মহানবী (সা.) যে ৭ কাজ করতে বলেছেন
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৩ আগস্ট ২০২৬, ০৭:২৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
আল্লাহ তাআলা মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে সমগ্র বিশ্বজগতের জন্য রহমত হিসেবে প্রেরণ করেছেন। মানবজাতির ইহকালীন ও পরকালীন কল্যাণ নিশ্চিত করাই ছিল তাঁর আগমনের মূল উদ্দেশ্য। তিনি শান্তি, সম্প্রীতি, ন্যায় ও মানবকল্যাণের বার্তা নিয়ে পৃথিবীতে আগমন করেন। তাঁর আগে কেউ এমন বিপুল রহমত নিয়ে জগতে আগমন করেনি।
আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘হে নবী, আমি তোমাকে সারা বিশ্বের জন্য রহমত হিসেবে পাঠিয়েছি।’ (সুরা আম্বিয়া, আয়াত: ১০৭)
রাসুলুল্লাহ (সা.) সব সময় মানুষের কল্যাণের চিন্তা করতেন। মানুষের কল্যাণের কথা ভেবে আমলের কথা বলতেন। কর্মসূচি নিতেন। তিনি চাইতেন তাঁর প্রতিটি উম্মত জান্নাতবাসী হোক। সবাই আল্লাহর বিধান মেনে চলুক। সেজন্য তিনি প্রতিটি বিধান দিতেন দরদ দিয়ে।
আল্লাহর আদেশ পালনকারী এবং রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণকারী প্রতিটি মুসলমান ভাই ভাই। আল্লাহ বলেন, ‘মুমিনরা পরস্পর ভাই ভাই।’ (সুরা হুজুরাত, আয়াত: ১০)
আরো পড়ুন: কেন জুম্মার দিনকে সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন বলা হয়?
ভাই ভাইয়ের প্রতি সহানুভূতিশীল হবে, এটিই স্বাভাবিক। আল্লাহ আরও বলেন, ‘মুহাম্মদ আল্লাহর রাসুল, তাঁর সহচররা অবিশ্বাসীদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল।’ (সুরা ফাতাহ, আয়াত: ২৯)
মুসলমানদের পরস্পরের সম্পর্কের গভীরতা বুঝাতে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘সব মুসলমান একটি দেহের মতো, যদি তার চোখ অসুস্থ হয়, তাহলে পুরা শরীর অসুস্থ হয়ে যায়, যদি তার মাথা অসুস্থ হয় তাহলে পুরো শরীর অসুস্থ হয়ে যায়।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৬৭৫৪)
রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাদেরকে সাতটি কাজ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। প্রতিটি কাজই মুসলমানদের একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কিত। এগুলো করলে মুসলমানদের পরস্পরের মধ্যে আন্তরিকতা তৈরি হয়। হৃদ্যতা বাড়ে। সওয়াব পাওয়া যায়।
বারা ইবনে আজিব (রা.) বলেন, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাদের সাতটি কাজের নির্দেশ প্রদান করেন এবং সাতটি কাজ থেকে নিষেধ করেন। যে সাত কাজের আদেশ করেন, তা হলো—
এক. রোগীর সেবা-শুশ্রুষা করা।
দুই. জানাজার সঙ্গে চলা।
তিন. হাঁচিদাতার জবাব দেওয়া।
চার. দাওয়াত গ্রহণ করা।
পাঁচ. সালামের জবাব দেওয়া।
ছয়. মাজলুমকে সাহায্য করা ও
সাত. শপথ পূরণ করা...।’
