×

মধ্যপ্রাচ্য

খামেনির প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত, জনসমুদ্র তেহরানের মোসাল্লায়

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ১১:২৯ এএম

খামেনির প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত, জনসমুদ্র তেহরানের মোসাল্লায়

ছবি : সংগৃহীত

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং তার পরিবারের চার সদস্যের প্রথম জানাজা আজ (৫ জুলাই) অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লায় জানাজার আয়োজন করা হয়। এতে রেকর্ডসংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণ করে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, শনিবার থেকেই সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য খামেনির মরদেহ গ্র্যান্ড মোসাল্লায় রাখা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জানাজার নামাজ শুরু হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগেই মোসাল্লার প্রধান চত্বর কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। দেশটির বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজারো মানুষ শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে জড়ো হন।

জানাজার পর সোমবার তেহরানে এবং মঙ্গলবার পবিত্র শহর কোমে শোক শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর আরো ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে খামেনির মরদেহ ইরাকের নজফ ও কারবালা শহরে নেওয়া হবে। পরে বৃহস্পতিবার দাফনের জন্য মরদেহ ইরানের পবিত্র শহর মাশহাদে ফিরিয়ে আনা হবে।

কে ছিলেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি?

১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানের প্রথম সর্বোচ্চ নেতা হন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি। তার মৃত্যুর পর ১৯৮৯ সালে দেশের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব গ্রহণ করেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।

আরো পড়ুন : তেহরানে শোকের ছায়া, দ্বিতীয় দিনেও খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা

ইসলামী বিপ্লবের আদর্শিক নেতৃত্ব দিয়েছিলেন খোমেনি। আর সেই বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে ইরানের সামরিক ও আধাসামরিক কাঠামো গড়ে তোলা এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন খামেনি। তার মৃত্যুর পর উত্তরসূরি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ছেলে মোজতবা খামেনি। দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই তার নেতৃত্বে প্রথম বড় রাষ্ট্রীয় আয়োজন। তবে এখনো তিনি জনসমক্ষে উপস্থিত হননি।

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জন্ম ১৯৩৯ সালে ইরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পবিত্র শিয়া শহর মাশহাদে। ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের আগে রাজতন্ত্রবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতা হিসেবে পরিচিতি পান তিনি। ১৯৮১ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় তিনি দেশটির প্রেসিডেন্ট ছিলেন। পরে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হন।

দীর্ঘ শাসনামলে তিনি ইরানের সামরিক সক্ষমতা ও প্রতিরক্ষা কৌশল আরো শক্তিশালী করেন। তবে তার শাসনের শেষ দিকে অর্থনৈতিক সংকট ও রাজনৈতিক অস্থিরতা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে ওঠে। শেষ পর্যন্ত ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় তিনি নিহত হন।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সরকারি ব্যানার-বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার নিষিদ্ধ

সরকারি ব্যানার-বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার নিষিদ্ধ

স্মারক ডাকটিকিট উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

স্মারক ডাকটিকিট উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বৈরি আবহাওয়ায় বিঘ্নিত যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসের আয়োজন

বৈরি আবহাওয়ায় বিঘ্নিত যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসের আয়োজন

 চতুর্মাত্রিক বাহিনী গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর সরকার

রাষ্ট্রপতি চতুর্মাত্রিক বাহিনী গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর সরকার

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App