথি বিদ্রোহী যোদ্ধারা। চলতি মাসে হুথিরা অভূতপূর্বভাবে নতুন এলাকা নিজেদের দখলে নিয়েছে এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে সৌদি ভূখণ্ডে আঘাত করেছে। ছবি: সংগৃহীত

গত বছরের সেপ্টেম্বরে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে দাঁড়িয়ে পাকিস্তান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আসিম মুনিরের কাছে আঞ্চলিক পরিস্থিতি ছিল একেবারেই ভিন্ন। সৌদি আরবের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর প্রত্যক্ষ করতে তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। তখন চুক্তিটিকে পাকিস্তানের জন্য বড় ধরনের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছিল।

চুক্তির আওতায় সৌদি সামরিক বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পাশাপাশি দেশটির নিরাপত্তায় পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীর সহযোগিতার সুযোগ তৈরি হয়। বিনিময়ে তীব্র অর্থনৈতিক সংকটে থাকা পাকিস্তানের জন্য সৌদি বিনিয়োগ ও আর্থিক সহায়তার পথও আরও প্রশস্ত হয়।

তবে এক বছরেরও কম সময়ে বদলে গেছে পুরো আঞ্চলিক বাস্তবতা। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ও ইরানের সংঘাত, উপসাগরীয় অঞ্চলে হামলা-পাল্টা হামলা এবং ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুথিদের নতুন করে সক্রিয় হয়ে ওঠায় পাকিস্তানের জন্য সৌদি প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতির বাস্তব অর্থ নিয়েও নতুন প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

বিশেষ করে আগস্টে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ স্বাক্ষর করার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

বদলে গেছে আঞ্চলিক হিসাব

বিশ্লেষকদের মতে, গত বছর পাকিস্তানের হিসাব ছিল—যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্ক স্বাভাবিকতার দিকে এগোবে এবং মধ্যপ্রাচ্য বা উপসাগরীয় অঞ্চলে বড় ধরনের যুদ্ধের ঝুঁকি কমে আসবে। কিন্তু পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ সেই ধারণাকে পাল্টে দিয়েছে।

ইয়েমেনে হুথিদের সঙ্গে সৌদি আরবের দীর্ঘদিনের সংঘাতও নতুন করে তীব্র হয়েছে। সেপ্টেম্বরের শুরু থেকে হুথিরা সৌদি ভূখণ্ডে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। একই সময়ে ইয়েমেনে সৌদি বিমান হামলাও জোরদার হয়েছে। ১৯ সেপ্টেম্বর রিয়াদসহ সৌদি আরবের বিভিন্ন এলাকায় সম্ভাব্য আকাশ হামলার সতর্কতা জারি করা হয়।

আরও পড়ুন: ইয়েমেনে একদিনে সৌদি আরবের ২৬ বিমান হামলা

এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে—সৌদি আরব যদি হুথিদের বিরুদ্ধে স্থল অভিযান বা বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নেয়, তাহলে মক্কা চুক্তির আওতায় পাকিস্তানকে কতটা সরাসরি যুক্ত হতে হবে?

লন্ডনের কিংস কলেজের জ্যেষ্ঠ ফেলো ও প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক আয়েশা সিদ্দিকার মতে, আসিম মুনির হয়তো আঞ্চলিক ঝুঁকির মাত্রা পুরোপুরি অনুমান করতে পারেননি। তাঁর ভাষায়, পাকিস্তানি সেনাদের এত দ্রুত কোনো যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানোর প্রয়োজন হতে পারে—এমন পরিস্থিতি হয়তো তখন প্রত্যাশিত ছিল না।

সৌদির শক্তি, পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা

সৌদি আরবের হাতে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও বিপুল সামরিক সরঞ্জাম রয়েছে। কিন্তু ইয়েমেনের দুর্গম ভূখণ্ডে হুথিদের মতো গেরিলা কৌশলে অভ্যস্ত একটি বাহিনীর বিরুদ্ধে দীর্ঘস্থায়ী স্থলযুদ্ধে সৌদি বাহিনীর অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

অন্যদিকে ভারতের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সামরিক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অভ্যস্ত পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ভিন্ন ধরনের যুদ্ধ-অভিজ্ঞতা রয়েছে। ফলে বিশ্লেষকদের একাংশের ধারণা, সৌদি আরব যদি মক্কা চুক্তির আওতায় আনুষ্ঠানিক সামরিক সহায়তা চায়, তাহলে পাকিস্তানের ওপর চাপ বাড়তে পারে।

এমনকি প্রশিক্ষণ ও নিরাপত্তা সহযোগিতার কাজে সৌদি আরবে অবস্থানরত পাকিস্তানি সেনাদের একটি অংশকেও পরিস্থিতি অনুযায়ী কাজে লাগানোর প্রশ্ন উঠতে পারে।

সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে পাকিস্তানের জন্য বড় অঙ্কের আর্থিক সহায়তা ও বিনিয়োগের ঘোষণা দুই দেশের সম্পর্ককে আরও ঘনিষ্ঠ করেছে। ফলে কৌশলগত সম্পর্কের পাশাপাশি অর্থনৈতিক নির্ভরতাও ইসলামাবাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণকে প্রভাবিত করতে পারে।

প্রকাশ্যে কঠোর, ভেতরে উদ্বেগ

সৌদি আরবের নিরাপত্তার প্রতি পাকিস্তানের প্রতিশ্রুতির বিষয়ে দেশটির মন্ত্রী ও সামরিক কর্মকর্তারা প্রকাশ্যে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। তাঁরা সৌদি নিরাপত্তার প্রশ্নে পাকিস্তানের প্রতিশ্রুতিকে ‘অনড়’ ও ‘নিঃশর্ত’ বলে বর্ণনা করেছেন।

কিন্তু পর্দার আড়ালের বাস্তবতা অনেক বেশি জটিল।

পাকিস্তান বর্তমানে অর্থনৈতিক সংকট, অভ্যন্তরীণ জঙ্গিবাদ এবং আফগানিস্তানের তালেবানদের সঙ্গে উত্তেজনা—সব মিলিয়ে একাধিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের আরেকটি বড় যুদ্ধে সরাসরি যুক্ত হওয়া দেশটির জন্য সামরিক ও অর্থনৈতিক—দুই দিক থেকেই বড় চাপ তৈরি করতে পারে।

বিশ্লেষকদের আরেকটি উদ্বেগ হলো, হুথিদের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের সরাসরি অবস্থান নেওয়া কার্যত ইরানের বিপক্ষে অবস্থান হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। অথচ সাম্প্রতিক সংঘাতের আগে তেহরানের সঙ্গে ইসলামাবাদের সম্পর্ক তুলনামূলকভাবে ঘনিষ্ঠ ছিল। এমনকি আঞ্চলিক উত্তেজনা কমাতে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছিল।

অভ্যন্তরীণ সংঘাতের আশঙ্কা

আয়েশা সিদ্দিকার মতে, হুথিদের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেওয়া দেশটির অভ্যন্তরেও বড় ধরনের সামাজিক ও রাজনৈতিক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

ইরানের পর পাকিস্তানেই বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শিয়া মুসলিম জনগোষ্ঠীর বসবাস। ফলে ইরান-সমর্থিত হুথিদের বিরুদ্ধে পাকিস্তানি সেনাদের অংশগ্রহণ দেশের ভেতরে সুন্নি-শিয়া উত্তেজনা বাড়িয়ে দিতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।

এর পাশাপাশি আফগানিস্তানের তালেবানদের সঙ্গে ইরানের সম্পর্কও পাকিস্তানের জন্য বাড়তি উদ্বেগের কারণ হতে পারে। যুদ্ধের সরাসরি পক্ষ হয়ে গেলে পাকিস্তানের পশ্চিম সীমান্তে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানসহ বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কার কথা বলছেন বিশ্লেষকেরা।

ইরানসংলগ্ন বেলুচিস্তানও আরেকটি বড় ঝুঁকির জায়গা। সেখানে দীর্ঘদিন ধরে বিচ্ছিন্নতাবাদী তৎপরতা রয়েছে। ফলে আঞ্চলিক সংঘাতে পাকিস্তানের সরাসরি অংশগ্রহণ দেশটির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

চুক্তির শর্ত কতটা পরিষ্কার?

পাকিস্তান সিনেটের বিরোধীদলীয় নেতা রাজা নাসির আব্বাসের দাবি, মক্কা চুক্তির বিস্তারিত শর্ত সম্পর্কে সামরিক বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন ছাড়া খুব বেশি মানুষ জানেন না। তাঁর মতে, চুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত পার্লামেন্টে বিস্তারিতভাবে আলোচিত হওয়া উচিত ছিল।

তিনি সতর্ক করে বলেন, পাকিস্তান যদি ইয়েমেনের যুদ্ধে সরাসরি জড়িয়ে পড়ে, তাহলে তা দেশের জন্য বড় ধরনের সংকট তৈরি করতে পারে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, পাকিস্তান এরই মধ্যে একাধিক নিরাপত্তা সংকট ও অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে রয়েছে; নতুন কোনো আঞ্চলিক যুদ্ধে যুক্ত হলে অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলা ও ধর্মীয় মেরুকরণ বাড়তে পারে।

আরও পড়ুন: হাসিনার আমলের চুক্তি পর্যালোচনা প্রসঙ্গে ভারতের বার্তা

তবে চুক্তির প্রকাশিত বিবৃতিতে কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে সামরিক জোট হিসেবে এটিকে উপস্থাপন করা হয়নি। তুরস্কও চুক্তিটিকে প্রতিরক্ষামূলক হিসেবে বর্ণনা করেছে। আগস্টের শেষ দিকে তিন দেশ চুক্তির আওতায় সহযোগিতাকে আরও প্রাতিষ্ঠানিক করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং একই সঙ্গে সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধান ও উত্তেজনা কমানোর প্রচেষ্টার কথাও জানায়।

পাকিস্তান কি সরাসরি যুদ্ধে যাবে? সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন এখানেই।

সেপ্টেম্বরের শুরুতে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ বলেছিলেন, সৌদি আরবের ওপর হামলা অব্যাহত থাকলে মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি সক্রিয় হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

তবে চুক্তির বাস্তব প্রয়োগ কীভাবে হবে, তা এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। সাম্প্রতিক বিশ্লেষণগুলোতে বলা হচ্ছে, সৌদি আরব হুথিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান বাড়ালেও সরাসরি ইরানের সঙ্গে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধে যেতে চাইবে কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। একইভাবে পাকিস্তান ও তুরস্কও ইয়েমেনের মাটিতে সরাসরি যুদ্ধে জড়ানোর বিষয়ে সতর্ক।

ইসলামাবাদভিত্তিক ‘পাক ইনস্টিটিউট ফর পিস স্টাডিজ’-এর পরিচালক মুহাম্মদ আমির রানা মনে করেন, ইয়েমেনে সরাসরি সামরিক পদক্ষেপের সঙ্গে যুক্ত হওয়া এড়াতে পাকিস্তান সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পাকিস্তানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার দাবি, সৌদি ক্রাউন প্রিন্সও আপাতত চুক্তিটি সরাসরি সক্রিয় করতে আগ্রহী নন। তাঁর মতে, সৌদি আরব যদি স্থলবাহিনী পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়, তখন পাকিস্তান সহায়তার কথা বিবেচনা করতে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

সামনে অনিশ্চিত সমীকরণ

মক্কা চুক্তির সবচেয়ে বড় পরীক্ষা এখন সৌদি আরবের ওপর হুথিদের ধারাবাহিক হামলা। চুক্তিটি স্বাক্ষরের সময় তিন দেশ এটিকে সম্মিলিত প্রতিরোধ ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার কাঠামো হিসেবে তুলে ধরেছিল। কিন্তু সৌদি ভূখণ্ডে হামলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রশ্ন উঠছে—‘এক সদস্যের ওপর হামলা মানে সবার ওপর হামলা’ নীতিটি বাস্তবে কতটা এবং কীভাবে কার্যকর হবে।

চুক্তির আওতায় তিন দেশ সামরিক সহযোগিতা, যৌথ মহড়া এবং প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু সরাসরি ইয়েমেন যুদ্ধে অংশগ্রহণ করা আর প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করা—দুটি এক বিষয় নয়।

ফলে পাকিস্তানের সামনে এখন এক কঠিন সমীকরণ। একদিকে সৌদি আরবের সঙ্গে গভীর কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক, অন্যদিকে ইরান, আফগানিস্তান ও দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা পরিস্থিতি। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মক্কা চুক্তির প্রতিশ্রুতি।

এই মুহূর্তে ইসলামাবাদের প্রধান লক্ষ্য যে সরাসরি ইয়েমেন যুদ্ধে জড়িয়ে পড়া এড়ানো—সাম্প্রতিক বিশ্লেষণগুলোতে এমনটাই উঠে এসেছে। কিন্তু সৌদি আরবের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে সেই অবস্থান কতটা ধরে রাখা সম্ভব হবে, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় অনিশ্চয়তা।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

২ কোটি বাজেটের ‘হনুমান অংশ’ ৩০০ কোটির ক্লাবে

২ কোটি বাজেটের ‘হনুমান অংশ’ ৩০০ কোটির ক্লাবে

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে পাকিস্তান

গার্ডিয়ানের বিশ্লেষণ মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে পাকিস্তান

‘আমি বাঁচব কীভাবে, আমার তো একটাই ছেলে’

ছেলেকে হারিয়ে কুবি শিক্ষকের আহাজারি ‘আমি বাঁচব কীভাবে, আমার তো একটাই ছেলে’

অপ্রতিম হত্যা প্রসঙ্গে জামায়াত আমির  ‘আমাদের সন্তানদের নিরাপত্তা চাই’

অপ্রতিম হত্যা প্রসঙ্গে জামায়াত আমির ‘আমাদের সন্তানদের নিরাপত্তা চাই’

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App