সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ধানের চারা নষ্ট করে জমি দখলচেষ্টার অভিযোগ
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০৫:০২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
কিশোরগঞ্জে জমি দখলে নিতে ফসলি জমি থেকে রোপণ করা ধানের চারা তুলে ফেলা এবং মারধর ও খুন-জখমের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর আতাহার আলীর স্ত্রী মোছা. মরিয়ম বেগম (৪৩) বাদী হয়ে কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিবাবাদ মৌজার ৮০৬, ৮১০ ও ৮৬০ নম্বর দাগে মোট ১৫ শতাংশ জমি মরিয়ম বেগমের স্বামী মো. আতাহার আলী ওরফে আতর আলী ক্রয় ও ওয়ারিশ সূত্রে মালিক হয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন। তবে একই এলাকার মো. নজরুল ইসলাম (৪৮) ও তাঁর ছেলে সাকিব মিয়া (১৯) ওই জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: নারীর সঙ্গে বিএনপি নেতার হোটেলে ‘রাতযাপন’, ছবি ভাইরাল
লিখিত অভিযোগে মরিয়ম বেগম দাবি করেন, জমি নিয়ে বিরোধের বিষয়টি স্থানীয়ভাবে দরবার-সালিশের মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও অভিযুক্তরা সালিশের সিদ্ধান্ত না মানায় বিরোধের নিষ্পত্তি হয়নি। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৬ আগস্ট দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে নজরুল ইসলাম ও তাঁর ছেলে সাকিব মিয়া ওই জমিতে গিয়ে রোপণ করা ধানের চারা তুলে নষ্ট করেন। এতে প্রায় ১০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগে দাবি করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ধানের চারা নষ্ট করতে বাধা দিলে অভিযুক্তরা মরিয়ম বেগম ও তাঁর সঙ্গে থাকা লোকজনকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং মারমুখী আচরণ করেন। তাঁদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা মরিয়ম বেগম ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের মারধর ও খুন-জখমের হুমকি দিয়ে চলে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
মরিয়ম বেগমের আশঙ্কা, অভিযুক্তরা যেকোনো সময় তাঁর ও পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা করে জমিটি জোরপূর্বক দখল করতে পারেন। পরিবারের নিরাপত্তা ও জমির দখল রক্ষায় তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করেছেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘এই সম্পত্তিগুলো আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি। আমার বাবা-চাচারা যে যার মতো দখলে আছেন। তবে আমার জমিতে কলাগাছ রোপণ করলে আতর আলী তা তুলে নিয়ে যায়।’
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম ভূঞা বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
