প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
টিকাকেন্দ্র ভাঙচুরের ঘটনায় সরকার বিব্রত, তদন্তের ভিত্তিতে ব্যবস্থা
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:২৭ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় সরকার বিব্রত বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। পুলিশের তদন্তের ভিত্তিতে ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
সিসিটিভি ফুটেজে যাদের পরিচয় পাওয়া গেছে, তাদের এখনো কেন গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না—এক সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, বিষয়টি একটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এগোচ্ছে।
তিনি বলেন, গণমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে পাওয়া তথ্য অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। তবে গণমাধ্যমের অনুসন্ধান পুলিশের আনুষ্ঠানিক তদন্তের বিকল্প নয়। পুলিশের তদন্তের ভিত্তিতেই শেষ পর্যন্ত অভিযোগপত্র দেওয়া হবে।
উপদেষ্টা বলেন, তদন্তে যাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া যাবে এবং পুলিশ যাদের বিষয়ে নিশ্চিত হবে, তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।
এর আগে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় কয়েক দফায় গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া গেছে। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ ও মামলার তদন্তে সংশ্লিষ্টতার তথ্যের ভিত্তিতেই গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপতথ্য ছড়ানোর বিষয়েও কথা বলেন জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিদের নাম ব্যবহার করে মিথ্যা বা অপতথ্য ছড়িয়ে বিভিন্ন ধরনের বয়ান তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে।
তবে সরকারের সমালোচনার বিরোধিতা করেননি তিনি। বরং যুক্তি ও সত্য তথ্যের ভিত্তিতে সরকারের সমালোচনা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অংশ বলে মন্তব্য করেন।
জাহেদ উর রহমান বলেন, সরকারে থাকা অবস্থায় বিভিন্ন ভুল হতে পারে এবং সেগুলোর যৌক্তিক সমালোচনা করা সম্ভব। তবে সমালোচনার ক্ষেত্রে অপতথ্য ব্যবহার না করার আহ্বান জানান তিনি।
অপতথ্য মোকাবিলায় জনসচেতনতার পাশাপাশি আইনি কাঠামোর প্রয়োজন রয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, অপতথ্য মোকাবিলায় সাইবার সুরক্ষা আইন নিয়ে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। আইনটি চূড়ান্ত হলে এর আওতায় আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
