ঢাকা-চট্টগ্রাম ইলেকট্রিক ট্রেনের নকশা চূড়ান্ত
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৯ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যে যাতায়াতের সময় ও দূরত্ব কমাতে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এরই মধ্যে এ ট্রেন পরিচালনার জন্য ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন স্থাপনের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ নকশা প্রণয়নের কাজ শেষ হয়েছে। এখন প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থায়নের অপেক্ষা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব তথ্য জানান।
সংসদ সদস্যের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডরে ইলেকট্রিক ট্রেন পরিচালনার জন্য ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন স্থাপনের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ ডিজাইন প্রণয়নের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত হওয়ার পর বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা ও সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের দূরত্ব কমানোর জন্য ঢাকা থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত কর্ডলাইন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। এ প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ ডিজাইন প্রণয়নের কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, কর্ডলাইন নির্মাণ করা হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের দূরত্ব কমার পাশাপাশি ট্রেনের গড় গতিও বাড়বে। এতে দুই শহরের মধ্যে কম সময়ে যাতায়াত করা সম্ভব হবে।
এ ছাড়া ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত রেলপথকে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে রূপান্তরের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, টঙ্গী-আখাউড়া এবং লাকসাম-চট্টগ্রাম অংশে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন নির্মাণের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ ডিজাইন প্রণয়নের কাজ শেষ হয়েছে। এর মধ্যে লাকসাম-চট্টগ্রাম ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন উন্নয়ন প্রকল্পের প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অন্যদিকে টঙ্গী-আখাউড়া ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন প্রকল্পের ডিপিপি প্রণয়নের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডরে বাংলাদেশ রেলওয়ের যাত্রী পরিবহনের সক্ষমতা বাড়বে। একই সঙ্গে ট্রেনের গতি বাড়ার ফলে এ রুটে যাতায়াত আরও দ্রুত ও সুবিধাজনক হবে।
