পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
ভারত সফরের বিষয়ে সরকার ইতিবাচক
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৩৯ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য সফরের বিষয়ে সরকার ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তবে এখনো কোনো সফরের তারিখ চূড়ান্ত হয়নি বলেও জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
শামা ওবায়েদ বলেন, সামনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, সংসদ অধিবেশনসহ দেশের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি রয়েছে। পাশাপাশি সাংবিধানিক বিভিন্ন কার্যক্রমও চলমান। এসব কারণে সরকার ও প্রধানমন্ত্রী ব্যস্ত সময় পার করছেন।
তিনি বলেন, এসব কার্যক্রমের সঙ্গে সময়সূচি সমন্বয় করা সম্ভব হলে ভারত, জাপানসহ বিভিন্ন দেশে প্রধানমন্ত্রীর সফর হতে পারে। সব দেশ সফরের বিষয়ে সরকারের ইতিবাচক অবস্থান রয়েছে। তবে সফরের সময় নির্ধারণের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর সময়সূচি এবং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনার অগ্রগতির ওপর নির্ভর করবে।
ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অংশ নেবেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, সম্মেলন এখনো অনেক দূরে। এর মধ্যে পরিস্থিতিতে অনেক পরিবর্তন আসতে পারে। তাই এ বিষয়ে এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়ার সুযোগ নেই।
আরও পড়ুন: ভারত যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বিষয়ে শামা ওবায়েদ বলেন, দুই দেশের সরকারপ্রধানের মধ্যে সরাসরি আলোচনা হলে বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় সমস্যা সমাধানের সুযোগ তৈরি হয়। ভারতকেও এ সুযোগ ইতিবাচকভাবে কাজে লাগানো উচিত।
তিনি বলেন, ভারতে অবস্থান করে বাংলাদেশের একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামির বক্তব্য দেওয়ার বিষয়টি বাংলাদেশের জনগণ ভালোভাবে নেয়নি। জুলাইয়ের ঘটনাবলির স্মৃতি এখনো মানুষের মধ্যে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ধরনের বিষয় বিবেচনায় নিয়ে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে সংবেদনশীলতা প্রয়োজন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী যখন সরাসরি বৈঠকে বসেন, তখন অনেক জটিল বিষয় নিয়ে আলোচনা ও সমাধানের সুযোগ তৈরি হয়। বাংলাদেশও এমন আলোচনার মাধ্যমে বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের প্রত্যাশা করে।
সবশেষে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরসহ এখন পর্যন্ত কোনো বিদেশ সফরই চূড়ান্ত হয়নি। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা এবং প্রধানমন্ত্রীর সময়সূচি বিবেচনা করেই পরবর্তী সময়ে সফরের তারিখ নির্ধারণ করা হবে।
