×

জাতীয়

স্বল্পোন্নত থেকে বাংলাদেশের উত্তরণে খুশি ভারত

Icon

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৬ মার্চ ২০২১, ০৪:৩৬ পিএম

স্বল্পোন্নত থেকে বাংলাদেশের উত্তরণে খুশি ভারত

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ফাইল ছবি

বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের জন্য জাতিসংঘের সুপারিশ লাভ করায় ভারত খুবই খুশি। বাংলাদশের প্রতি প্রতিবেশি দেশটি তাদের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।  শুক্রবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। খবর দ্য হিন্দু বিজনেস লাইনের।

ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে বলেন, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এলডিসি থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের ভূয়সী প্রশংসা এবং গর্বপ্রকাশ করেছেন। সম্প্রতি ঢাকায় এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের এই মাইলফলক অর্জন নিয়ে এমন প্রশংসা মুখর হয়ে ওঠেন। অনুরাগ শ্রীবাস্তব বলেন, এলডিসি থেকে বাংলাদেশের উত্তরণে আমরা খুশি এবং এই প্রবৃদ্ধির পথে তাদের সঙ্গে সহযোগিতা ও অংশীদারত্ব অব্যাহত রাখব।

বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে সাফটার (দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক মুক্তবাণিজ্য চুক্তি) অধীনে ভারত থেকে যে শুল্ক ও কোটামুক্ত বাণিজ্য সুবিধা পেত, এলডিসি থেকে উত্তরণের পরও তা পাবে কি না জানতে চাওয়া হয়েছিল ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের কাছে।

জবাবে তিনি বলেন, ভারত-বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ভার্চুয়াল সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের দেওয়া শুল্কমুক্ত কোটামুক্ত সুবিধার প্রশংসা করেন। সাফটার ভিত্তিতে ২০১১ সাল থেকে ভারত বাংলাদেশকে এই সুবিধা দিচ্ছে।

অনুরাগ শ্রীবাস্তব আরও জানান, উভয় দেশের প্রধানমন্ত্রী নিজ নিজ কর্মকর্তাদের দ্বিপাক্ষিক বিস্তৃত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তির (সিইপিএ) সম্ভাবনা নিয়ে একটি যৌথ গবেষণা দ্রুত সমাপ্তের নির্দেশ দেন। গত ১৭ ডিসেম্বর ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মধ্যকার একটি ভার্চুয়াল সম্মেলনে নতুন এই চুক্তির বিষয়টি সামনে আসে।

জাতিসংঘের উন্নয়ন নীতি সংক্রান্ত কমিটি-সিডিপি সম্প্রতি বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের সুপারিশ করেছে। নিয়ম অনুযায়ী, তিনটি শর্ত পূরণ হলে এবং পরপর দুটি পর্যালোচনায় এ মানদণ্ড ধরে রাখতে পারলে উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি পাওয়া যায়। শর্তগুলো হলো- মাথাপিছু আয় হতে হবে কমপক্ষে ১ হাজার ২৩০ মার্কিন ডলার, মানবসম্পদ সূচকে ৬৬ পয়েন্ট ও অর্থনীতির ভঙ্গুরতা সূচকে ৩২ বা তার নিচে থাকতে হবে। ২০১৮ থেকেই বাংলাদেশ এসব শর্ত পূরণ করে আসছে।

প্রতি তিন বছর পরপর এই মানদণ্ড পর্যালোচনা করে সিডিপি। তবে করোনা মহামারির কারণে দুই বছর বাড়িয়ে বাংলাদেশকে পরবর্তী পর্যালোচনার জন্য ২০২৬ সালের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ আগামী পাঁচ বছর ওই তিনটি মান ধরে রাখতে পারলেই মিলবে উন্নয়নশীল দেশের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

যে কারণে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়াই অনশন ভাঙলেন সোনম ওয়াংচুক

যে কারণে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়াই অনশন ভাঙলেন সোনম ওয়াংচুক

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে মুখ খুললেন দেব

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে মুখ খুললেন দেব

সীমান্তে ৬ জনকে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা প্রতিহত করল বিজিবি

সীমান্তে ৬ জনকে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা প্রতিহত করল বিজিবি

ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ছাড়া আলোচনার অর্থ নেই: ককরোচ মুখপাত্র

ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ছাড়া আলোচনার অর্থ নেই: ককরোচ মুখপাত্র

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App