টিকটকার আয়েশা হত্যা, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৫৪ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে শামসু বিবি নামে ২৬ বছর বয়সী এক টিকটকারকে গুলি করে হত্যা করেছে অজ্ঞাতপরিচয় হামলাকারীরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি ‘আয়েশা গিলামনা’ নামে পরিচিত ছিলেন। স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, আর্থিক বিরোধের জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে।
পুলিশ এখনো হত্যাকাণ্ডে জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। নিহতের ভাই নিয়ামাতুল্লাহ জানিয়েছেন, ন্যায়বিচারের জন্য তারা পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজ শরিফের হস্তক্ষেপ চান।
হত্যাকাণ্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, মোটরসাইকেলে আসা দুই ব্যক্তি একটি বাজার এলাকায় একটি গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছিলেন। পরে তারা আয়েশার গাড়ির কাছে গিয়ে ভেতরে একাধিক গুলি চালিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
আয়েশার মৃত্যুর পর তার টিকটক অ্যাকাউন্টটি নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হয়েছে। ওই অ্যাকাউন্টে তার ১৩ লাখের বেশি অনুসারী ছিল। রাওয়ালপিন্ডি-ইসলামাবাদ অঞ্চলে নারী ও তরুণ কনটেন্ট নির্মাতাদের লক্ষ্য করে হামলার ধারাবাহিকতার মধ্যে এই হত্যাকাণ্ড নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
আরও পড়ুন: পিংক বাস নিয়ে মুখ খুললেন সাদিয়া আয়মান, দিলেন কড়া বার্তা
আয়েশার হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানে নারীদের নিরাপত্তা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারীদের প্রতি আচরণ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
পাকিস্তানি সাংবাদিক আম্মারা আহমেদ হত্যাকাণ্ডের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন। একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পেজে আয়েশার জানাজায় কম মানুষের উপস্থিতি নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করা হয়। এর প্রতিবাদ করে আম্মারা আহমেদ বলেন, নারীরা মৃত্যুর পরও যথাযথ সম্মান থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, আয়েশা ট্যাক্সিলায় নিহত একজন তরুণ ইনফ্লুয়েন্সার ছিলেন। তার জানাজার ছবি নিয়ে বিভিন্ন পোস্টের সত্যতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তবে হত্যাকাণ্ডের পর এমন সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
পুলিশ হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
সূত্র: দ্য প্রিন্ট
