জানা গেল পে স্কেলের গেজেট কবে
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১:১৪ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
নবম জাতীয় পে স্কেলের গেজেট প্রকাশের প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। বিদ্যমান জটিলতাগুলো দ্রুত নিরসন করে আগামী সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে গেজেট জারি করতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যে সেপ্টেম্বরের শুরুতেই নতুন পে স্কেলের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নতুন বেতন কাঠামো চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে বেতন বৃদ্ধির হার, বিভিন্ন ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা, জুডিশিয়াল সার্ভিসের বেতন কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য এবং সরকারের সামগ্রিক আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনা করা হচ্ছে।
মন্ত্রিসভা প্রস্তাবটি অনুমোদন দিলে তা আইনগত যাচাই বা ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। ভেটিংসহ প্রয়োজনীয় আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই গেজেট প্রকাশ করা হবে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী অক্টোবর থেকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন-ভাতা পেতে পারেন। তবে নতুন পে স্কেল চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর ধরা হবে। সে ক্ষেত্রে জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বরের বেতন নতুন কাঠামো অনুযায়ী হিসাব করে পরবর্তী সময়ে বকেয়া অর্থ সমন্বয় করা হতে পারে।
এর আগে আগস্টের মধ্যেই গেজেট প্রকাশের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে বেতন বৃদ্ধির হার, বিভিন্ন ভাতা এবং সরকারের আর্থিক সক্ষমতা নিয়ে আরও পর্যালোচনার প্রয়োজন হওয়ায় নির্ধারিত সময় পিছিয়ে যায়।
এদিকে নবম জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনার জন্য গঠিত উচ্চপর্যায়ের সচিব কমিটির কার্যক্রমও প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সভাপতিত্বে আরও একটি বৈঠকের পর চূড়ান্ত প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় পাঠানো হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট কমিটির কাজ শেষ হলেই পে স্কেলের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় পাঠানো হবে। চলতি বছরের মধ্যেই নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
তবে সরকারের আর্থিক সংকট বিবেচনায় নতুন বেতন কাঠামো দুই ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রথম ধাপে মূল বেতন এবং পরবর্তী ধাপে ভাতাসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা কার্যকর হতে পারে।
এদিকে পে কমিশনের সুপারিশের তুলনায় বেতন বৃদ্ধির হার কিছুটা কমানোর সুপারিশ করেছে সচিব কমিটি। একই সঙ্গে জুডিশিয়াল সার্ভিস ও সশস্ত্র বাহিনীর বেতন কাঠামোর সঙ্গে সমন্বয় করাও চূড়ান্ত প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
