×

আইন-বিচার

২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ

জাবেদের বিরুদ্ধে মামলায় আরো তিনজনের সাক্ষ্য

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ২০ মে ২০২৬, ০৮:৩৯ পিএম

জাবেদের বিরুদ্ধে মামলায় আরো তিনজনের সাক্ষ্য

ছবি : সংগৃহীত

ইউসিবিএলের ২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদসহ ৩৬ আসামির বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় আরও তিনজনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে।

বুধবার (২০ মে) চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমানের আদালতে তাদের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। সাক্ষ্যদানকারীদের মধ্যে দুজন ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবিএল)-এর কর্মকর্তা এবং একজন আরামিট গ্রুপের কর্মকর্তা রয়েছেন।

দুদকের আইনজীবী মোকাররম হোসাইন জানান, সাক্ষ্য ও জেরা কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২৩ জুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।

এ নিয়ে মামলাটিতে মোট ২১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন হয়েছে। মামলায় মোট সাক্ষী রয়েছেন ৯৬ জন। গত ১১ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয় ৫ এপ্রিল।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এবং দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. মশিউর রহমান গত ৫ জানুয়ারি চট্টগ্রাম মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ ছাড়াও তার স্ত্রী রুকমিলা জামান, ছোট ভাই আসিফুজ্জামান, বোন রোকসানা জামান এবং ইউসিবিএল ও আরামিট গ্রুপের কর্মকর্তাসহ মোট ৩৬ জনকে আসামি করা হয়েছে।

দুদক গত বছরের ২৪ জুলাই মামলাটি দায়ের করে। শুরুতে সেখানে ৩১ জনকে আসামি করা হলেও তদন্ত শেষে আরও সাতজনকে যুক্ত করা হয়। পরে ব্যাংক কর্মকর্তা আবদুল আওয়াল ও জাবেদের প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা কাজী মো. দিলদারের মৃত্যু হওয়ায় তাদের বিচারিক কার্যক্রম থেকে বাদ দেওয়া হয়।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, আরামিট গ্রুপের প্রোটোকল অফিসার ফরমান উল্লাহ চৌধুরীকে ব্যবসায়ী পরিচয়ে ব্যবহার করে ‘ভিশন ট্রেডিং’ নামে একটি ভুয়া প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স করা হয়। পরে ২০১৯ সালের ১৩ অক্টোবর ইউসিবিএলের চট্টগ্রাম পোর্ট শাখায় ওই প্রতিষ্ঠানের নামে একটি চলতি হিসাব খোলা হয়।

এরপর ২০২০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি গম, হলুদ, ছোলা ও মটর আমদানির কথা বলে ১৮০ দিনের জন্য টাইম লোনের আবেদন করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়াই ঋণ অনুমোদন করে।

ঋণের অর্থ পরে আলফা ট্রেডার্স, ক্লাসিক ট্রেডার্স, মডেল ট্রেডিং ও ইম্পেরিয়াল ট্রেডিং নামে চারটি প্রতিষ্ঠানের হিসাবে পে-অর্ডারের মাধ্যমে স্থানান্তর করা হয়। পরে সেই অর্থ নগদে উত্তোলন ও অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

দুদকের দাবি, পরবর্তীতে এসব অর্থ হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা হয় এবং বিদেশে সম্পত্তি কেনাসহ জাবেদের মালিকানাধীন আরামিট সিমেন্ট ও আরামিট থাই অ্যালুমিনিয়াম লিমিটেডের হিসাবে জমা করে দায় সমন্বয় করা হয়।

অভিযোগপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ১৩ অক্টোবর থেকে ২০২০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এ আত্মসাতের ঘটনা ঘটে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

ঢাকার রাস্তায় রিকশাচালক মার্কিন রাষ্ট্রদূত!

ঢাকার রাস্তায় রিকশাচালক মার্কিন রাষ্ট্রদূত!

বিশেষ অভিযানে মাদকের বড় ডিলার গ্রেপ্তার

বিশেষ অভিযানে মাদকের বড় ডিলার গ্রেপ্তার

এনওসি না থাকায় পাকিস্তান থেকে আনা রক সল্টের চালান আটকে দিলো কাস্টমস

এনওসি না থাকায় পাকিস্তান থেকে আনা রক সল্টের চালান আটকে দিলো কাস্টমস

জাবেদের বিরুদ্ধে মামলায় আরো তিনজনের সাক্ষ্য

২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ জাবেদের বিরুদ্ধে মামলায় আরো তিনজনের সাক্ষ্য

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App