হবিগঞ্জে মামলা করবো, তারপর যাবো : নাহিদ ইসলাম
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩১ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে হবিগঞ্জের পথে রওনা হলেও শেষ পর্যন্ত মিরপুর এলাকায় আবারও পুলিশের বাধার মুখে পড়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীরা। দীর্ঘ সময় আলোচনা চললেও নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে তাদের সড়কেই আটকে রাখা হয়।
বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে হবিগঞ্জের মিরপুর এলাকায় এনসিপির গাড়িবহর থামিয়ে দেয় পুলিশ। একপর্যায়ে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ কেন্দ্রীয় নেতারা সড়কে বসে অবস্থান নেন।
এ সময় সাংবাদিকদের নাহিদ ইসলাম বলেন, আগের দিনের হামলার প্রতিবাদে হবিগঞ্জে তাদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি ছিল। প্রথমে মৌলভীবাজারে, পরে কয়েক দফায় বালুবাহী ট্রাক ও ট্রাক্টর দিয়ে পথরোধ করা হয়। এরপর মিরপুর এলাকায় পুলিশ তাদের আটকে দেয়। তিনি অভিযোগ করেন, তাদের পেছনে ছাত্রদলের শত শত নেতাকর্মী অবস্থান করছেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, “আমরা পুলিশকে জানিয়েছি, যেহেতু ১৪৪ ধারা জারি হয়েছে, তাই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রতি সম্মান দেখিয়েই আমরা শুধু হবিগঞ্জে গিয়ে মামলা করব, আহতদের খোঁজ নেব, তাদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে ফিরে আসব। প্রয়োজন হলে পুলিশ যতজনকে অনুমতি দেবে, ততজনই যাব। আমরা কোনো অশান্তি চাই না। এখানে ১৪৪ ধারা জারি নেই, তবুও আমাদের ব্যারিকেড দিয়ে আটকে রাখা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা এখানেই অবস্থান করব। আমরা ঢাকা থেকে হবিগঞ্জে এসেছি মামলা করতে। মামলা করেই ফিরব।”
এর আগে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শ্রীমঙ্গল উপজেলার শায়েস্তাগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল সড়কের চা কন্যা ভাস্কর্য এলাকায় সড়ক বন্ধ করে এনসিপির গাড়িবহর আটকে দেওয়া হয়। এ সময় গাড়ি থেকে নেমে পুলিশের সঙ্গে কথা বলেন নাহিদ ইসলাম, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং সংসদ সদস্য ডা. মাহমুদা মিতু। একপর্যায়ে পুলিশ ও এনসিপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে।
মৌলভীবাজারের সহকারী পুলিশ সুপার (শ্রীমঙ্গল সার্কেল) মো. ওয়াহিদুজ্জামান রাজু বলেন, নিরাপত্তাজনিত কারণেই এনসিপির নেতাকর্মীদের আটকে দেওয়া হয়েছে।
