ঈদে মিলাদুন্নবী ঘিরে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা
কাগজ প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
পবিত্র ঈদ-ই মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাজধানী ঢাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান নির্বিঘেœ সম্পন্ন করতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। সম্ভাব্য যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা মোকাবিলায় রাজধানীজুড়ে বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি, চেকপোস্ট ও তল্লাশি কার্যক্রম। গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও জনসমাগমস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে বিশেষায়িত নিরাপত্তা ইউনিট। ঈদ-ই মিলাদুন্নবী উপলক্ষে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পিকেট ও চেকপোস্ট ডিউটি জোরদার করা হয়েছে। মহানগরের সব প্রবেশপথে তল্লাশি কার্যক্রম বাড়ানোর পাশাপাশি সন্দেহজনক গতিবিধির ওপর নজরদারি রাখা হচ্ছে। গতকাল মঙ্গলবার মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগে থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
ডিএমপি জানিয়েছে, নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে ডিবি ও সিটিটিসির সদস্যরা অপারেশনাল কার্যক্রমের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি চালাবেন। গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও জনসমাগমস্থলে সোয়াট, বোমা ডিসপোজাল ইউনিট এবং কে-নাইন ইউনিটের সদস্যরা নিয়মিত সুইপিং কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনার আওতায় এনে এসব এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা ও ড্রোনের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। সাদা পোশাকে মাঠে থাকবে সিটিএসবি ও আইএডির সদস্যরা। তারা গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের পাশাপাশি সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারে অতিরিক্ত র?্যাব ও সিআইডি টিমও মোতায়েন থাকবে।
জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে প্রস্তুত রাখা হয়েছে পর্যাপ্ত কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি)। স্বাভাবিক দায়িত্বের বাইরে অতিরিক্ত অফিসার ও ফোর্স মোতায়েন থাকবে আলোচনা সভা, মিলাদ মাহফিল ও র?্যালিকেন্দ্রিক নিরাপত্তায়। র?্যালির সামনে ও পেছনে সংশ্লিষ্ট থানার মোবাইল টিম থাকবে। পাশাপাশি র?্যালির গতিপথ ও আশপাশের এলাকায় বিশেষ নজরদারি চালানো হবে। ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও মাঠ পর্যায়ে অবস্থান করে নিজ নিজ অধিক্ষেত্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরাসরি তদারকি করবেন। ডিএমপি বলছে, পবিত্র ঈদ-ই মিলাদুন্নবী উপলক্ষে নগরবাসীর নিরাপদ ও নির্বিঘœ চলাচল নিশ্চিত করা এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলো শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করাই তাদের মূল লক্ষ্য। এ জন্য রাজধানীজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর রাখা হয়েছে।
