একাদশে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ
২ সেপ্টেম্বর থেকে আবেদন, ৯৩ শতাংশ মেধার ভিত্তিতে
কাগজ প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
চলতি ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে কলেজ ও সমমানের প্রতিষ্ঠানে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করা হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী, আগামী ২ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশে ভর্তির আবেদন নেয়া শুরু হবে। গতকাল সোমবার দুপুরে শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক স্বাক্ষরিত এই নীতিমালা প্রকাশ করা হয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইটে। নীতিমালা অনুযায়ী, ভর্তির জন্য ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করা যাবে। ভর্তি কার্যক্রম শেষে আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, দেশের কলেজ ও সমমানের প্রতিষ্ঠানে ভর্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ৯৩ শতাংশ আসন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এসব আসনে মেধার ভিত্তিতে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। এছাড়া মহানগর, বিভাগীয় ও জেলা সদরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারী সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ এবং মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর ও সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। এ দুই শ্রেণিতে মোট ২ শতাংশ আসন সংরক্ষণ করা হবে। তবে সংরক্ষিত আসনে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীকে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে ভর্তির ন্যূনতম যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। সংরক্ষিত আসনের বিপরীতে আবেদনকারীর সংখ্যা বেশি হলে আবেদনকারীদের মধ্য থেকেই মেধার ভিত্তিতে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। এক্ষেত্রে আবেদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীর দপ্তরপ্রধানের প্রত্যয়নপত্র জমা দিতে হবে। কোনো কর্মকর্তা নিজেই দপ্তরপ্রধান হলে তার এক ধাপ ওপরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার
প্রত্যয়নপত্র দাখিল করতে হবে। অন্যদিকে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে।
নীতিমালায় আরো বলা হয়েছে, মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য সংরক্ষিত আসনে ভর্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রমাণপত্র বা গেজেটের সত্যায়িত কপি আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। ভর্তির সময় এসব কাগজের মূল কপি প্রদর্শন করতে হবে। এক্ষেত্রে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে ইস্যু করা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মুক্তিযোদ্ধা সনদ যথাযথভাবে যাচাই করে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান পাওয়া না গেলে ওই সংরক্ষিত আসনে মেধাতালিকা থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই সংরক্ষিত আসন শূন্য রাখা যাবে না।
