৪ দিন বন্ধ থাকবে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেন
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৯:০৫ এএম
ছবি : সংগৃহীত
ঈদ পরবর্তী সময়ে সেতুর মেরামত কাজের জন্য ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর রামপুর এলাকায় চট্টগ্রামমুখী লেন চার দিন বন্ধ রাখা হবে। পরে আরো কয়েকদিন এক লেনে যান চলাচল করবে বলে জানিয়েছে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ। এতে ঈদের ফিরতি যাত্রায় কিছুটা দুর্ভোগের আশঙ্কা করছেন যাত্রী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা।
তবে সড়ক বিভাগ জানিয়েছে, এবার ঈদে লম্বা ছুটি থাকায় ঈদের পর মানুষের চাপ তুলনামূলক কম থাকে এবং ভারী যানবাহনও সীমিত থাকে। এ কারণেই মেরামতের জন্য এই সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
সড়ক বিভাগ ফেনীর নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে জারি করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর রামপুর সেতুর মেরামত কাজ আগামী ২২ মার্চ থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত চলবে। এর মধ্যে ২২ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত চট্টগ্রামমুখী লেন সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। আর ২৬ থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত এক লেনে যান চলাচল করবে।
আরো পড়ুন : খালেদা জিয়ার নামে খালের নামকরণ করলেন এমপি
গণবিজ্ঞপ্তিতে বিকল্প হিসেবে কয়েকটি সড়ক ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের র্যাব ক্যাম্প সংলগ্ন ইউটার্ন থেকে রামপুর ব্রিজের পরবর্তী ইউটার্ন পর্যন্ত দুই লেনকে সাময়িকভাবে একমুখী ব্যবহার, ফতেহপুর স্টারলাইন পাম্প হয়ে সালাউদ্দিন মোড়, ট্রাক রোড, জিরো পয়েন্ট হয়ে লালপোল, বিসিক মোড় (গ্যাস কোম্পানি) হয়ে দেওয়ানগঞ্জ মোড়, সালাউদ্দিন মোড়, ট্রাক রোড, জিরো পয়েন্ট হয়ে লালপোল এবং মহিপাল শহীদ শহিদুল্লা কায়সার সড়ক হয়ে ট্রাক রোড, জিরো পয়েন্ট হয়ে লালপোল সংযোগ সড়ক।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, এসব বিকল্প সড়কের বেশিরভাগই শহরের অভ্যন্তরীণ এবং ভারী যান চলাচলের জন্য পুরোপুরি উপযোগী নয়। ফলে শহরের ভেতরে যানবাহনের চাপ বেড়ে যানজট সৃষ্টি হতে পারে এবং এতে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
পরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানান, ঈদের আগে ও পরে এই মহাসড়ক দেশের সবচেয়ে ব্যস্ত রুটগুলোর একটি। এ সময় বিপুল সংখ্যক মানুষ বাড়ি যাওয়া ও কর্মস্থলে ফেরার জন্য এই সড়ক ব্যবহার করেন। তাই এই সময়ে লেন বন্ধ থাকলে কিছুটা ভোগান্তি তৈরি হতে পারে।
এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগ ফেনী কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীতি চাকমা বলেন, ২০২৪ সালের বন্যায় সেতুটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই দ্রুত মেরামত কাজ সম্পন্ন করা প্রয়োজন। এক লেন দিয়ে যান চলাচল অব্যাহত থাকায় সাময়িক চাপ থাকলেও বড় ধরনের সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা নেই। ঈদ-পরবর্তী সময়কেই কাজের জন্য উপযুক্ত বিবেচনা করা হয়েছে, কারণ এ সময় যানবাহনের চাপ তুলনামূলক কম থাকে এবং ভারী যান চলাচলও সীমিত থাকে।
