প্রতিমন্ত্রী টুকু
সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রধানমন্ত্রীর পাশে থাকতে হবে
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:১৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি এগিয়ে নিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রধানমন্ত্রীর পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও টাঙ্গাইল সদর আসনের সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেন, সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রীর পাশে থাকা এখন আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে টাঙ্গাইল শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রতিমন্ত্রী টুকু বলেন, কৃষক কার্ড চালুর মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষকদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে গেছে। এটি শুধু একটি পরিচয়পত্র নয়, বরং কৃষকের অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
এর মাধ্যমে কৃষকরা সহজেই সরকারি বিভিন্ন সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।
তিনি জানান, সারাদেশে একযোগে কর্মসূচি শুরু হলেও উদ্বোধনের জন্য টাঙ্গাইল সদরকে বেছে নেওয়ায় জেলার মানুষ গর্বিত।
একই সঙ্গে তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণ করেন।
মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, টাঙ্গাইলের মাটি সংগ্রামের ইতিহাসে সমৃদ্ধ। এই মাটিতেই কৃষকদের অধিকার আদায়ের আন্দোলন গড়ে উঠেছিল। সেই ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় আজ কৃষক কার্ড কার্যক্রম কৃষকদের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার করছে।
তিনি আরও বলেন, টাঙ্গাইলের উর্বর জমি, বনাঞ্চল ও চরাঞ্চল কৃষি উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। যমুনা নদীকেন্দ্রিক মৎস্য সম্পদও এখানকার মানুষের জীবিকার বড় উৎস। তবে নদীভাঙন এ অঞ্চলের কৃষকদের বড় সমস্যা-স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ হলে তারা আরও নিরাপদে চাষাবাদ করতে পারবেন।
প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করে তিনি বলেন, নির্বাচনের পর ফ্যামিলি কার্ড চালু, কৃষিঋণ মওকুফ, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা প্রদান এবং খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ ইতোমধ্যে নেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী এবং বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি জিয়াকুন শী। এছাড়া কৃষক ও কৃষাণীরাও তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী টাঙ্গাইল পৌর উদ্যানে কৃষিমেলার উদ্বোধন করেন।
