সাহাবুদ্দিন-শেখ হাসিনার ফোনালাপ নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৫ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
সদ্য পদত্যাগ করা সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন লন্ডনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন এমন অভিযোগের বিষয়ে সরকারের কাছে কোনো তথ্য বা প্রমাণ নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
রোববার (২৬ জুলাই) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি তিনি গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের মাধ্যমে জেনেছেন। কোনো সংবাদমাধ্যম কী তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে এমন খবর প্রকাশ করেছে, তা সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের কাছেই জানতে হবে। সরকারের কাছে এ ধরনের কোনো তথ্য নেই।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান প্রযুক্তির যুগে কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজন হয় না। কথা বলতে চাইলে দেশ থেকেই তা সম্ভব।
আরও পড়ুন: তফসিল ঘোষণার আগে স্পিকারের কাছে সময় চাওয়া হবে
সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তারের দাবির বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, কেন বিরোধী দল এ দাবি জানাচ্ছে, সে বিষয়ে তাদের কাছেই জানতে হবে। তিনি বলেন, গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে দেশে মতপ্রকাশ ও প্রতিবাদের স্বাধীনতা রয়েছে। রাষ্ট্রপতির সমালোচনা বা অভিযোগ তোলার অধিকারও মানুষের আছে।
রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক অবস্থান সম্পর্কে তিনি বলেন, দায়িত্ব পালনকালে মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধান ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করেছেন এবং সরকার তার সহযোগিতা পেয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দায়মুক্তির (ইমিউনিটি) সুবিধা ভোগ করেন। ফলে ফৌজদারি অপরাধসহ অন্য কোনো বিষয়েও দায়িত্ব পালনকালীন তার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করা যায় না। তবে এ বিষয়ে ভিন্নমত প্রকাশের স্বাধীনতা সবার রয়েছে।
আরও পড়ুন: সাবেক দুই রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ
রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যদি সে সময় কোনো অভিযোগ থেকে থাকে, তাহলে তা সংশ্লিষ্ট সময়ের আইন অনুযায়ী নিষ্পত্তির বিষয়।
সাবেক রাষ্ট্রপতির সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে তিনি জানান, আইন অনুযায়ী মো. সাহাবুদ্দিন সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রাপ্য সব সুবিধা পাবেন। তার নিরাপত্তার জন্য ছয় মাস পর্যন্ত স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ), প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর) এবং পুলিশসহ অন্যান্য নিরাপত্তা সুবিধা বহাল থাকবে।
