এবার মোদীর বাসভবন ঘিরে বিক্ষোভ, পদত্যাগ দাবি
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২১ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪৪ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সংসদ অভিমুখে মিছিলে পুলিশের অভিযানের প্রতিবাদে এবার সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকারি বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে কংগ্রেস। এ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। তার সঙ্গে ছিলেন কংগ্রেস নেত্রী ও ওয়ানাডের সংসদ সদস্য প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং দলের আরও কয়েকজন শীর্ষ নেতা।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুরে তারা নয়াদিল্লির ৭, লোক কল্যাণ মার্গে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের সামনে পৌঁছে সড়কে বসে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় নরেন্দ্র মোদী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়। খবর দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় সরকার মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংকে ঘটনাস্থলে পাঠায়। তিনি সেখানে গিয়ে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে কথা বলেন। একই সময়ে পুলিশ কংগ্রেস নেতাদের কর্মসূচি প্রত্যাহারের আহ্বান জানায়। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো জোরদার করা হয়।
আরো পড়ুন: এবার মোদীর বাসভবন ঘিরে বিক্ষোভ, পদত্যাগ দাবি
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে রাহুল গান্ধী বলেন, আগের দিন তরুণ শিক্ষার্থীদের ওপর যে দমন-পীড়ন চালানো হয়েছে, তার প্রতিবাদ জানাতেই তারা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছেন। তার অভিযোগ, দেশের যুবসমাজের ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত করার দায়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগ করা উচিত।
কংগ্রেস প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, রাহুল গান্ধী বিক্ষোভে অংশ নেওয়া নেতাদের মধ্যে প্লাস্টিকের জিপ-টাই বিতরণ করছেন। পরে বিক্ষোভকারীরা নিজেদের হাত একসঙ্গে বেঁধে নেন, যাতে পুলিশ সহজে তাদের সরিয়ে নিতে না পারে। এদিকে নতুন করে কেউ যাতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের দিকে যেতে না পারেন, সে জন্য আশপাশের বিভিন্ন সড়কে অতিরিক্ত ব্যারিকেড বসানো হয়।
কংগ্রেসের সংসদ সদস্য সৈয়দ নাসির হুসেইন বলেন, তাদের দাবি স্পষ্ট- প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ এবং পুরো ঘটনার জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। এর আগে রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী দিল্লির রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতালে গিয়ে পুলিশের অভিযানে আহত আন্দোলনকারীদের খোঁজখবর নেন।
উল্লেখ্য, সোমবার সিজেপির সমর্থকেরা কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে সংসদ অভিমুখে মিছিল করেন। তাদের অভিযোগ, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় সরকার কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে। মিছিল আটকে দিলে পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে বহু মানুষ আহত হন।
