যে কারণে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে জিজ্ঞাসাবাদের কথা বললেন ডিএমপি কমিশনার
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
দেশের বিভিন্ন স্থানে বোমাবাজির ঘটনা নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সাম্প্রতিক বক্তব্য প্রসঙ্গে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার তোফায়েল আহমেদ মিয়া।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থেকে ককটেল তৈরির সরঞ্জাম ও ৯ হাজার মুখোশ উদ্ধারের বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সম্প্রতি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর একটি মন্তব্যের বিষয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে যুগ্ম কমিশনার তোফায়েল বলেন, “তাহলে তাকেই জিজ্ঞাসা করতে হবে যে তিনি এই বক্তব্য কেন দিলেন। আমার মনে হয় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত, তা না হলে তিনি কেন এমন কথা বললেন?” পুলিশ তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করবে কি না—এমন প্রশ্নে তিনি জানান যে এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সিদ্ধান্ত নেবেন।
আরও পড়ুন: শিশুর আঙুল কেটে ফেলার অভিযোগে কনস্টেবল ও তাঁর স্ত্রী গ্রেপ্তার
উল্লেখ্য, গত সোমবার রাতে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে এনসিপির মিছিল শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছিলেন, “আমরা তিনটি দাবিতে অনবরত রাজপথে আছি। এই দাবিগুলো মানলেই তো ঢাকা শহরে আর ককটেল ফুটবে না।”
৯ হাজার মুখোশ ও বিস্ফোরকসহ গ্রেপ্তার ১
সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে বিস্ফোরক, ককটেল তৈরির সরঞ্জাম এবং ‘অসৎ উদ্দেশ্যে’ তৈরি করা নয় হাজার কাগজের মুখোশসহ জাহিদ হাসান ইমন (৩০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গত ১৯ সেপ্টেম্বর যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে ইমনের সংশ্লিষ্টতার তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়। এর ধারাবাহিকতায় শুক্রবার ভোররাতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের বাগাশুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যে কস্টিক সোডা, সালফার, মারবেল, তারকাঁটা, টেপ এবং কাগজের তৈরি ৯ হাজার মুখোশ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার জাহিদ হাসান ইমন প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন যে লালবাগের এক নেতার মাধ্যমে ভ্যানচালকের সাহায্যে মুখোশগুলো তার কাছে পাঠানো হয়েছিল এবং পরবর্তীতে সেগুলো বিভিন্ন নেতাকর্মীর মধ্যে বিতরণের জন্য তার বাসায় সংরক্ষণ করা হয়েছিল। ইমনের বিরুদ্ধে ডিএমপির শাহবাগ ও লালবাগ থানায় ইতিপূর্বে দুটি মামলা রয়েছে।
