প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে থানার সব পুলিশকে বরখাস্ত
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৫ আগস্ট ২০২৬, ০৯:২২ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
পাকিস্তানের লাহোরে একটি থানার ভেতরে মানসিক প্রতিবন্ধী এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে এক সহকারী উপ-পরিদর্শককে (এএসআই) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলা ও তদারকিতে ব্যর্থতার অভিযোগে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (এসএইচও)সহ মোট ৭৮ জন পুলিশ সদস্যকে একযোগে বরখাস্ত করেছে কর্তৃপক্ষ।
গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার (৪ আগস্ট) গভীর রাতে লাহোরের গাজীবাদ থানা পরিদর্শনের পর ডিআইজি (অপারেশনস) ফয়সাল কামরান এ সিদ্ধান্ত নেন। অভিযোগ পাওয়ার পর যথাসময়ে ব্যবস্থা না নেওয়া এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত না করার কারণেই এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
তদন্তে জানা গেছে, তদন্ত শাখার এএসআই ইমরান একটি মামলার বিষয়ে কথা বলার কথা বলে মানসিক প্রতিবন্ধী ওই তরুণীকে তার বাসা থেকে মোটরসাইকেলে থানায় নিয়ে আসেন। পরে থানার একটি কক্ষে তাকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। ঘটনার দুই দিন পর অভিযুক্ত এএসআই ইমরানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
ঘটনার পর ডিআইজি ফয়সাল কামরান থানার এসএইচও, দুইজন সাব-ইন্সপেক্টর, আটজন এএসআই, ফ্রন্ট ডেস্কের সদস্যসহ মোট ৭৮ জন পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ দেন।
তিনি বলেন, থানার অভ্যন্তরে সংঘটিত প্রতিটি ঘটনার দায়ভার সংশ্লিষ্ট এসএইচও-এর ওপর বর্তায়। দায়িত্বে অবহেলা কিংবা তদারকিতে গাফিলতির ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।
এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে লাহোর পুলিশ জানিয়েছে, থানা পর্যায়ে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যেই এই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে গাজীবাদ থানার নতুন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (এসএইচও) হিসেবে আলী জেব দস্তগীরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত এএসআই ইমরানের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
