শেষদিকের গোলে ঘরের মাঠে হার এড়াল লিভারপুল
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১১:৩১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
নিউক্যাসল ইউনাইটেডের মাঠে ইনজুরি টাইমের গোলে হার এড়িয়েছিল লিভারপুল। অ্যানফিল্ডে শনিবার নটিংহ্যাম ফরেস্টের বিপক্ষেও একই চিত্র। দুইবার পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত হার এড়িয়েছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। টানা দ্বিতীয় সপ্তাহে ২-২ গোলে ড্র করল লিভারপুল।
তবে রেডদের নতুন কোচ আন্দোনি ইরাওলার অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হলো। লিভারপুলের দায়িত্ব নেওয়ার পর এখনও প্রথম জয়ের দেখা পাননি তিনি।
অ্যানফিল্ডে প্রথমার্ধেই এগিয়ে যায় নটিংহ্যাম ফরেস্ট। ২৪তম মিনিটে ড্যান এন্দোয়ের গোলে এগিয়ে যায় অতিথিরা। এরপর রক্ষণ জমাট রেখে পাল্টা আক্রমণে লিভারপুলকে চাপে রাখে তারা।
বিরতির আগেই সমতায় ফেরার সুযোগ পেয়েছিল লিভারপুল। ফ্লোরিয়ান উইর্টজ গোল করলেও ভিএআরের পর সেটি বাতিল হয়। গোলটির বিল্ডআপে জেরেমি ফ্রিমপং অফসাইডে ছিলেন বলে সিদ্ধান্ত দেন রেফারি।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে অবশ্য ম্যাচে ফেরে লিভারপুল। ৬০তম মিনিটে কডি গাকপো দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বক্সের মধ্যে বল বাড়ান। সেখান থেকে খুব কাছ থেকে সহজেই জালে বল পাঠান সুইডিশ স্ট্রাইকার আলেক্সান্দার আইসাক।
আরও পড়ুন: ফিফা কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার কথা স্বীকার করলেন দুই আর্জেন্টাইন
তবে সমতা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ১০ মিনিট পর আবার এগিয়ে যায় ফরেস্ট। নিকো উইলিয়ামসকে পেনাল্টি এলাকায় ফাউল করেন লিভারপুলের গোলরক্ষক আলিসন। রেফারি সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির নির্দেশ দেন।

স্পটকিক থেকে আলিসনকে ভুল দিকে পাঠিয়ে বাঁ কোনা দিয়ে বল জালে পাঠান মর্গান গিবস-হোয়াইট। গোলের পর অ্যানফিল্ডে স্বস্তির বদলে বাড়তে থাকে উদ্বেগ।
শেষ পর্যন্ত সেই উদ্বেগ দূর করেন ভিক্টর মুনোজ। গ্রীষ্মের দলবদলে ৩ কোটি ৪৫ লাখ পাউন্ডে লিভারপুলে যোগ দেওয়া এই ফুটবলার অ্যানফিল্ডে অভিষেকেই নায়ক হয়ে ওঠেন।
৮২তম মিনিটে জায়গা তৈরি করে ডান দিক থেকে মুনোজের কাছে বল বাড়ান উইর্টজ। বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে প্রায় ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে শক্তিশালী ড্রাইভে ফরেস্ট গোলরক্ষক মাত্জ সেলসকে পরাস্ত করেন মুনোজ।
তাঁর সেই গোলেই নিশ্চিত হয়, ঘরের মাঠে অন্তত এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ছে লিভারপুল। তবে টানা দুই ম্যাচে ২-২ ড্র দিয়ে মৌসুম শুরু করায় নতুন কোচ ইরাওলার ওপর চাপ যে বাড়ছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
