বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ
সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫১ পিএম
ছবি: ভোরের কাগজ
সীতাকুণ্ডে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে দলটির দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে ঘিরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার দুপুরে দুই পক্ষের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে আনুমানিক ১০ জন আহত হয়েছেন। পরে এক পক্ষ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে।
জানা গেছে, সোমবার উপজেলা বিএনপির দুই পক্ষ পৃথক কর্মসূচি ঘোষণা করে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার বিকেল তিনটায় বিএনপির সাবেক কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব লায়ন আসলাম চৌধুরীর পক্ষের নেতা-কর্মীরা পৌরসভার এলকে সিদ্দিকী স্কয়ারে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন ও র্যালি বের করার ঘোষণা দেন।

অন্যদিকে, উপজেলা পরিষদের বিপরীত পাশে মুন স্টার কমিউনিটি সেন্টারে দুপুর দুইটায় সাবেক উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী সালাউদ্দিনের অনুসারী নেতা-কর্মীদের কর্মসূচি পালনের কথা ছিল।
আরও পড়ুন: মব অনেকাংশেই নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে আসলাম চৌধুরীর পক্ষের নেতা-কর্মীরা সালাউদ্দিনের ঘোষিত কর্মসূচির স্থান দখল করে নেন। এ ঘটনায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সীতাকুণ্ড থানা-পুলিশ ও র্যাব ঘটনাস্থলে অবস্থান নেয়। পরে সালাউদ্দিনের অনুসারীরা ন্যাশনাল হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন। বেলা একটার দিকে আসলাম চৌধুরীর পক্ষের নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে এগিয়ে এলে সালাউদ্দিনের অনুসারীদের সঙ্গে তাঁদের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় একে একে ১০ থেকে ১২টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। এতে আনুমানিক ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
এ সময় আসলাম চৌধুরীর পক্ষের নেতা-কর্মীরা লাঠিসোঁটা দিয়ে সালাউদ্দিনের অনুসারীদের পিটিয়ে বিচ্ছিন্ন করে দেন। একই সঙ্গে তাঁদের ব্যানার ও ফেস্টুন ভাঙচুর করা হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে দুপুর দুইটার দিকে সালাউদ্দিনের অনুসারীরা বাঁশবাড়িয়া এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেন।
বার আউলিয়া হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিল্টন মণ্ডল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দুপুর দুইটার দিকে বিএনপির লোকজন বাঁশবাড়িয়া এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন। এতে দূরপাল্লার যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহিনুল ইসলাম বলেন, শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
