মেয়েকে হত্যা করে সাজানো হয় দুর্ঘটনার নাটক, অতঃপর...
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৫ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
ভারতের আহমেদাবাদে ২২ বছর বয়সী এক তরুণীকে পরিবারের সদস্যরা হত্যা করে ঘটনাটিকে সড়ক দুর্ঘটনা হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। নিহত সোফিয়া একটি হাসপাতালে রিসেপশনিস্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১২ আগস্ট রাতে সোফিয়াকে মোটরসাইকেলে করে বাইরে নিয়ে যান তার বাবা মোহম্মদ ফারুক ও ৩৮ বছর বয়সী ভাই মোহম্মদ হাবিল। পুলিশের তদন্তে বলা হয়েছে, গেহলজিপুরা গ্রামের কাছের একটি নির্জন সড়কে পৌঁছে তারা সোফিয়ার ওপর হামলা চালান।
পুলিশের দাবি, হত্যার পর সোফিয়ার মরদেহ মূল সড়কের পাশে নিয়ে যাওয়া হয় এবং মোটরসাইকেলটি ভাঙচুর করা হয়। এরপর হাবিল কর্তৃপক্ষকে জানান, পেছন থেকে দ্রুতগতির একটি গাড়ি তাদের মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে গেছে।
আরও পড়ুন: একনেক সভা কী, কীভাবে কাজ করে
গুরুতর আহত অবস্থায় সোফিয়াকে সোলা সিভিল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে পরদিন তার মৃত্যু হয়।
তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, ঘটনার প্রায় তিন মাস আগে এক ব্যক্তির সঙ্গে সোফিয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল। এরপর তার বাবা ও ভাই ক্ষুব্ধ হন। পরিবারের সম্মান ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা থেকেই তারা সোফিয়াকে হত্যার পরিকল্পনা করেন বলে পুলিশের অভিযোগ।
তদন্তকারীদের ভাষ্য, ঘটনার দিন হাবিল সঙ্গে একটি লোহার হাতুড়ি নিয়ে বের হয়েছিলেন। পরে বাবা ও ছেলে মিলে সোফিয়াকে হত্যা করে ঘটনাটিকে সড়ক দুর্ঘটনা হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করেন বলে পুলিশের দাবি।
এ ঘটনায় সোফিয়ার বাবা মোহম্মদ ফারুক ও ভাই মোহম্মদ হাবিলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে হত্যার মামলা করা হয়েছে। বর্তমানে তারা পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন।
সূত্র: এনডিটিভি
