কেএমপির ৩ কর্মকর্তার নামে হত্যা মামলা
খুলনা ব্যুরো
প্রকাশ: ১৫ আগস্ট ২০২৪, ১০:০৯ পিএম
কেএমপি‘র অতিরিক্ত উপ-কমিশনার সোনালী সেন।
খুলনা অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) অতিরিক্ত উপ-কমিশনার সোনালী সেনসহ ৩ কর্মকর্তার নামে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) নগরীর ৩১ নম্বর বিএনপিরসহ সভাপতি বাবুল হোসেন কাজীকে হত্যার অভিযোগে তার স্ত্রী ফাতেমা বেগম এই মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
এই মামলার অন্য দুই জন আসামি হলেন, খুলনা সদর থানা পুলিশের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম ও উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামান।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ২৯ মার্চ খুলনার কেডি ঘোষ এলাকায় বিএনপি কার্যালয়ের সামনে আন্দোলন চলাকালে নগরীর ৩১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি মো. বাবুল হোসেন কাজী পুলিশের লাঠিচার্জে আহত হন। পরে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১১ দিন পর বাবুলের মৃত্যু হয়।
বাদীর আইনজীবী তৌহিদুর রহমান তুষার জানান, আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পিবিআইকে তদন্তের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। খুলনা অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম আনিচুর রহমান আগামী ২৩ অক্টোবরের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় নির্ধারণ করে দিয়েছেন।
আরো পড়ুন : দীপু মনি ও তার ভাইয়ের নামে নাশকতার মামলা
বিএনপি নেতারা জানান, ২০২১ সালের ২৯ মার্চ কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে খুলনায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করার কথা ছিল বিএনপির। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দলীয় কার্যালয়ের সামনে যখন নেতাকর্মীরা সমাবেশের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখন পুলিশ তাদেরকে বাধা দেয়। নেতাকর্মীদের ওপর অতর্কিত লাঠিচার্জ করে।
এ ঘটনায় ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের সহ-সভাপতি বাবুল হোসেন কাজী, নগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাবু, বটিয়াঘাটা থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক খন্দকার ফারুক হোসেন, জেলা বিএনপির সদস্য আব্দুল হালিম, কাজী ফজলুল কবির টিটো, স্বেচ্ছাসেবক দলের আলাউদ্দিন তালুকদার, বটিয়াঘাটা থানা বিএনপির মোতাহার হোসেন, ১৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান মিজান ও নগর যুবদল নেতা শফিকুল ইসলাম শাহীন আহত হন। এর মধ্যে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের সহ-সভাপতি বাবুল হোসেন কাজী খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১১ দিন পরে মারা যায়।
